টাঙ্গাইলে স্ত্রী হত্যায় স্বামীর মৃত্যুদণ্ড

টাঙ্গাইলে স্ত্রী হত্যায় স্বামীর মৃত্যুদণ্ড

টাঙ্গাইল প্রতিনিধি ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

প্রকাশিত: ২০:৫৪ ১৩ জানুয়ারি ২০২২   আপডেট: ২০:৫৭ ১৩ জানুয়ারি ২০২২

চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট কোর্ট, টাঙ্গাইল। ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট কোর্ট, টাঙ্গাইল। ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

টাঙ্গাইলে যৌতুকের দাবিতে স্ত্রী হত্যা মামলায় স্বামীকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুন্যালের বিচারক। 

বৃহস্পতিবার (১৩ জানুয়ারি) দুপুরে টাঙ্গাইলের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুন্যালের বিচারক বেগম খালেদা ইয়াসমিন আসামির অনুপস্থিতিতে এই রায় ঘোষণা করেন। মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি হলেন টাঙ্গাইলের সদর উপজেলা চৌবাড়িয়া গ্রামের ওমর আলীর ছেলে শাহাদাৎ হোসেন।

টাঙ্গাইল নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুন্যালের বিশেষ পিপি আলী আহমেদ এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। 

তিনি জানান, ২০০২ সালে শাহাদাৎ হোসেনের সঙ্গে সদর উপজেলার ঘারিন্দা ইউপির আউলটিয়া গ্রামের জাহারা খাতুনের সঙ্গে বিয়ে হয়। বিয়ের ৩-৪ মাস পর ১০ হাজার টাকা যৌতুক দাবি করে শাহাদাৎ। জাহারা খাতুনের পরিবার যৌতুকের টাকা দিতে না পারায় শাহাদাৎ স্ত্রীকে নির্যাতন করে।

আরো পড়ুন >>> নবম শ্রেণির ছাত্রকে একসঙ্গে তিন ডোজ টিকা দেওয়ার অভিযোগ

২০০২ সালের ৬ সেপ্টেম্বর শাহাদাৎ শ্বশুর বাড়িতে রাতে খাওয়া দাওয়া শেষে স্ত্রীকে নিয়ে ঘুমাতে যায়। পরের দিন ভোরে বাড়ির লোকজন ঘুম থেকে উঠে তাদের ঘরের দরজা খোলা দেখে সেখানে যায়। তবে ঘরের ভেতরে কাউকে না পেয়ে বাড়ির আশপাশে খোঁজাখুঁজি শুরু করে। পরে বাড়ির দক্ষিণ পাশের মেহগুনি বাগানের কাছে একটি পুকুরে জাহারা খাতুনের লাশ ভেসে থাকতে দেখে। পরবর্তীতে এলাকাবাসী থানায় খবর দিলে পুলিশ এসে লাশ উদ্ধার করে। লাশের শরীরের বিভিন্নস্থানে আঘাতের চিহ্ন দেখা যায়। 

ঐ দিনই নিহতের ভাই ইউনুস আলী বাদী হয়ে টাঙ্গাইল সদর থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে একটি হত্যা মামলা দায়ের করে। মামলায় চিকিৎসক, আইওসহ মোট ৯ জন স্বাক্ষী স্বাক্ষ্য প্রদান করেন। এরই মধ্যে মামলার আসামি শাহাদাৎ হোসেন জামিনে মুক্তি পেয়ে আত্মগোপনে চলে যায়।

রায়ের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে আপিল করার কথা জানিয়েছেন আসামি পক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট আইয়ুব আলী।

ডেইলি বাংলাদেশ/এমকে