অগ্নিকাণ্ডের রেশ না কাটতেই আরেক কাণ্ড ঘটাল অভিযান-৫ লঞ্চ

অগ্নিকাণ্ডের রেশ না কাটতেই আরেক কাণ্ড ঘটাল অভিযান-৫ লঞ্চ

বাগেরহাট প্রতিনিধি ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

প্রকাশিত: ১২:২১ ২৮ ডিসেম্বর ২০২১  

এমভি অভিযান-৫ ও পুড়ে যাওয়া এমভি অভিযান-১০ লঞ্চ

এমভি অভিযান-৫ ও পুড়ে যাওয়া এমভি অভিযান-১০ লঞ্চ

ঝালকাঠির সুগন্ধা নদীতে এমভি অভিযান-১০ লঞ্চে অগ্নিকাণ্ডের রেশ এখনো কাটেনি। এরই মধ্যে আরেক কাণ্ড ঘটিয়ে বসেছে এমভি অভিযান-৫ লঞ্চ। ঢাকা-মুলাদী রুটের এ লঞ্চও একই মালিকের।

এমভি অভিযান-৫ লঞ্চের বিরুদ্ধে রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে সুন্দরবনে পর্যটক বহনের অভিযোগ উঠেছে। লঞ্চটি ৭৫ জন পর্যটকের পাস পারমিটে (অনুমতিপত্র) ১৪০ জন পর্যটক নিয়ে ঢুকে পড়ে সুন্দরবনে। এ ঘটনায় গত শনিবার সন্ধ্যায় লঞ্চটি আটকে দেয় বনবিভাগ।

সুন্দরবনের শরণখোলা রেঞ্জের সহকারী বন সংরক্ষক (এসিএফ) মো. শামসুল আরেফিন জানান, সুন্দরবন ভ্রমণের জন্য অন্তত এক সপ্তাহ আগে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দিয়ে বনবিভাগ থেকে অনুমতিপত্র নিতে হয়। সুন্দরবন ভ্রমণ নীতিমালা অনুযায়ী একটি লঞ্চে ৭৫ জনের বেশি পর্যটক বহনের অনুমতি নেই। সুন্দরবনের অভয়ারণ্যে পর্যটকদের প্রবেশের জন্য জনপ্রতি ১৫০ টাকা রাজস্ব ধার্য করা আছে। আর অভয়ারণ্যের বাইরে হলে ৭০ টাকা।

তিনি আরো জানান, ঢাকা থেকে পর্যটকবাহী বিলাসবহুল এমভি অভিযান-৫ লঞ্চটি ৭৫ জনের পারমিটে ১৪০ জন পর্যটক বহন করে রাজস্ব ফাঁকি দিতে চেয়েছিল। প্রতিটি লঞ্চে পর্যটকদের জন্য ট্যুর গাইড বাধ্যতামূলক হলেও এমভি অভিযান-৫ লঞ্চটি সে নির্দেশনাও মানেনি। নির্দেশনা না মেনে সুন্দরবনে ঢোকার চেষ্টা করলে শনিবার সন্ধ্যায় শরণখোলা রেঞ্জ অফিসের সামনে থেকে লঞ্চটি আটকে দিয়ে পুনরায় ফেরত পাঠানো হয়।

পূর্ব সুন্দরবনের ডিএফও (বিভাগীয় বন কর্মকর্তা) মুহাম্মদ বেলায়েত হোসেনও এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

ডেইলি বাংলাদেশ/এআর