স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণ, নৈশ প্রহরীর যাবজ্জীবন

স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণ, নৈশ প্রহরীর যাবজ্জীবন

বেলকুচি (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধি  ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

প্রকাশিত: ০০:১৬ ৫ ফেব্রুয়ারি ২০২০  

প্রতীকী ছবি

প্রতীকী ছবি

স্কুলছাত্রীকে অপহরণ ও বাড়িতে আটকে রেখে ধর্ষণের ঘটনায় দায়ের করা মামলায় সিরাজগঞ্জের বেলকুচিতে ইষ্টিবেন মারাক নামে এক উপজাতি নৈশ প্রহরীকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত। একইসঙ্গে ১০ হাজার টাকা জরিমানা ও অনাদায়ে আরো তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে। 

মঙ্গলবার দুপুরে সিরাজগঞ্জের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারক ফজলে খোদা মো. নাজির এ কারাদণ্ড দেন। দণ্ডপ্রাপ্ত ইষ্টিবেন মারাক শেরপুর জেলার ঝিনাইগাঁতী উপজেলার মরিয়ম নগর ভারুয়ামারী গ্রামের উপজাতি অপেন্দ্র চিরানের ছেলে।

আদালতের স্পেশাল পিপি শেখ আব্দুল হামিদ লাভলু ও এপিপি আনোয়ার পারভেজ লিমন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। 

মামলার অভিযোগ পত্রে উল্লেখ করা হয়েছে, ইষ্টিবেন মারাক বেলকুচি উপজেলার চন্দ্রগাতী গ্রামের বাজারে নৈশ প্রহরী হিসেবে চাকরি করা অবস্থায় একই গ্রামের ৮ম শ্রেণির এক ছাত্রীকে স্কুলের যাতায়াতের পথে উত্যক্ত করতো। ২০০৬ সালের ৪ মে সন্ধ্যায় স্কুল ছাত্রী বাড়ি থেকে বের হয়ে পাশে দোকানে যাচ্ছিলো।

এ সময় ইষ্টিবেন মারাক স্কুলছাত্রীকে অপহরণ করে তার নিজ বাড়ি শেরপুরে নিয়ে যায়। বাড়িতে আটকে রেখে তাকে ধর্ষণ করতো সে। এ ঘটনায় স্কুলছাত্রীর বাবা বাদী হয়ে বেলকুচি থানায় মামলা করেন। পুলিশ শেরপুর জেলার ঝিনাইগাতী উপজেলার মরিয়ম নগর ভারুয়ামারী গ্রামে ইষ্টিবেন মারাকের বাড়িতে অভিযান চালিয়ে স্কুলছাত্রীকে উদ্ধার ও ইষ্টিবেন মারাককে গ্রেফতার করে। ইষ্টিবেন মারাক জামিনে গিয়ে পলাতক হন। 

ডেইলি বাংলাদেশ/জেএইচ