পৌষের শেষে বৃষ্টির সম্ভাবনা, বাড়তে পারে শীত

পৌষের শেষে বৃষ্টির সম্ভাবনা, বাড়তে পারে শীত

নিজস্ব প্রতিবেদক ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

প্রকাশিত: ১১:৪৩ ৮ জানুয়ারি ২০২২   আপডেট: ১১:৪৫ ৮ জানুয়ারি ২০২২

ফাইল ফটো

ফাইল ফটো

পৌষের শেষ দিকে তাপমাত্রা ফের বেড়ে গিয়ে কমলো শীত। একদিনের ব্যবধানে বেশিরভাগ অঞ্চলে তাপমাত্রা এক থেকে ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস বেড়েছে। এ অবস্থায় আগামী তিনদিনের মধ্যে বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদফতর। বৃষ্টির পর তাপমাত্রা কমে গিয়ে ফের শীত জেঁকে বসতে পারে বলে জানিয়েছেন আবহাওয়াবিদরা।

শনিবার দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে উত্তরাঞ্চলের পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায়, ৯ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এছাড়া শ্রীমঙ্গলে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১০ ডিগ্রি।

ঢাকায় তাপমাত্রা দু-দিন আগে ১৩ ডিগ্রির ঘরে নামলেও শনিবার তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৬ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। শনিবার শীতের প্রথম মাস পৌষের ২৪ তারিখ।

আবহাওয়াবিদ মো. বজলুর রশীদ বলেন, শনিবার সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ সারাদেশের আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে। মধ্যরাত থেকে সকাল পর্যন্ত দেশের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের কোথাও কোথাও ও নদী অববাহিকায় মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা পড়তে পারে এবং দেশের অন্যত্র হালকা থেকে মাঝারি ধরনের কুয়াশা পড়তে পারে।

এ সময়ে সারাদেশে রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে এবং দিনের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে।

আবহাওয়াবিদ বজলুর রশীদ আরো বলেন, আগামী তিনদিনের মধ্যে বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। বৃষ্টি চলে যাওয়ার পর তাপমাত্রা কিছুটা কমতে পারে।

এছাড়া আগের দিন শুক্রবার আবহাওয়াবিদ মো. আব্দুল হামিদ মিয়া জানিয়েছিলেন, শুক্রবার (৭ ডিসেম্বর) দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল তেতুলিয়ায় ৯ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এদিন দেশের আর কোনো স্থানে ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে তাপমাত্রা নামেনি। এদিন ঢাকার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১৫ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

আগামী তিনদিন দেশের তাপমাত্রায় বড় ধরনের পরিবর্তন আসার সম্ভাবনা নেই বলেও জানান এ আবহাওয়াবিদ।

আবহাওয়া পূর্বাভাসে জানানো হয়, দেশের আকাশ অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা থাকতে পারে এবং সারাদেশের আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে। মধ্যরাত থেকে সকাল পর্যন্ত দেশের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা এবং দেশের অন্য অঞ্চলগুলোতে হালকা থেকে মাঝারি ধরনের কুয়াশা পড়তে পারে।

ডেইলি বাংলাদেশ/এমআরকে