বাবাকে হত্যার পর সেপটিক ট্যাংকে লুকিয়ে রাখল ছেলে

বাবাকে হত্যার পর সেপটিক ট্যাংকে লুকিয়ে রাখল ছেলে

খুলনা প্রতিনিধি ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

প্রকাশিত: ০২:৫২ ৩১ ডিসেম্বর ২০২১  

সেপটিক ট্যাংক থেকে লাশ উদ্ধার করে পুলিশ

সেপটিক ট্যাংক থেকে লাশ উদ্ধার করে পুলিশ

খুলনার রূপসায় বাবাকে হত্যার পর সেপটিক ট্যাংকে লাশ লুকিয়ে রেখেছিল তারই ১৮ বছর বয়সী ছেলে নিয়ামুল ইসলাম তানভির। তবে ঘটনাটি জানাজানি হয় দীর্ঘ সাত মাস পর।

ঘটনাটি ঘটেছে রূপসা উপজেলার আইচগাতী ইউনিয়নের শোলপুর গ্রামে। এ ঘটনায় বৃহস্পতিবার বিকেলে ঘাতক ছেলে ও তার সহযোগী জুম্মানকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এর আগে, বুধবার বিকেলে বাড়ির সেপটিক ট্যাংক থেকে গলিত লাশ উদ্ধার করা হয়।

পুলিশ জানায়, চলতি বছরের ৯ মে বাবাকে মসলা বাটা শিল দিয়ে মাথায় আঘাত করে ৫০ বছর বয়সী বাবা এনামুল হককে হত্যা করে ছেলে। পরে তার সহযোগী জুম্মানকে নিয়ে লাশটি বাড়ির সেপটিক ট্যাংকে লুকিয়ে রাখে।

এরপর বাবা এনামুল হক কোথাও চলে গেছেন বা পানিতে পড়ে মারা যেতে পারেন বলে এলাকায় প্রচারণা শুরু করে তারা। এনামুল হক আগে থেকে মৃগী রোগে আক্রান্ত ছিলেন বলে বিষয়টি সহজে বিশ্বাস করে নিয়েছিলেন স্থানীয়রা।

এদিকে, ২৯ ডিসেম্বর সকালে ঘাতক ছেলে নিয়ামুল ইসলাম তানভির ও তার ছোট ভাই নাঈমের মধ্যে মারধরের ঘটনা ঘটে। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে চিৎকার চেঁচামেচি করে বাবা হত্যার বর্ণনা সবাইকে জানিয়ে দেয় নাঈম। তাৎক্ষণিক পালিয়ে যায় ঘাতক ছেলে নিয়ামুল ইসলাম তানভির। ছোট ছেলে নাঈমের বক্তব্যের জেরে স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দিলে লাশটি উদ্ধার করে।

রূপসা থানার অফিসার ইনচার্জ সরদার মোশাররফ হোসেন বলেন, আমরা খবর পাওয়া মাত্র লাশ উদ্ধার করেছি। এছাড়া তাৎক্ষণিক আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান শুরু করি। মাত্র ২৪ ঘণ্টার মধ্যে তাদের গ্রেফতার করা হয়েছে।

ডেইলি বাংলাদেশ/এমআর