বিএনপির দৃষ্টিসীমা ঘন কুয়াশায় আচ্ছন্ন: ওবায়দুল কাদের

বিএনপির দৃষ্টিসীমা ঘন কুয়াশায় আচ্ছন্ন: ওবায়দুল কাদের

নিজস্ব প্রতিবেদক ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

প্রকাশিত: ১৫:৩৫ ৭ এপ্রিল ২০২২   আপডেট: ১৫:৫৯ ৭ এপ্রিল ২০২২

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের- ফাইল ফটো

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের- ফাইল ফটো

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, বিএনপির দৃষ্টিসীমা ঘন কুয়াশায় আচ্ছন্ন। তিনি বলেন, যারা ক্ষমতায় যেতে অন্ধকারে চোরা গলি খোঁজে তারা যে আলো দেখবে না এটাই স্বাভাবিক।

বৃহস্পতিবার সকালে সচিবালয়ে ব্রিফিংয়ে এ কথা বলেন তিনি।

তিনি বলেন, আলোহীন-আশাহীন নেতিবাচক রাজনীতির বৃত্তেই ঘুরপাক খাচ্ছে বিএনপি, আর হতাশায় নিমজ্জিত বিএনপির নেতারা ঘরে বসে দুর্ভিক্ষের কল্পকাহিনি বানাচ্ছে।

বিএনপি মহাসচিব নাকি দেশের চারিদিকে দুর্ভিক্ষ দেখতে পান- এ প্রসঙ্গে ওবায়দুল কাদের বলেন, দুর্ভিক্ষ আসলে দেশে নয়, দুর্ভিক্ষ বিএনপিসহ কিছু বিরোধীদলীয় নেতার মানসিকতায়।

শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ আজ খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ, মানুষ খেয়ে পরে ভালো আছে এবং দেশের উন্নয়ন ও অর্জনে জনগণ খুশি উল্লেখ করে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, শেখ হাসিনার সুযোগ্য নেতৃত্বে বাংলাদেশের অর্জনের গল্প বিশ্বের প্রতিটি প্রান্তে এখন প্রশংসিত, কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্যি বিএনপি এসব দেখতে পায় না। তারা পূর্ণিমার রাতে অমাবস্যার অন্ধকার দেখে।

জন্মলগ্ন থেকেই বিএনপি এদেশে প্রতিহিংসার রাজনীতি করে আসছে উল্লেখ করে ওবায়দুল কাদের আরো বলেন, দেশের মানুষ ভালো করেই জানে বিএনপির ইতিহাস হত্যা, ষড়যন্ত্র, রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে নিপীড়নের ইতিহাস এবং বন্দুক ও বুটের তলায় জনগণকে জিম্মি করে ক্ষমতা দখলের ইতিহাস।

তিনি বলেন, ২০০১ সালে ক্ষমতায় এসে বিএনপি প্রতিহিংসার আগুনে ভস্মীভূত করেছিল ৫৬ হাজার বর্গমাইলের বাংলাদেশ।

আওয়ামী লীগ প্রতিহিংসা ও নির্যাতন-নিপীড়নের রাজনীতিতে বিশ্বাস করে না উল্লেখ করে ওবায়দুল কাদের বলেন, আওয়ামী লীগ ’৭৫ এর ১৫ আগস্টের নির্মমতা দেখেছে, দেখেছে ৩রা নভেম্বরের অমানবিকতা।

গ্রেনেড হামলাসহ ২০ বারের অধিক শেখ হাসিনাকে হত্যার অপপ্রয়াস চালাতে দেখেছে, দেখেছে ১৫ আগস্ট উৎসব করে কেক কাটা- এমন দুঃস্মৃতি স্মরণ করে ওবায়দুল কাদের বলেন, আমাদের হৃদয়ে রক্তক্ষরণ হয়েছে বারবার, হত্যাকারীদের চিনেও অগণতান্ত্রিক কিংবা বেআইনি কোনো পথে যায়নি আওয়ামী লীগ।

ডেইলি বাংলাদেশ/এমআরকে/এইচএন