টপ অর্ডারের ব্যর্থতা নিয়ে যা বললেন ডমিঙ্গো

টপ অর্ডারের ব্যর্থতা নিয়ে যা বললেন ডমিঙ্গো

ক্রীড়া প্রতিবেদক ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

প্রকাশিত: ১৯:২১ ২২ অক্টোবর ২০২০   আপডেট: ১৯:৪৫ ২২ অক্টোবর ২০২০

ফাইল ছবি

ফাইল ছবি

বিসিবি প্রেসিডেন্টস কাপের গ্রুপ পর্বের খেলা শেষ। আগামী রোববার অনুষ্ঠিত হবে ফাইনাল। গ্রুপ পর্বের ম্যাচগুলোতে রাজত্ব করেছেন বোলাররাই। বিশেষ করে ফাস্ট বোলাররা ছিলেন দুর্দান্ত। মিডল অর্ডারের ব্যাটসম্যানরা কয়েক ম্যাচে রান পেলেও টপ অর্ডার ছিল পুরোপুরি ব্যর্থ। তবে ওপেনারদের ব্যর্থতা নিয়ে চিন্তিত নয় বাংলাদেশ জাতীয় দলের হেড কোচ রাসেল ডমিঙ্গো। 

টুর্নামেন্টের তিন দল তামিম একাদশ, নাজমুল একাদশ ও মাহমুদউল্লাহ একাদশের কেউই তেমন সুবিধা করতে পারেননি। গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে অবশ্য তামিম ইকবাল ৫৭ রান করেছেন। টপ অর্ডারের ব্যাটসম্যানদের মধ্যে এটাই বলার মতো একমাত্র ইনিংস।

জাতীয় দলের নিয়মিত খেলোয়াড় লিটন দাস, সৌম্য সরকার, ইমরুল কায়েস সম্পূর্ণ ব্যর্থ। রান পাননি পাইপ লাইনে থাকা নাজমুল হোসেন শান্ত, সাইফ হাসান, নাঈম শেখরাও। এমনকি বয়সভিত্তিক দলে নজর কাড়া তানজিদ হাসান তামিম, পারভেজ হোসেন ইমন, শাহাদাত হোসেনরাও ব্যাট হাতে রানের দেখা পাননি। শুরুতেই দুই তিন উইকটে পড়ে যাওয়ার ঘটনার পুনরাবৃত্তি হয়েছে প্রায় প্রতি ইনিংসেই। তবে এসব নিয়ে চিন্তিত নন ডমিঙ্গো।

মহামারি করোনাভাইরাসের কারণে প্রায় সাত মাস ধরে ক্রিকেটের বাইরে ছিলেন ক্রিকেটাররা। অনেকে ঠিকভাবে অনুশীলনও করতে পারেননি। ফলে টপ অর্ডারের এমন পারফরম্যান্স খুব একটা চিন্তার কারণ নয় বলে মনে করছেন হেড কোচ। 

বৃহস্পতিবার সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে আলাপকালে টপ অর্ডার ব্যাটসম্যানদের ব্যর্থতার প্রসঙ্গ উঠলে ডমিঙ্গো বলেন, 'আমি খুব খুশি। আমি মনে করি এই টুর্নামেন্টটি সবাই দারুণ মনোযোগ দিয়ে খেলেছে। আপনি দেখেছেন মাঠে ছেলেরা কতটা চেষ্টা করেছে। বোলাররা সবাই নিজেদের নিংড়ে দিয়ে বোলিং করেছে। ব্যাটসম্যানরা আরো কিছু রান পেলে দারুণ হতো। তবে আপনাকে এটাও বুঝতে হবে, ছেলেরা প্রায় সাত মাস ধরে কোনো ধরণের প্রতিযোগিতামূলক ক্রিকেট খেলেনি। কয়েকজন ব্যাটসম্যান টুর্নামেন্ট শুরুর এক বা দুই সপ্তাহ আগে অনুশীলনে যোগ দিয়েছিল।'

দীর্ঘ বিরতির পর ক্রিকেটাররা বেশ কিছু প্রতিযোগিতামূলক ম্যাচ খেলতে পারছেন এটাকেই বড় প্রাপ্তি বলছেন ডমিঙ্গো। তিনি বলেন,, 'কোচ হিসেবে আমার কাছে গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে ছেলেরা কিছু ম্যাচ খেলছে। ম্যাচ খেলার চেয়ে বড় কোনো অনুশীলন নেই। তাছাড়া প্রতিটা ম্যাচই যথেষ্ট প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ হয়েছে। উইকেটগুলো রান তোলার জন্য সহজ ছিল না। তামিমের মতো কিছু সিনিয়র ক্রিকেটার রান পেয়েছে। মূল বিষয়টা হচ্ছে ছেলেরা কিছু প্রতিযোগিতামূলক ক্রিকেট ম্যাচ পেয়েছে।'

ডেইলি বাংলাদেশ/এএল