হবিগঞ্জে চা পান করে শিশুসহ সাতজন অসুস্থ

হবিগঞ্জে চা পান করে শিশুসহ সাতজন অসুস্থ

হবিগঞ্জ প্রতিনিধি ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

প্রকাশিত: ১৭:১৩ ২৮ ডিসেম্বর ২০২১   আপডেট: ১৭:৫৩ ২৮ ডিসেম্বর ২০২১

চা পান করে একই পরিবারের পাঁচজনসহ সাতজন অসুস্থ।  ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

চা পান করে একই পরিবারের পাঁচজনসহ সাতজন অসুস্থ। ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

হবিগঞ্জের আজমিরীগঞ্জে কাকাইলছেও ইউনিয়নের মাহতাবপুর গ্রামে চা পান করে একই পরিবারের পাঁচজনসহ সাতজন অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। 

মঙ্গলবার সকালে স্হানীয়রা তাদের অসুস্থ অবস্থায় আজমিরীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্হ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসলে তাদের অবস্থার অবনতি ঘটে। এ সময় কর্তব্যরত চিকিৎসক উন্নত চিকিৎসার জন্য সাতজনকে হবিগঞ্জ আধুনিক সদর হাসপাতালে প্রেরণ করেন। অসুস্থ সাতজন হলেন হানিফ মিয়া, তরু বেগম, দুলাল মিয়া, মোবাশ্বির মিয়া, শাকিল মিয়া, সিয়াব এবং শোয়েব মিয়া।

জানা যায়, সোমবার রাত সাড়ে সাতটায় কাকাইলছেও ইউপিরর আলিপুর গ্রামের বাসিন্দা হানিফ মিয়ার বাড়িতে চা রান্না করা হয়। এ সময় প্রতিবেশী মোবাশ্বির মিয়া এবং শাকিল মিয়াসহ হানিফ মিয়ার পরিবার চা পান করার কিছুক্ষণ পরই অসুস্থ হয়ে পড়েন। এর কিছুক্ষণ পর  প্রতিবেশীরা বিষয়টি জানতে পেরে মঙ্গলবার ভোরে সাতজনকে অসুস্থ অবস্থায় আজমিরীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্হ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসেন। 

হানিফ মিয়ার প্রতিবেশী স্বজন মাহমুদ জামান জানান, সোমবার রাতে হানিফ মিয়ার বাড়িতে চা পান করার পর সবাই অসুস্থ হয়ে পড়ে।  আলিপুর থেকে যোগাযোগ ব্যবস্থা খারাপ হওয়ায় ভোরে তাদের আজমিরীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্হ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসি। উপজেলা স্বাস্হ্য কমপ্লেক্সে তাদের অবস্থার অবনতি ঘটলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের হবিগঞ্জ আধুনিক সদর হাসপাতালে প্রেরণ করেন। 

কর্তব্যরত চিকিৎসক আবু ইবনে সিনা ইকরাম বলেন, মঙ্গলবার সকালে সাত বছরের এক শিশুসহ সাতজন রোগী আসেন। তাদের ভাষ্য গতকাল রাতে চা অথবা ভাতের সঙ্গে তাদের কিছু খাওয়ানো হয়। এরপর থেকে তারা অসুস্থবোধ করেন। আমরা পরীক্ষা নিরীক্ষা করে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে উন্নত চিকিৎসার জন্য সাতজনকে হবিগঞ্জ আধুনিক সদর হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়। 

আজমিরীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্হ্য কমপ্লেক্সের আরএমও ডা. মনির হোসাইন বলেন, প্রাথমিকভাবে আমরা তাদের পরীক্ষা নিরীক্ষা করে দেখেছি। মনে হচ্ছে খাবার অথবা অন্য কিছুর সঙ্গে তারা চেতনানাশক কিছু খেয়েছেন। আমরা তাদের উন্নত চিকিৎসার জন্য হবিগঞ্জ আধুনিক সদর হাসপাতালে প্রেরণ করেছি। 

ডেইলি বাংলাদেশ/এমকে