ফাউন্ডেশনের কলাম বসাতে গিয়েই গ্যাস লাইনে বিপত্তি

মসজিদে বিস্ফোরণ

ফাউন্ডেশনের কলাম বসাতে গিয়েই গ্যাস লাইনে বিপত্তি

নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

প্রকাশিত: ০৩:০৮ ১০ সেপ্টেম্বর ২০২০   আপডেট: ০৩:১৬ ১০ সেপ্টেম্বর ২০২০

বিফ্রিংয়ে তিতাস গ্যাসের মহাব্যবস্থাপক আবদুল ওহাব

বিফ্রিংয়ে তিতাস গ্যাসের মহাব্যবস্থাপক আবদুল ওহাব

বাইতুস সালাত জামে মসজিদে বিস্ফোরণের ঘটনায় গঠিত তিতাসের তদন্ত কমিটির প্রধান তিতাস গ্যাসের মহাব্যবস্থাপক (জিএম) পরিকল্পনা আবদুল ওহাব বলেছেন, মসজিদের উত্তর পাশ বর্ধিত করা হয়েছে। সেখানে ফাউন্ডেশনের সময় মসজিদের চার নম্বর কলাম স্থাপনকালে নিচে আমাদের পাইপ লাইন ছিল। ফাউন্ডেশনের কলাম বসাতে গিয়ে পাইপ লাইনের র‌্যাপিং নষ্ট হয়।  

বুধবার রাতে এক বিফ্রিংয়ে এ কথা বলেন তিনি।

আরো পড়ুন: কটুক্তি করায় বন্ধুকে ছুরিকাঘাতে হত্যা

তিতাস গ্যাসের মহাব্যবস্থাপক বলেন, এ র‌্যাপিং নষ্ট করার কারণে গ্যাসের পাইপ মাটির সঙ্গে সংস্পর্শে এসে ছিদ্র হয়েছে। সে কারণেই পরে লিকেজ করে ছড়ায়। ওই একটি কলামের ফাউন্ডেশনের নিচেই লিকেজগুলো পাওয়া গেছে। অন্য কোথাও কোনো সমস্যা নেই। সে স্থানে লিকেজ বন্ধ করার পরে আর মসজিদের ভেতরে কোনো গ্যাস পাওয়া যায়নি। এতেই প্রতীয়মান হয় একটি কলাম বাড়ানোর সময় ফাউন্ডেশন দিতে গিয়ে নিচে থাকা গ্যাসের পাইপের র‌্যাপিং নষ্ট করে।

তিনি বলেন, বুধবার সন্ধ্যায় খোঁড়াখুঁড়ির পরে পুরো মসজিদের ভেতরে পানি দিয়ে ভরে দেয়া হয়েছে। কিন্তু সেখানে কোনো গ্যাস পাওয়া যায়নি। এখন পরীক্ষা করে দেখা হবে কীভাবে গ্যাস মসজিদের ভেতরে প্রবেশ করেছে।

আরো পড়ুন: স্বামীকে তালাক দিয়ে প্রেমিকের বাড়ি ছাড়ছেন না কলেজছাত্রী

মসজিদ করার সময়ে ইউপি, সিটি কর্পোরেশন কিংবা রাজউকের কোনো অনুমোদন নেই। বিদ্যুতের দুটি লাইন আছে মসজিদে। একটি বৈধ আরেকটি অবৈধ। বিদ্যুৎ চলে গেলে আরেকটি লাইন পরিবর্তন করার সময়ে স্পার্ক করেই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। এরমধ্যে প্রতিবেদন তৈরির কাজ শুরু হয়েছে। বৃহস্পতিবার  ১০ সেপ্টেম্বর রাতের মধ্যেই প্রতিবেদন জমা দেয়া হবে বলে জানান তিতাস গ্যাসের এ কর্মকর্তা।

এর আগে ৪ সেপ্টেম্বর শুক্রবার রাত সোয়া ৯টায় নারায়ণগঞ্জের পশ্চিম তল্লা বাইতুস সালাত জামে মসজিদে বিস্ফোরণের ঘটনায় স্থানীয়রা তিতাস গ্যাস কর্তৃপক্ষকে দায়ী করেন। অভিযোগ করেন তিতাস গ্যাসের লিকেজ থেকে গ্যাস জমে বিস্ফোরণ হয়। এতে এখন পর্যন্ত মারা গেছেন ২৮ জন।

ডেইলি বাংলাদেশ/আরএম