ম্যানচেস্টার সিটিতে থাকতে চান গার্দিওলা

ম্যানচেস্টার সিটিতে থাকতে চান গার্দিওলা

স্পোর্টস ডেস্ক ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

প্রকাশিত: ১৭:১৭ ৩১ অক্টোবর ২০২০  

পেপ গার্দিওলা  -ফাইল ফটো

পেপ গার্দিওলা -ফাইল ফটো

বার্সেলোনায় ফিরে যাবার থেকে ম্যানচেস্টার সিটিতেই থাকতে চান পেপ গার্দিওলা। সিটি বস নিজেই এই আগ্রহের কথা প্রকাশ করেছেন।

আগামী গ্রীষ্মে ইতিহাদ স্টেডিয়ামের সঙ্গে চুক্তি শেষ হয়ে যাচ্ছে গার্দিওলার। বার্সেলোনার সভাপতি প্রার্থী হিসেবে এগিয়ে ভিক্টর ফন্ট এরই মধ্যে ঘোষণা দিয়েছেন নির্বাচনে জয়ী হতে পারলে তার প্রথম কাজই হবে ৪৯ বছর বয়সী এই কোচকে আবারো ক্যাম্প ন্যুতে ফিরিয়ে নিয়ে আসা। 

আগামী মাসে অনাস্থা ভোটের সম্ভাবনায় একটু আগে ভাগেই বোর্ড পরিচালকদের নিয়ে পদত্যাগ করেছেন বার্সার বর্তমান সভাপতি জোসেপ মারিয়া বার্তোমেউ।

গার্দিওলা অবশ্য স্পষ্ট করে জানিয়ে দিয়েছেন ম্যানচেস্টারে তিনি দারুণ স্বস্তিতে আছেন, আনন্দেই আছেন। সিটি বস বলেন, আমি এখানে সত্যিই দারুণ খুশী।  আশা করছি এই মৌসুমে ভাল কিছু করতে পারার বিনিময়ে আরো দীর্ঘদিন এই ক্লাবে থাকার সুযোগ হবে।

এবারের প্রিমিয়ার লিগ মৌসুমের শুরুটা অবশ্য সিটির জন্য এখনো খুব একটা আশাব্যঞ্জক হয়নি। ওয়েস্ট হ্যামের সঙ্গে ড্র করার পর পুনরায় লড়াইয়ে ফিরে আসার আশা করছে সিটিজেনরা। গার্দিওলার ইনজুরির তালিকা থেকে গাব্রিয়েল জেসুস ও নাথান আইকেকে দলে ফেরার দ্বারপ্রান্তে রয়েছেন। 

ব্যস্ত প্রিমিয়ার লিগ মৌসুমে খেলোয়াড়দের বিশ্রামের বিষয়টি বিবেচনা করে পুনরায় পাঁচজন খেলোয়াড় বদলীর নিয়মটি চালুর ব্যপারে মত দিয়েছেন গার্দিওলা।

এ সম্পর্কে তিনি বলেছেন, অবশ্যই এটা সকলের জন্যই প্রযোজ্য। এখানে শুধুমাত্র একটি ক্লাব এর থেকে সুবিধা নিতে পারবেনা। কোন ক্লাবই এই বিষয়টির প্রতি নেতিবাচক মনোভাব পোষন করেনি। আগের মৌসুমের তুলনায় এ বছর এরই মধ্যে প্রিমিয়ার লিগের খেলোয়াড়রা ৪৭ শতাংশের বেশী পেশীর ইনজুরিতে পড়েছে। বেশীরভাগ ক্লাবই গত মৌসুম শেষ হবার পর কোন ধরনের প্রস্তুতি ছাড়াই নতুন লিগে খেলতে এসেছে।

তার উপর একের পর এক গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে তাদের খেলতে হচ্ছে। জার্মানী, স্পেন ও অন্যান্য লিগে পাঁচজন বদলী খেলোয়াড়ের নিয়মে খেলোয়ারড়াই উপকৃত হয়েছে, এখানে নির্দিষ্ট ক্লাবের কোন সুবিধা হয়নি। আশা করছি সংশ্লিষ্ঠরা বিষয়টি পুনর্বিবেচনা করে দেখবে। কারণ আমাদের আরো বেশ কিছুদিন এই মহামারীর পরিস্থিতির সঙ্গে মানিয়ে চলতে হবে। আগের তুলনায় এখনকার বাস্তবতা একেবারেই ভিন্ন।

ডেইলি বাংলাদেশ/আরএস