ছাত্রীকে চারদিন আটকে রেখে পালাক্রমে ধর্ষণ শেষে ফেলা হলো ঢাবি এলাকায়

ছাত্রীকে চারদিন আটকে রেখে পালাক্রমে ধর্ষণ শেষে ফেলা হলো ঢাবি এলাকায়

নিজস্ব প্রতিবেদক  ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

প্রকাশিত: ২৩:০১ ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২২   আপডেট: ২৩:০৩ ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২২

পরিত্যক্ত ভবনের ফাইল ফটো

পরিত্যক্ত ভবনের ফাইল ফটো

প্রাইভেট পড়তে শিক্ষকের বাসায় যাচ্ছিলেন কলেজছাত্রী। পথে লালবাগের কেল্লার মোড়ে পৌঁছালে তার মুখে রুমাল চেপে ধরে পূর্বপরিচিত আল আমিন ও শুভ। এরপরই অচেতন হন ছাত্রী। নিজেকে আবিষ্কার করেন একটি পরিত্যক্ত ভবনে। টানা চারদিন তাকে সেখানে আটকে রেখে পালাক্রমে ধর্ষণ করা হয়। অবশেষে ছাত্রী অসুস্থ হলেই কেবল বুধবার তারা তাকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) এলাকায় ফেলে যায়।

এদিনই ভুক্তভোগী ছাত্রীকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন এক নারী।

ভুক্তভোগীর বরাত দিয়ে হাসপাতাল সূত্র এসব তথ্য জানিয়েছে।

ভুক্তভোগী ছাত্রীর অভিযোগ, রাজধানীর পুরান ঢাকার লালবাগ থেকে তাকে তুলে নিয়ে চারদিন আটকে রেখে দলবদ্ধ ধর্ষণ করা হয়েছে। 

ঐ ছাত্রী জানান, ১২ ফেব্রুয়ারি সকালে তিনি প্রাইভেট পড়তে যাওয়ার সময় তার সঙ্গে এ ঘটনা ঘটে। তবে পরিত্যক্ত ভবনের ভেতরে তিনি ছাড়া অন্য কেউ ছিলেন না। ভবনটি কোন এলাকায়, তাও চিনতে পারিনি।

তিনি আরো জানান, চেতনা ফিরলে তাকে ছেড়ে দেওয়ার জন্য তিনি শুভ ও আল আমিনের কাছে কাকুতি–মিনতি করেন। কিন্তু তারা উল্টো ধর্ষণ করতে চান। এতে বাধা দিলে তাকে মারধর ও পালাক্রমে ধর্ষণ করেন তারা। এভাবে চারদিন আটকে রেখে তাকে প্রতিদিন তারা দুজন পালাক্রমে ধর্ষণ করেন। একপর্যায়ে অসুস্থ হয়ে পড়লে বুধবার বিকেলে তাকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় রেখে পালিয়ে যান অভিযুক্ত দুজন। সেখান থেকে এক নারী তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান

শুভ ও আল আমিন তার পূর্বপরিচিত। তিনি বলেন, কিছুদিন ধরে শুভ তাকে প্রেমের প্রস্তাব দিচ্ছিল। তাতে সাড়া না দেওয়ায় ফোনে উত্ত্যক্ত করা শুরু করে সে।

অভিযোগের বিষয়ে জানতে রাতে শুভর মুঠোফোন বন্ধ পাওয়া যায়। আল আমিনের সঙ্গেও যোগাযোগ করা যায়নি।

এদিকে খবর পেয়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আসেন শাহবাগ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মাহফুজুল হক। তিনি বলেন, মেয়েটির চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হচ্ছে। এ ব্যাপারে মামলা হবে। তবে অভিযুক্তদের গ্রেফতার করা যায়নি।

ডেইলি বাংলাদেশ/এমকেএ