বিলুপ্তপ্রায় যে মাছকে পুনরায় ফিরিয়ে আনলেন বিজ্ঞানীরা

বিলুপ্তপ্রায় যে মাছকে পুনরায় ফিরিয়ে আনলেন বিজ্ঞানীরা

ফিচার ডেস্ক ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

প্রকাশিত: ১৩:৩৩ ৮ জানুয়ারি ২০২২  

টেকিলা স্প্লিটফিন। ছবি : সংগৃহীত

টেকিলা স্প্লিটফিন। ছবি : সংগৃহীত

দূষণ এবং মানুষের গতিবিধির কারণে বিলুপ্তপ্রায় তালিকায় জায়গা হয়েছিল একটি মাছের। দুই দশক ধরে একে নিয়ে গবেষণাও চলেছে। ৭ সেন্টিমিটার লম্বা মাছটির নাম টেকিলা স্প্লিটফিন। মাছটিকে ‘ছোট মোরগ’ বলেও চেনে অনেকেই। বিলুপ্তপ্রায় এই মাছকে গবেষণার মাধ্যমে পুনরায় ফিরিয়ে আনলেন বিজ্ঞানীরা।

এ বিষয়ে এক সংবাদ প্রকাশ করেছেন এবিসি নিউজ ও জি২৪ ঘণ্টা।

মাছটির বিলুপ্তির পেছনে দূষণ এবং মানুষের গতিবিধির পরিসর বেড়ে যাওয়া যেমন একটি কারণ, তেমনই অন্য প্রজাতির মাছের ব্যাপকহারে এটিকে খেয়ে ফেলাও একটি কারণ। এসব কারণে ক্রমশ বিলুপ্তির দ্বারপ্রান্তে চলে যায় এরা।

মেক্সিকোর মিচোয়াকান বিশ্ববিদ্যালযয়ের গবেষক ওমর ডমিনগুয়েজ জানান, কমলা রঙের লেজের কারণে তার পূর্বপুরুষেরা মাছটিকে 'ছোট মোরগ' বলে ডাকত। পরে তারা দেখেন ধীরে ধীরে মাছটি কমে যাচ্ছে।

১৯৯৮ সালে ইংল্যান্ডের চেস্টার চিড়িয়াখানার প্রাণিবিদ, ইউরোপীয় একদল বিজ্ঞানীদের সঙ্গে তারা মেক্সিকোয় এসে মাছটিকে বাঁচাবার সিদ্ধান্ত নেন।

তারা প্রজননেনর জন্য মাছের খোঁজ করতে শুরু করেন। মিলেও যায়। সেই মাছগুলো নিয়েই প্রজনন-প্রকল্প শুরু হয়। ২০১২ সালে ৪৯ জোড়া টেকিলা একটি জলাশয়ে রাখা হয়। যা দুই বছরে ১০ হাজার হয়ে যায়। এর মধ্যে প্রায় দেড় হাজার মাছকে পরিবেশে ছেড়েও দেওয়া হয়। দেখা হচ্ছে, প্রকৃতির সঙ্গে লড়াই করে তারা বেঁচে থাকতে পারে কিনা।

পাশাপাশি সাধারণ মানুষকেও বার্তা দেওয়ার কাজও শুরু হয়। তারা যাতে এই মাছ কম খান বা শিকার কম করেন। সব থেকে বড় কথা, এই মাছ ডেঙ্গু ছড়াতে বাধা দেয়। অন্য বেশ কিছু রোগের সংক্রমণ থেকেও মানুষকে বাঁচায়।

ডেইলি বাংলাদেশ/কেবি