সোনা চোরাচালান, ইয়াবা পাচার ও দেহ ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে রোহিঙ্গারা

সোনা চোরাচালান, ইয়াবা পাচার ও দেহ ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে রোহিঙ্গারা

এইচ এম ফরিদুল আলম শাহীন, কক্সবাজার ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

প্রকাশিত: ১৮:২১ ৩ জানুয়ারি ২০২২   আপডেট: ২০:২২ ৩ জানুয়ারি ২০২২

রোহিঙ্গা ক্যাম্প- ফাইল ফটো

রোহিঙ্গা ক্যাম্প- ফাইল ফটো

কক্সবাজারের উখিয়া-টেকনাফ রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলোতে চলছে ইয়াবা, সোনা চোরাচালান ও দেহ ব্যবসা। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হাতে ইয়াবা ও সোনা নিয়ে রোহিঙ্গারা ধরা পড়ছে প্রায়ই। এ পেশায় পুরুষদের চেয়ে নারীরা বেশ এগিয়ে রয়েছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট প্রশাসন।

স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা জানান, একদল যুবতি ক্যাম্প এলাকায় স্বর্ণের দোকান দিয়ে কৌশলে চোরাচালান করছে।

গত এক বছরে ১১৩ জন সোনা চোরাচালানকারী রোহিঙ্গা নারী ও পুরুষকে আটক করেছে আইন শৃঙ্খলা বাহিনী। এমন বাস্তবতায় পরিস্থিতি অবশ্যই উদ্বেগজনক বলে মনে করে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন সংগ্রাম কমিটি। ক্যাম্পভিত্তিক ইয়াবা, সোনা চোরাচালান, দেহ ব্যবসা ও হুন্ডিসহ বহু সিন্ডিকেটও গড়ে উঠেছে। সবচেয়ে উদ্বেগের বিষয় হচ্ছে রোহিঙ্গা নারীরা এ সিন্ডিকেটের সঙ্গে সরাসরি কাজ করছে।

কয়েকজন সাধারণ রোহিঙ্গা জানান, কুতুপালং রোহিঙ্গা ক্যাম্পের এম আর সি নং-১৮৮১৫ শেড নং-১৪ এর মৃত কবির আহমদের মেয়ে হাসিনা চারজন স্বামীকে তালাক দিয়ে বর্তমানে ঢাকার একজনকে স্বামী হিসেবে গ্রহণ করেছেন। ঢাকার স্বামীর সহায়তায় এ অবৈধ ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছেন তিনি। আগের স্বামীর ঘরে চার সন্তান থাকলেও বেপরোয়া জীবন-যাপন করে প্রচুর অর্থের মালিক হয়েছেন সোনা ও ইয়াবা চোরাচালান করে।

১৬ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন এর এসপি তারিকুল ইসলাম বলেন, এসব সোনা বৈধ পথে আমদানি কিংবা রফতানি হলে সরকারের রাজস্ব খাত আরো মজবুত হতো। রোহিঙ্গা ক্যাম্পের অবৈধ স্বর্ণের দোকানে গত বছর উপজেলা প্রশাসন অভিযান চালিয়ে জরিমানা আদায়সহ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করলেও আবার গোপনে চলছে সোনা চোরাচালান।

ডেইলি বাংলাদেশ/জেএইচ/এইচএন