৩ ব্যাটারের অদ্ভুত মিল!

৩ ব্যাটারের অদ্ভুত মিল!

স্পোর্টস ডেস্ক ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

প্রকাশিত: ১৮:৩৯ ২০ ডিসেম্বর ২০২১  

সৌম্য সরকার, মিজানুর রহমান ও মোহাম্মদ মিঠুন

সৌম্য সরকার, মিজানুর রহমান ও মোহাম্মদ মিঠুন

বাংলাদেশ ক্রিকেট লিগের (বিসিএল) চলতি আসরে ওয়াল্টন মধ্যাঞ্চলের হয়ে খেলছেন মিজানুর রহমান, মোহাম্মদ মিঠুন ও সৌম্য সরকার। এই তিন ব্যাটারই রানের দিক দিয়ে অদ্ভুত মিল উপহার দিয়েছেন ক্রিকেটভক্তদের। যা কাকতালীয় হলেও বেশ অবাক করার মতো।

প্রথম রাউন্ডের ম্যাচে মিজানুর, মিঠুন ও সৌম্য তিনজন ব্যাটারই তুলে নিয়েছিলেন সেঞ্চুরি। তবে পরের ম্যাচেই উল্টো চিত্র। তিন জনই ব্যর্থ। এর মধ্যেও ছিল দারুণ এক মিল! এ তিন ব্যাটারের ব্যাট থেকেই এসেছে ২ করে রান।

মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় স্টেডিয়ামে আগের দিনের বিনা উইকেটে ৪ রান নিয়ে এদিন ব্যাটিংয়ে নামে মধ্যাঞ্চল। আগের দিনই ২ রান করে করেছিলেন দুই ওপেনার মিজানুর ও মিঠুন। এদিন দুজনের কেউই কোনো রান যোগ করতে পারেননি কিছুই।

দিনের প্রথম বলেই আসাদুজ্জামান পায়েলের বলে উইকেটরক্ষক ইরফান শুক্কুরের হাতে ক্যাচ তুলে দেন মিঠুন। আর এনামুল হকের করা পরের ওভারে এক বল খেলেই শাহাদাত হোসেনের হাতে ক্যাচ তুলে দেন মিজানুর।

তিন নম্বরে নামা সৌম্য সরকারও তাদের সঙ্গে তাল মিলিয়ে ২ রান করে এনামুলের বলে আউট হন। এ ব্যাটার তানভির ইসলামের হাতে ক্যাচ তুলে দেন। অর্থাৎ প্রথম ম্যাচে তিনজনি সেঞ্চুরি পেলেও পরের ম্যাচে প্রত্যেকেই আউট হয়েছেন সমান রান করে।

এদিকে তাদের পর খুব বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি সালমান হোসেন ও শুভাগত হোমও। ফলে দলীয় ৩২ রানের মধ্যেই ৫ উইকেট হারিয়ে বড় বিপর্যয়ে পড়ে দলটি। এরপর ষষ্ঠ উইকেটে তাইবুর রহমানকে নিয়ে ইনিংস মেরামতের কাজে নামেন জাকের আলী। দুজনে গড়েন ১৫২ রানের দারুণ এক জুটি।

জাকের-তাইবুরের ব্যাটে প্রথম ইনিংসে লিডের স্বপ্ন দেখতে শুরু করে দলটি। তাইবুরকে ফিরিয়ে এ জুটি ভাঙেন নাঈম হাসান। এরপর ১০ রানের ব্যবধানে আবু হায়দার রনির সঙ্গে সেট ব্যাটার জাকেরকেও হারালে কার্যত কঠিন হয়ে যায় সে স্বপ্ন।

দিন শেষে রবিউল হক ও হাসান মুরাদ শেষ উইকেটে অবিচ্ছিন্ন ২০ রানের জুটি গড়ে উইকেটে আছেন। ফলে ৯ উইকেটে ২২৩ রানে দিন শেষ করেছে তারা। এখনও ২২ রানে পিছিয়ে আছে দলটি। আগামীকাল এ দুই ব্যাটারের উপরই নির্ভর করছে আদৌ লিড নিতে পারবে কি-না মধ্যাঞ্চল।

মধ্যাঞ্চলের পক্ষে দারুণ ব্যাটিং করে সেঞ্চুরির দিকেই এগিয়ে যাচ্ছিলেন জাকের। ১৮০ বলে ৯২ রান করে তানভিরের বলে এলবিডাব্লিউর ফাঁদে পড়েন তিনি। ১১টি চার ও ৩টি ছক্কায় এ রান করেন জাকের। তাইবুরের ব্যাট থেকে আসে ৭৬ রান। তিনি ১৯৮ বলে ১১টি চারে এ রান করেন।

ডেইলি বাংলাদেশ/এএল