রমজানে স্বল্প মূল্যে টিসিবির পণ্য পেয়ে স্বস্তির নিঃশ্বাস ক্রেতাদের

রমজানে স্বল্প মূল্যে টিসিবির পণ্য পেয়ে স্বস্তির নিঃশ্বাস ক্রেতাদের

নিজস্ব প্রতিবেদক ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

প্রকাশিত: ২৩:০৭ ৯ এপ্রিল ২০২২   আপডেট: ২৩:০৯ ৯ এপ্রিল ২০২২

ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

‘বাজারে তো সব জিনিসের মোটামুটি দাম বেশি। সব দিকেই বাজারে অস্থিরতা। আর বর্তমান রোজার মাস এমনিতেই আয়-রোজগার কম। সেই জায়গায় টিসিবির জিনিসপত্রগুলো কম দামে পাচ্ছি।

রোজার মাসে এই টিসিবির পণ্য যেন আল্লাহর রহমত। টিসিবির জিনিসগুলো কিনে মোটামুটি ২০০ থেকে ২৫০ টাকা বাঁচে যাচ্ছে। সেই টাকা সংসারের অন্য কাজ করা যাচ্ছে। আর এখানে টিসিবির জিনিসগুলো নিতে ঝামেলাও কম হয়। লাইনে দাঁড়াই, কার্ড দিই, টাকা দিই। হাতে হাতে জিনিস পাই। এমন কাজের জন্য সরকারকে অবশ্যই ধন্যবাদ দিতে চাই। ’ চোখে-মুখে খুশি নিয়ে কথাগুলো বলেছিলেন দিনাজপুর সদর উপজেলার ৩ নম্বর ফাজিলপুর ইউনিয়নের মহারাজপুর এলাকার জলিল উদ্দিন।

জলিল উদ্দিন একজন নিম্নআয়ের মানুষ। কম মূল্যে টিসিবির পণ্য কেনেন তিনি। শুধু জলিল উদ্দিনই নন, তার মতো ফাজিলপুর ইউনিয়নের দুই হাজার ৩৭৩ জন ভোক্তার কাছে টিসিবির পণ্য বিক্রি করা হচ্ছে।

টিসিবির পণ্য পেয়ে মানিক ইসলাম বলেন, ‘আমার পরিবারে আটজন খাওয়ার মানুষ। টিসিবিতে চিনি, মসুর ডাল, সয়াবিন তেল, ছোলা বুট দেওয়া হচ্ছে। এই জিনিসগুলোই প্রতিদিন বেশি ব্যবহার হয়। বেশি ব্যবহৃত জিনিসগুলো এখানে কম দামে পাচ্ছি, এটা তো উপকার বটেই। যে টাকা বাঁচছে সে টাকা অন্য কোনো কাজে লাগছে।’

এ বিষয়ে দিনাজপুর সদর উপজেলার টিসিবির ডিলার মেসার্স কানাই লাল গুপ্তের স্বত্বাধিকারী কানাই লাল গুপ্ত বলেন, টিসিবির পণ্য বিক্রি করার সময় আমরা চেষ্টা করছি যেন বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি না হয়। ফাজিলপুর ইউনিয়নের রানীগঞ্জ, বালাপাড়া, ভাঙ্গির বাজার মিলে মোট তিনটি জায়গায় টিসিবির পণ্য বিক্রি কার্যক্রম চলছে।

টিসিবির প্রত্যেক ভোক্তা দুই কেজি চিনি, দুই কেজি মসুর ডাল, দুই লিটার সয়াবিন তেল, দুই কেজি ছোলা ক্রয় করতে পারছে। যেখানে চিনি প্রতি কেজির মূল্য ৫৫ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। একইভাবে মসুর ডাল প্রতি কেজি ৬৫ টাকা, সয়াবিন তেল প্রতি লিটার ১১০ টাকা এবং ছোলা প্রতি কেজি ৫০ টাকা দরে বিক্রি করা হচ্ছে।

ডেইলি বাংলাদেশ/মাহাদী