মৃত্যুর খবর জানার দুইদিন পর জীবিত হলেন আব্দুর রহমান!

মৃত্যুর খবর জানার দুইদিন পর জীবিত হলেন আব্দুর রহমান!

টাঙ্গাইল প্রতিনিধি ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

প্রকাশিত: ১৭:৫৭ ৫ নভেম্বর ২০২১  

মৃত্যুর খবর জানার দুইদিন পর অবশেষে জীবিত হয়েছেন আব্দুর রহমান!

মৃত্যুর খবর জানার দুইদিন পর অবশেষে জীবিত হয়েছেন আব্দুর রহমান!

মৃত্যুর খবর জানার দুইদিন পর অবশেষে জীবিত হয়েছেন আব্দুর রহমান! গত ২ নভেম্বর তিনি জীবিত হন।

এর আগে গত ৩১ অক্টোবর আব্দুর রহমান ইউপি সদস্য পদে মনোনয়নপত্র ক্রয় করতে গেলে নির্বাচন কর্মকর্তা জানান তিনি মৃত। ভোটার তালিকায় তার নাম নেই। মৃত্যুবরণ করায় তাকে ভোটার তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। এ ঘটনায় আব্দুর রহমান হতভম্ভ হয়ে যান। 

আব্দুর রহমান টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলার নারান্দিয়া ইউপির মাইস্তা গ্রামের বাসিন্দা ও সাবেক ইউপি সদস্য। এবারো তিনি নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন। এমন ঘটনায় নির্বাচন কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্টরা সমালোচনার মুখে পড়েছেন। 

ভুক্তভোগী আব্দুর রহমানের ছেলে মিদুল ইসলাম বলেন, ‘আমার বাবা আব্দুর রহমান সাবেক ইউপি সদস্য। এবারো তিনি নির্বাচনে অংশ নেবেন। এজন্য গত ৩১ অক্টোবর বাবাকে নিয়ে নির্বাচন অফিসে মনোনয়নপত্র ক্রয় করতে গিয়েছিলাম। তখন নির্বাচন কর্মকর্তা জানান, আমার বাবা মৃত। মৃত হওয়ায় তাকে ভোটার তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। তখন আমরা বিষয়টি নিয়ে প্রতিবাদ করি। 

জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) থাকতেও তাকে মৃত দেখিয়ে তালিকা থেকে বাদ দেয়া হয়। এক পর্যায়ে নির্বাচন কর্মকর্তা ঢাকায় গিয়ে সংশোধনের পরামর্শ দেন। পরে আমরা ঢাকায় গিয়ে এটি সংশোধন করেছি। তিনিও সংশোধন করতে সহযোগিতা করেছেন। অবশেষে আমার বাবা নির্বাচন করার অধিকার ফিরে পান। পরে বাবার নির্বাচনি মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছি।’ 

তিনি আরো বলেন, ‘মূলত আমার বাবা যাতে নির্বাচনে অংশ নিতে না পারেন। এজন্য তাকে মৃত দেখিয়ে ভোটার তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছিল। একটি মহল নির্বাচন অফিসের লোকজনের জোগসাজসে এ কাজটি করেছিল।’ 

ভুক্তভোগী আব্দুর রহমান বলেন, ‘নির্বাচনে অংশ নেওয়ার জন্য মনোনয়নপত্র কিনতে গিয়ে জানতে পারি আমি মৃত। আমাকে মৃত দেখিয়ে ভোটার তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে খুবই চিন্তিত ছিলাম। পরে নির্বাচন কর্মকর্তার সহায়তায় ঢাকা থেকে কাগজটি সংশোধন করা হয়েছে। সংশোধনের পর মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছি।’ 

এ বিষয়ে কালিহাতী উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মিসবাহ উদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘মাঠ পর্যায়ে হালনাগাদ করার সময় তথ্য সংগ্রহকারীর তথ্যের ভুলের কারণে এমন অনাকাঙ্খিত ঘটনা ঘটে। আব্দুর রহমান নির্বাচন অফিসে আসার পর আমরা বিষয়টি জানতে পারি। পরে ফরওয়ার্ডিং ঢাকায় পাঠিয়ে দিয়ে ফোনেও কথা বলেছি। এরপর এটি সংশোধন হয়েছে। তিনি এখন নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন।’ 

ডেইলি বাংলাদেশ/এমকে