সবাই যখন ম্যারাডোনা

সবাই যখন ম্যারাডোনা

স্পোর্টস ডেস্ক ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

প্রকাশিত: ১৩:১২ ২৭ নভেম্বর ২০২০   আপডেট: ১৭:০৬ ২৭ নভেম্বর ২০২০

ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

ইতালিয়ান ক্লাব নাপোলির কাছে দিয়েগো ম্যারাডোনা একজন খেলোয়াড়ের চেয়েও বেশি কিছু। ১৯৮৪ সালে এফসি বার্সেলোনা থেকে রেকর্ড ট্রান্সফার ফি-তে নেপলসে পাড়ি জমিয়েছিলেন তিনি। আর্জেন্টাইন কিংবদন্তির হাত ধরেই বদলে যায় নাপোলি ফুটবল ক্লাবের ভাগ্য। ফলে ভালোবাসার মানুষের বিদায়ে অন্যরকম এক সম্মাননা প্রদান করেছে তারা। 

নিজেদের ৯৪ বছরের ইতিহাসে নাপোলি ইতালিয়ান সিরি আ শিরোপা জিতেছে দুবার। সেই দুটোই ম্যারাডোনার কল্যাণে। নিজেদের ক্লাব কিংবদন্তিকে হারানোর শোকে ডুবেছে নেপলস। বলা হয়ে থাকে, নাপোলির জন্য ম্যারাডোনা শুধুই একজন খেলোয়াড় নন। তিনি তাদের স্বপ্নপূরণের ঈশ্বর। ফলে ফুটবল ঈশ্বরের বিদায়ে শোকাচ্ছান্ন নেপলস শ্রদ্ধা জানিয়েছে একটু অন্যভাবে।

ইউরোপা লিগের ম্যাচে বৃহস্পতিবার রাতে ক্রোয়েশিয়ার ক্লাব রিয়েকার বিপক্ষে নিজ মাঠে খেলতে নেমেছিল নাপোলি। ম্যারাডোনার স্মৃতিতে সাজানো হয়েছিল পুরো স্তাদিও সান পাওলো। মাঠের চারধারে ছিল ম্যারাডোনার নামের হোর্ডিং। এছাড়া জায়ান্ট স্ক্রিনে ছিল তার ছবি।

নাপোলির একাদশের সবাই গতকাল ম্যারাডোনার দশ নম্বর জার্সি পড়ে মাঠে নেমেছিলেন। ম্যাচের আগে তার সম্মানে পালন করা হয় নীরবতা। এছাড়া নাপোলির সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্টগুলোতেও ছিল পরিবর্তন।

নাপোলির ফেইসবুক, টুইটার ও ইন্সটাগ্রাম থেকে সরিয়ে ফেলা হয়েছে রঙ। সবগুলো ছবি পোস্ট করা হচ্ছে সাদাকালোতে। সব একাউন্টের কাভার ফটো সরিয়ে লেখা হয়েছে ক্লাবের বিখ্যাত 'হো ভিসতো মারাদোনা' স্লোগান।

ম্যাচটিতে রিয়েকাকে ২-০ গোলে হারিয়েছে নাপোলি। প্রিয় ম্যারাডোনাকে জয় উৎসর্গ করেছে ক্লাবটি। 

ডেইলি বাংলাদেশ/এএল