মুক্তিযুদ্ধে ভারত অসামান্য অবদান রেখেছিল: পলক

মুক্তিযুদ্ধে ভারত অসামান্য অবদান রেখেছিল: পলক

নিজস্ব প্রতিবেদক ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

প্রকাশিত: ১৭:৩১ ৫ ফেব্রুয়ারি ২০২২   আপডেট: ১৭:৪৫ ৫ ফেব্রুয়ারি ২০২২

নাটোর জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে পঞ্চম বাংলাদেশ-ভারত সাংস্কৃতিক মিলনমেলা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে প্রস্তুতিমূলক সভায় বক্তব্যে দেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক- ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

নাটোর জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে পঞ্চম বাংলাদেশ-ভারত সাংস্কৃতিক মিলনমেলা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে প্রস্তুতিমূলক সভায় বক্তব্যে দেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক- ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক বলেছেন, দেশবিরোধী একটি অশুভ চক্র এদেশে ভারত বিদ্বেষী মনোভাব তৈরির চেষ্টা করছে। কিন্তু এই অপচেষ্টা কখনো সফল হবে না। ভারত আমাদের অকৃত্রিম বন্ধু। মুক্তিযুদ্ধে আমাদের বিজয়কে অবশ্যম্ভাবী করতে ভারত অসামান্য অবদান রেখেছিল।

শুক্রবার বিকেল নাটোর জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে পঞ্চম বাংলাদেশ-ভারত সাংস্কৃতিক মিলনমেলা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে প্রস্তুতিমূলক সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন প্রতিমন্ত্রী।

জেলা প্রশাসক শামীম আহমেদের সভাপতিত্বে সভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন- জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি অধ্যাপক আব্দুল কুদ্দুস এমপি, নাটোর-১ আসনের এমপি মো. শহীদুল ইসলাম বকুল, প্রত্নতত্ত্ব অধিদফতরের মহাপরিচালক রতন চন্দ্র পন্ডিত, পুলিশ সুপার লিটন কুমার সাহা, নাটোর জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট সাজেদুর রহমান খান, নাটোর পৌরসভার মেয়র উমা চৌধুরী জলি, নাটোর সদর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান শরিফুল ইসলাম রমজান প্রমুখ। পরে নাটোর উত্তরা গণভবন পরিদর্শন করা হয়।

প্রতিমন্ত্রী পলক আরো বলেন, মুক্তিযুদ্ধে আমাদের দেশের স্বাধীনতার জন্য ভারত অনন্য কূটনৈতিক প্রচেষ্টায় বিশ্বে জনমত তৈরি করেছিল। এদেশের এক কোটি শরণার্থীকে ভারত আশ্রয় দিয়েছিল। মুক্তিযুদ্ধে সরাসরি অংশগ্রহণের মাধ্যমে পাকিস্তান হানাদার বাহিনীর পরাজয়কে ত্বরান্বিত করেছিল। এদেশের মানুষ ভারতের অবদানকে কৃতজ্ঞ চিত্তে আজীবন মনে রাখবে।

সভায় জানানো হয়, ‘বাংলাদেশের স্বাধীনতার ৫০ বছর’, ‘জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী’ এবং ‘বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কের ৫০ বছর উদযাপন’ উপলক্ষে আগামী ২৬-২৭ ফেব্রুয়ারি ভারতের মন্ত্রী পরিষদের চার সদস্যসহ ৪০ সদস্য এবং বাংলাদেশের শিল্পী-সাহিত্যিকদের সমন্বয়ে রাজশাহী ও নাটোরে মুক্তিযুদ্ধের বধ্যভূমি ভূমি, প্রত্নতত্ত্ব নিদর্শন পরিদর্শন এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করবেন। এ উপলক্ষে দুই দেশের প্রতিনিধিদল ২৭ ফেব্রুয়ারি নাটোরের রাণীভবানী রাজবাড়ি ও উত্তরা গণভবন পরিদর্শনসহ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মিলনমেলায় অংশগ্রহণ করবেন।

ডেইলি বাংলাদেশ/এমআরকে/এইচএন