যে কারণে আম্পায়ারকে ম্যান অব দ্য ম্যাচ অ্যাওয়ার্ড দেয়ার দাবি

যে কারণে আম্পায়ারকে ম্যান অব দ্য ম্যাচ অ্যাওয়ার্ড দেয়ার দাবি

স্পোর্টস ডেস্ক ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

প্রকাশিত: ১৫:০৬ ২১ সেপ্টেম্বর ২০২০  

ক্রিস জর্ডান লাইন পার হননি বলে এ রানটি বাতিল করেন আম্পায়ার

ক্রিস জর্ডান লাইন পার হননি বলে এ রানটি বাতিল করেন আম্পায়ার

রোববার রাতে রোমাঞ্চকর এক ম্যাচের সাক্ষী হয়েছে ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগ (আইপিএল)। শেষ তিন বলে পাঞ্জাবের প্রয়োজন ছিল ১ রান। অথচ এমন ম্যাচ হলো টাই! সেখান থেকে হেরেই গেল দলটি। অথচ আম্পায়ার একটি ভুল না করলে ম্যাচ শেষ হয়ে যায় আগেই। এমন ভুলের কারণে আম্পায়ারকে ম্যান অব দ্য ম্যাচ অ্যাওয়ার্ড দেয়ার দাবি তুলেছেন বীরেন্দ্র শেবাগ। 

গতকাল রাতে দুবাইয়ে প্রথমে ব্যাট করে ১৫৭ করে দিল্লি ক্যাপিটালস। রান তাড়া করতে নেমে ম্যাচ জয়ের দিকে ভালোভাবেই এগোচ্ছিল কিংস ইলেভেন পাঞ্জাব। বিতর্কিত ঘটনাটি ঘটে ১৯তম ওভারে। কাগিসো রাবাদার ইয়র্কার বলটি লং অনে ঠেলে দেন ব্যাটসম্যান মৈনাক আগারওয়াল। অপরপ্রান্তে থাকা ক্রিস জর্ডান তার ডাকে সাড়া দিয়ে দ্রুত দুই রান নেন। কিন্তু লেগ আম্পায়ার নিতিন মেনন এক রান শর্ট বলে জানিয়ে দেন। তার বক্তব্য ছিল নন-স্ট্রাইক প্রান্তে থাকা ক্রিস জর্ডান প্রথম রান নেয়ার সময় পুরোপুরি ক্রিজ পার হননি। 

একটু পর টিভি রিপ্লেতে স্পষ্ট দেখা যায়, জর্ডান বেশ ভালোভাবেই ক্রিজ পেরিয়েছিলেন। কিন্তু আম্পায়ারের সিদ্ধান্তে আর বদল আসেনি। পরবর্তীতে এই এক রানই হয়ে যায় ম্যাচ জয়ের নিয়ামক। এক রান স্বল্পতায় ইনিংস শেষ করে পাঞ্জাব। ম্যাচ হয়ে যায় টাই এবং সেখান থেকে সুপার ওভারে পরাজয়। 

ম্যাচ শেষে স্বাভাবিকভাবেই এই এক রান কম দেয়া নিয়ে আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়। চলতি বছর আইসিসির এলিট প্যানেলে জায়গা করে নেয়া আম্পায়ার নিতিন মেনন পড়েন পাঞ্জাব ফ্র্যাঞ্চাইজি ও সমর্থকদের তোপের মুখে। 

শেবাগ তো আম্পায়ারকে একপ্রকার ধুয়েই দিয়েছেন। তিনি বলেন, ম্যান অব দ্য ম্যাচ হিসেবে যাকে বেছে নেয়া হয়েছে, তাতে আমি একমত নই। যে আম্পায়ার এক রান শার্ট দিয়েছেন, তাকেই ম্যান অব দ্য ম্যাচ দেয়া উচিত ছিল। ওটা মোটেই শর্ট রান ছিল না এবং সেটিই ম্যাচে পার্থক্য গড়ে দিয়েছে।

পাঞ্জাবের স্বত্বাধিকারীদের একজন ও বলিউড তারকা প্রীতি জিনতা টুইটারে ভারতীয় বোর্ডকে নিয়মে পরির্বতন আনার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি লেখেন, মহামারির এই সময়েও আমি দারুণ উত্তেজনা নিয়ে এখানে এসেছি। ৬ দিন কোয়ারেন্টাইনে থেকেছি ও হাসিমুখে ৫ বার কোভিড পরীক্ষা করিয়েছি। কিন্তু আমাকে এই ১ রান কম দেয়া প্রচণ্ড ধাক্কা দিয়েছে। প্রযুক্তির কী দরকার, যদি সেটা কাজে না লাগানো হয়! বিসিসিআইয়ের সময় হয়েছে নতুন নিয়ম করার। প্রতিবছরই এভাবে চলতে পারে না।

ডেইলি বাংলাদেশ/এএল