দেশে স্টার্টআপ খাতে বিনিয়োগ এসেছে সাড়ে ৭০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার: পলক

দেশে স্টার্টআপ খাতে বিনিয়োগ এসেছে সাড়ে ৭০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার: পলক

নিজস্ব প্রতিবেদক ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

প্রকাশিত: ১৮:১৯ ১৬ মার্চ ২০২২   আপডেট: ১৮:৪৩ ১৬ মার্চ ২০২২

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক- ফাইল ফটো

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক- ফাইল ফটো

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক বলেছেন, গত এক দশকে দেশে স্টার্টআপ খাতে সাড়ে ৭০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলারেরও বেশি বিদেশি বিনিয়োগ এসেছে।

দেশে বর্তমানে প্রায় ২২ হাজার ৫শ’ স্টার্টআপ রয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, সরকারিভাবে স্টার্টআপ বাংলাদেশ লিমিটেড ও বঙ্গবন্ধু ইনোভেশন গ্র্যান্ট’র (বিগ) আইডিয়া প্রকল্পের মাধ্যমে স্টার্টআপগুলোকে আর্থিক সহযোগিতা দেওয়া হচ্ছে।

বুধবার আগারগাঁওয়ের আইসিটি টাওয়ারের বিসিসি মিলনায়তনে আইসিটি বিভাগের স্টার্টআপ বাংলাদেশ লিমিটেডের উদ্যোগে ‘শতবর্ষে শত আশা’ ক্যাম্পেইনের আওতায় ২য় ধাপে স্টার্টআপদের বিনিয়োগ সহযোগিতা প্রদান অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন প্রতিমন্ত্রী।

অন্যদের মধ্যে বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিলের নির্বাহী পরিচালক ড. মো. আব্দুল মান্নান, বাংলাদেশে নিযুক্ত তুরস্কের রাষ্ট্রদূত মোস্তফা ওসমান তুরান, বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব কল সেন্টার অ্যান্ড আউটসোর্সিংয়ের সভাপতি ওয়াহিদ শরিফ ও স্টার্টআপ বাংলাদেশ লিমিটেডের ম্যানেজিং ডিরেক্টর সামি আহমেদ এ অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন।

জুনাইদ আহমেদ পলক বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী এবং বাংলাদেশের সুবর্ণজয়ন্তীকে স্মরণীয় করে রাখতে আইসিটি বিভাগ ‘শতবর্ষে শত আশা’ শীর্ষক ক্যাম্পেইনের উদ্যোগ গ্রহণ করে। এ উদ্যোগের লক্ষ্য হচ্ছে ৫০টি স্টার্টআপে ১০০ কোটি টাকা বিনিয়োগ ও দেশে উদ্যোক্তা সংস্কৃতি ও কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা।

এরই অংশ হিসেবে বুধবার ২য় ধাপে ৮টি স্টার্টআপকে ১৭ কোটি টাকা মূলধন সহযোগিতা প্রদানের লক্ষ্যে বিনিয়োগ চুক্তি হয়েছে। বিনিয়োগকারী হিসেবে স্টার্টআপ বাংলাদেশ এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক সামি আহমেদ এবং সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের সিইওরা নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে চুক্তিতে সই করেন।

‘শতবর্ষে শত আশা’ ক্যাম্পেইন বৈশ্বিক অর্থনীতিতে বাংলাদেশকে এগিয়ে নিয়ে যাবে উল্লেখ করে এ অনুষ্ঠানে প্রতিমন্ত্রী বলেন, এ উদ্যোগ দেশে একটি জাতীয় উদ্যোক্তা প্ল্যাটফর্ম তৈরি করবে। নতুন নতুন উদ্ভাবন বাস্তবায়নে গতি সঞ্চালন করবে। এর ফলে সম্ভাবনাময় কোনো উদ্যোগই আর ঝরে পড়বে না। কারণ, উদ্যোগ বাস্তবায়নের আর্থিক সংকট ঘুচবে। পাশাপাশি কর্মসংস্থানেরও সুযোগ সৃষ্টি হবে।

ডেইলি বাংলাদেশ/এমআরকে/এইচএন