জীববিজ্ঞানের গুরুত্বপূর্ণ কিছু তথ্য

জীববিজ্ঞানের গুরুত্বপূর্ণ কিছু তথ্য

শিক্ষাঙ্গন ডেস্ক  ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

প্রকাশিত: ১৯:০৬ ১৮ ডিসেম্বর ২০২১  

ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

নবম-দশম শ্রেণির জীববিজ্ঞান বই থেকে গুরুত্বপূর্ণ কিছু তথ্য দেওয়া হলো। এখান থেকে জ্ঞান ও অনুধাবনমূলক প্রশ্নসহ বহু নির্বাচনীও আসতে পারে। তাই সংগ্রহে রাখার মতো কিছু তথ্য দেয়া হলো। 

-ভৌত জীববিজ্ঞান শাখায় তত্ত্বীয় বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হয়। ফলিত জীববিজ্ঞান শাখায় জীবনসংশ্লিষ্ট প্রায়োগিক বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হয়।

-সুইডিশ বিজ্ঞানী ক্যারোলাস লিনিয়াসকে দ্বিপদ নামকরণ পদ্ধতির জনক বলা হয়। একটি জীবের বৈজ্ঞানিক নামের দুটি অংশ; একটি গণ নাম এবং অন্যটি তার প্রজাতি নাম। এ রকম দুটি পদ নিয়ে গঠিত নামকে দ্বিপদ নাম আর নামকরণের পদ্ধতিকে দ্বিপদ নামকরণ পদ্ধতি বলে।

-শ্রেণিবিন্যাসের সাতটি ধাপ—রাজ্য, পর্ব, শ্রেণি, বর্গ, গোত্র, গণ, প্রজাতি। শ্রেণিবিন্যাসের সর্বোচ্চ ধাপ রাজ্য আর সর্বনিম্ন ধাপ প্রজাতি।

-উদ্ভিদকোষ যে জড় আবরণ দিয়ে আবৃত থাকে তাকে কোষপ্রাচীর বলে। কোষপ্রাচীরের ক্ষুদ্রতম গাঠনিক একক ধরা হয় মাইসেলিকে। আর প্রায় ২০টি মাইসেলি মিলে একটি মাইক্রোফাইব্রিল গঠন করে। প্রাণীকোষে কোষপ্রাচীর থাকে না।

-ক্লোরোপ্লাস্ট সবুজ বর্ণের, ক্রোমোপ্লাস্ট রঙিন আর লিউকোপ্লাস্ট বর্ণহীন। সঞ্চিত খাদ্যের প্রকৃতির ওপর ভিত্তি করে লিউকোপ্লাস্টকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা : অ্যামাইলোপ্লাস্ট—স্টার্চ বা শ্বেতসার জাতীয় খাদ্য সঞ্চয়কারী, ইলায়োপ্লাস্ট—চর্বিজাতীয়, অ্যালিউরোপ্লাস্ট—প্রোটিন সঞ্চয়কারী।

-মাতা-পিতা থেকে তাঁদের বৈশিষ্ট্য সন্তানদের মধ্যে আসার প্রক্রিয়াকে বংশগতি বলে। জীববিজ্ঞানের যে শাখায় বংশগতি নিয়ে আলোচনা করা হয় তাকে বংশগতিবিদ্যা বলে।

-নিউক্লিক এসিডে দুই প্রকার পিউরিন ক্ষারক থাকে। অ্যাডিনিন ও গুয়ানিন। নিউক্লিক এসিডে তিন প্রকার পাইরিমিডিন ক্ষারক থাকে। যথা : থাইমিন, সাইটোসিন, ইউরাসিল।

-প্রতিটি দাঁতের তিনটি অংশ থাকে।

যথা: মুকুট—মাড়ির ওপরের অংশ, মূল—মাড়ির ভেতরের অংশ, গ্রীবা—দাঁতের মধ্যবর্তী অংশ। একজন প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের ৮টি কর্তন দাঁত, ৪টি ছেদন দাঁত, ৮টি অগ্রপেষণ দাঁত, ৮টি পেষণ দাঁত এবং ০-৪টি আক্কেল দাঁত থাকে।

-মানবকঙ্কালতন্ত্রকে দুই ভাগে ভাগ করা যায়, বহিঃকঙ্কাল—লোম, নখ চুল; অন্তঃকঙ্কাল—শরীরের ভেতরের অস্থি, তরুণাস্থি দিয়ে গঠিত।

=মস্তিষ্ক তিন অংশে বিভক্ত। যথা—অগ্রমস্তিষ্ক, মধ্যমস্তিষ্ক, পশ্চাত্মস্তিষ্ক। অগ্রমস্তিষ্ক সবচেয়ে বড়।

-রাইবোসোমকে কোষের প্রোটিন ফ্যাক্টরি বলে।

-গলগি বডিকে কোষের ট্রাফিক পুলিশ বলে। উদ্ভিদকোষে গলগি বডিকে কার্বোহাইড্রেট ফ্যাক্টরিও বলা হয়।

-মাইটোকন্ড্রিয়াকে কোষের পাওয়ার হাউস বলে।

-ক্লোরোপ্লাস্টকে কোষের রান্নাঘর বলা হয়।

ডেইলি বাংলাদেশ/জেডএম