বংশালে গ্যাস লাইন বিস্ফোরণে শিশুর মৃত্যু, পরিবারের ৩ সদস্য দগ্ধ

বংশালে গ্যাস লাইন বিস্ফোরণে শিশুর মৃত্যু, পরিবারের ৩ সদস্য দগ্ধ

নিজস্ব প্রতিবেদক ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

প্রকাশিত: ১৪:৪২ ২৩ জুলাই ২০২০   আপডেট: ১৪:৪৫ ২৩ জুলাই ২০২০

ঢাকা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি রোগী- ছবি: সংগৃহীত

ঢাকা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি রোগী- ছবি: সংগৃহীত

রাজধানীর বংশালের একটি বহুতল ভবনের নিচতলায় গ্যাস লাইন বিস্ফোরণে দগ্ধ হয়ে ২ বছর বয়সী এক শিশু মারা গেছে। এ ঘটনায় আরেক শিশুসহ বাবা-মা দগ্ধ হয়েছেন। মৃত শিশুর নাম-মাইনুল। 

দগ্ধরা হলেন- মো. জাবেদ (৩৫), শিউলি আক্তার (২৫) ও জান্নাত (৪)।  

বৃস্পতিবার সকাল সোয়া ৮টার দিকে বংশালের হাজীবুল্লাহ বাহার সড়কের শামসা লেনের ৪৪/১ নম্বর বাড়ির নিচতলায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। দগ্ধদের ঢাকা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়। তাদের গ্রামের বাড়ি ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার আশুগঞ্জের আড়াইফিতা গ্রামে। জাবেদ ব্যাগের ব্যবসা করেন।

ফায়ার সার্ভিস সদর দফতরের দায়িত্বরত কর্মকর্তা লিমা খানম ডেইলি বাংলাদেশকে বলেন, একটি ১৩তলা ভবনের নিচতলার ২০/১৫ বর্গফুটের একটি রান্না ঘরে গ্যাস লাইনে বিস্ফোরণ ঘটে। সকাল সোয়া ৮টার দিকে ফায়ার সার্ভিসের ৫টি ইউনিট আগুন নির্বাপণে কাজ করে। পরে ৯টা ৪০ মিনিটের দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। এ ঘটনায় ২ বছরের এক শিশু মারা গেছে। এছাড়া ক্ষয়ক্ষতির বিষয়ে তদন্তের পর জানানো হবে বলেও জানান তিনি। 

হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, শিশু জান্নাতের শরীরের ৬০ শতাংশ, তার মায়ের ১৭ শতাংশ ও বাবার ৩৭ শতাংশ দগ্ধ হয়েছে। তাদের সবার শ্বাসনালী পুড়ে গেছে। কেউই আশঙ্কামুক্ত নন।

এ ঘটনায় ঢামেক হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ পরিদর্শক মো. বাচ্চু মিয়া জানান,  তাদের অবস্থা আশঙ্কাজনক। বৃহস্পতিবার সকালে এক শিশুসহ ওই পরিবারের তিন জনকে ভর্তি করা হয়েছে। তাদের এক সন্তান ঘটনাস্থলেই মারা গেছে।

দ্বগ্ধ জাবেদের ফুপু শিউলি বেগম জানান, ভোরে বংশালের ওই বাসার রান্নাঘরে গ্যাস লাইন বিস্ফোরণে আগুন লাগে। আমরা সংবাদ শুনে এসেছি। তারা নাকি ঘুমিয়ে ছিলো। আগুনে তাদের এক সন্তান ঘটনাস্থলেই মারা গেছে। আরেক সন্তান ও স্ত্রীসহ জাবেদ বার্ন ইউনিটে ভর্তি রয়েছে।

ডেইলি বাংলাদেশ/এমআরকে