সোনা আত্মসাতের ঘটনায় আমার সম্পৃক্ততা নেই: বাফুফে সহ-সভাপতি

সোনা আত্মসাতের ঘটনায় আমার সম্পৃক্ততা নেই: বাফুফে সহ-সভাপতি

ক্রীড়া প্রতিবেদক ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

প্রকাশিত: ১৯:৪৭ ৩ মার্চ ২০২১  

মহিউদ্দিন আহমেদ

মহিউদ্দিন আহমেদ

গ্রাহকদের বন্ধক রাখা সোনা আত্মসাতের মামলায় বাংলাদেশ সমবায় ব্যাংক লিমিটেডের চেয়ারম্যান ও বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) সহ-সভাপতি মহিউদ্দিন আহমেদ মহির নাম উঠে এসেছে। তবে এই ঘটনার সঙ্গে নিজের কোনো সম্পৃক্ততা নেই বলে দাবি করেছেন তিনি। 

বুধবার সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে মহি বলেন, সাড়ে ১১ কোটি টাকার স্বর্ণালংকার আত্মসাৎ-এর তথ্য সঠিক না। আসলে এখানে গ্রাহকের স্বর্ণ ফেরত দেয়ার ক্ষেত্রে অনিয়ম হয়েছে। এখানে ব্যাংকের কোনো টাকা আত্মসাৎ হয়নি। এই ধরণের কোনো ঘটনা ঘটেনি।

তিনি আরো বলেন, আমরা ঘটনা জানার পর ম্যানেজমেন্টের পক্ষ থেকে একটি তদন্ত দল করেছি। পরবর্তীতে দেখলাম দুদক এখানে তদন্তের জন্য ব্যবস্থা নিয়েছে। আমাকে সেখানে ডাকা হলে আমি জবাব দিয়েছি। এটা হলো আমাদের ফুটবল ফেডারেশনের নির্বাচনের সময়ের ঘটনা। হঠাৎ করে দেখলাম আমার বিরুদ্ধেও মামলা করেছে। এখন এটা তদন্ত করে দেখা হবে যে এখানে আমার সম্পৃক্ততা আছে কিনা।

তদন্ত হলেই সব প্রকাশ হবে জানিয়ে মহি বলেন, স্বর্ণ জমা নেয়া বা ফেরত দেয়ার সব কর্মকর্তাদের বিষয়। এখানে কোথাও আমার কোনো সম্পৃক্ততা নাই। কোথাও আমার সই-স্বাক্ষর লাগেনাই। তদন্ত করলেই ব্যাপারটা প্রকাশ হয়ে যাবে।

তিনি আরো বলেন, যেভাবে খবরটি প্রকাশ করা হয়েছে তা ঠিকভাবে বলা হয়নি। আমি সমবায় ব্যাংকের চেয়ারম্যান হিসেবে দৈনন্দিন কর্মকান্ডের সঙ্গে আমার কোনো সম্পৃক্ততা নাই। তদন্ত করে যদি কর্মকর্তাদের কোনো অনিয়ম পাওয়া যায় তখন সে অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া হবে। 

মহির বিষয়টি পৌঁছে গেছে এএফসির কানেও। এ বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন, এএফসি থেকে যে অভিযোগ এসেছে সে বিষয়ে বাফুফে সভাপতির সঙ্গে আমার কথা হয়েছে। ফুটবল ফেডারেশনের পক্ষ থেকে আমার কাছে মৌখিকভাবে এ বিষয়ে জানতে চাওয়া হয়েছিল, আমি উত্তর দিয়েছি। বাফুফে লিখিতভাবে আমার অবস্থান জানতে চাইলে আমি অবশ্যই সেটা তখন পরিষ্কার করবো। 

বাফুফে সহ সভাপতি যোগ করেন, আমার বিরুদ্ধে এখন এফআইআর দায়ের করা হয়েছে। এখন সেখানে আমার ব্যাপারে তদন্ত করা হবে। দুদক যদি তদন্ত করে আমার কোনো সম্পৃক্ততা পায় তখন মামলার চার্জশিট দেবে, আদালতে যাবে, বিচার হবে। তারপরে বিচারকার্য সম্পন্ন হওয়ার পর যদি আমার নাম চার্জশিটে অন্তর্ভূক্ত থাকে, আমি মামলায় সাজাপ্রাপ্ত হই তখনই আমাকে অভিযুক্ত বলা যেতে পারে। 

ডেইলি বাংলাদেশ/আরএস/এএল