দুই মাসের মধ্যে সব অবৈধ গ্যাস লাইন অপসারণ করতে হবে

দুই মাসের মধ্যে সব অবৈধ গ্যাস লাইন অপসারণ করতে হবে

নিজস্ব প্রতিবেদক ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

প্রকাশিত: ০১:৫৭ ৮ সেপ্টেম্বর ২০২০   আপডেট: ১৭:৫৫ ৮ সেপ্টেম্বর ২০২০

প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ

প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ

আগামী দুই মাসের মধ্যে সব অবৈধ গ্যাস লাইন অপসারণ করতে হবে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ। 

সোমবার গ্যাস বিতরণ সংস্থাসমূহের কার্যক্রম নিয়ে আলোচনাকালে তিনি এ কথা জানান।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, আগামী দুই মাসের মধ্যে সব অবৈধ গ্যাস লাইন অপসারণ করতে হবে। পরিকল্পিত এলাকার বাইরে বিদ্যুৎ-জ্বালানি সংযোগ দেয়া যাবে না। অকোপ্যান্সি সার্টিফিকেট অনুসারে সংযোগ না নিলে দ্রুত সংযোগ বিচ্ছিন্ন করুন।

তিনি বলেন, ট্রান্সমিশন লাইনের উপর কোনো বিল্ডিং বা স্থাপনা থাকলে দ্রুত অপসারণ করতে হবে। গ্যাসের বকেয়া বিল সংগ্রহের টাইমলাইন নির্ধারণ করুন। এ সময় বিল খেলাপিদের তালিকা হালনাগাদ করে মন্ত্রণালয়ে প্রেরণের নির্দেশ দেন।

প্রতিমন্ত্রী আরো বলেন, কর্মকর্তাদের দুর্নীতি ও অসদাচরণের জন্যই রাজনীতিবিদদের বা সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হচ্ছে। কোন বিভাগের কোন কোন কর্মকর্তা অবৈধ কার্যক্রমের সঙ্গে জড়িত তাদের তালিকা করা হচ্ছে। কোনো কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অভিযোগ আসলে প্রথমে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করে পরে অভিযোগ তদন্তের ব্যবস্থা নিন।

তিনি বলেন, ইভিসি মিটার এবং প্রি-পেইড মিটার সব গ্রাহকের জন্য স্থাপন করতে হবে। অটোমেশন করার প্রক্রিয়াও ধীরগতিতে চলছে, যা কাঙ্ক্ষিত নয়। টাস্কফোর্সের কার্যক্রম আরও গতিশীল করতে হবে।

নারায়ণগঞ্জের বিস্ফোরণের বিষয়ে তিনি বলেন, তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন ও ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেড-এর ফতুল্লা এলাকায় যারা দায়িত্বে ছিলেন তারা সঠিকভাবে দায়িত্ব পালন করেননি। তাদের শাস্তির আওতায় আনা প্রয়োজন।

উল্লেখ্য, নারায়ণগঞ্জে মসজিদে দুর্ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন ও ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেড-এর ফতুল্লা অফিসের নিম্নোক্ত ৮ জন কর্মকর্তা-কর্মচারীকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়। তারা হলেন- ১. ব্যবস্থাপক প্রকৌশলী মোহাম্মদ সিরাজুল ইসলাম, ২. উপব্যবস্থাপক প্রকৌশলী মাহমুদুর রহমান রাব্বী, ৩. সহকারী প্রকৌশলী এস.এম. হাসান শাহরিয়ার, ৪. সহকারী প্রকৌশলী মানিক মিয়া, ৫. সিনিয়র সুপারভাইজার মোঃ মনিবুর রহমান চৌধুরী, ৬. সিনিয়র উন্নয়নকারী মোঃ আইউব আলী, ৭. সাহায্যকারী মোঃ হানিফ মিয়া এবং ৮. মোঃ ইসমাইল প্রধান।

ভার্চুয়াল এই আলোচনা সভায় জ্বালানি বিভাগের সিনিয়র সচিব মো. আনিছুর রহমান, পেট্রোবাংলার চেয়ারম্যান এবিএম আবদুল ফাত্তাহ ও বিতরণ সংস্থার ব্যবস্থাপনা পরিচালকরা উপস্থিত ছিলেন।

ডেইলি বাংলাদেশ/আরএ/টিআরএইচ/এইচএন