বিয়ের দাবিতে প্রেমিকের বাড়িতে মাস্টার্স পাস প্রেমিকার অনশন

বিয়ের দাবিতে প্রেমিকের বাড়িতে মাস্টার্স পাস প্রেমিকার অনশন

দিনাজপুর প্রতিনিধি ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

প্রকাশিত: ১৬:১৫ ৩১ জানুয়ারি ২০২০   আপডেট: ১৬:২১ ৩১ জানুয়ারি ২০২০

ছবি : ডেইলি বাংলাদেশ

ছবি : ডেইলি বাংলাদেশ

দিনাজপুর চিরিরবন্দরে বিয়ের দাবিতে প্রেমিক শুভ্র দাসের বাড়িতে মাস্টার্স পাস এক প্রেমিকা অনশন শুরু করেছেন। 

অনশন শুরু করা প্রেমিকাকে এক নজর দেখার জন্য স্থানীয়রা ভিড় জমাচ্ছেন প্রেমিকের বাড়িতে। 

শুক্রবার সরেজমিনে দেখা যায় প্রেমিকা নন্দিতা সেন প্রেমিক শুভ্র দাসের বাড়িতে অবস্থান করার সময় প্রেমিক শুভ্র দাস নিজ বাড়িতেই অবস্থান করছেন । 

বৃহস্পতিবার রাত থেকে উপজেলার আলোকডিহি  ইউপির গোছাহার গ্রামের ক্ষেণপাড়ায় প্রেমিকের বাড়ির সামনে অবস্থান নেন ওই প্রেমিকা। 

শুভ্র দাস অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক সুকুমার দাসের ছেলে।

ওই প্রেমিকা  অভিযোগ করে বলেন, গত ২০০৮ সাল থেকে আত্মীয়তার সুবাদে শুভ্র দাসের সঙ্গে আমার প্রেমের  সর্ম্পক গড়ে উঠে। পড়াশোনার পাশাপাশি একে অপরের সঙ্গে রংপুরের বিভিন্ন স্থানে আমরা দেখা করতাম, কথাবার্তা হতো আমারা প্রেম করতাম । দীঘ্রদিন ধরে সর্ম্পক চললেও তাকে একাধিকবার বিয়ের কথা বললেও সে রাজি হয়নি। কালক্ষেপণ করে আমার কথা উড়িয়ে দেয়।  এভাবে চলে যায় সাত বছর। এর পর সে ২০১৫ সালে পুরোপুরি আমার সঙ্গে যোগাযোগ বন্ধ করে দেয়। আমি আমার পরিবারের মাধ্যমে অনেকবার তার বাড়িতে বিয়ের জন্য প্রস্তাব পাঠাই কিন্তু তার মা রাজি না থাকায় তা সম্ভব হয়নি। অবশেষে ২০১৯ সালে ১৮ ডিসেম্বর তাকে অনেক কষ্টে বিয়ে করতে রাজি করালে বন্ধু বান্ধব নিয়ে বিয়ের জন্য তাকে নিয়ে মন্দিরে গেলে সেখান থেকেও  সে পালিয়ে যায়।

ওই প্রেমিকা আরো বলেন, সে আমাকে বিয়ে করবে বলে আশ্বাস দিয়েছে। কয়েক মাস আগে আবারো সে আমার সঙ্গে যোগাযোগ বন্ধ করে দেয়। আমি খোঁজ নিয়ে জানতে পারি, শুভ্র দাসের পরিবার অন্য জায়গায় বিয়ের জন্য পাত্রীর সন্ধান করছে। আমি কোনো উপায় না পেয়ে নিজের মান সম্মানের দিকে না তাকিয়ে প্রেমিকের বাড়িতে অনশন শুরু করছি। বিয়ে না হওয়া পর্যন্ত আমি এখানেই অবস্থান করব। এতে যদি আমার মরণও হয় হোক। আমি আমার সমস্ত ভালোবাসা শুভ্র দাসকে উজাড় করে দিয়েছি।

প্রেমিকা আরো দাবি করেন, শুভ্রদাসসহ তার পরিবারের লোকজন বিয়ের বিষয়টির সুরাহা দিতে হবে। তা না করা পর্যন্ত আমার অনশন চলবে।

এ বিষয়ে আলোকডিহি ইউপি চেয়ারম্যান মোছা. মাহামুদা ইসলাম শেফালী বলেন, স্থানীয় লোকজনের সঙ্গে কথা বলেছি, যাতে উভয় পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করে স্থানীয়ভাবে বিষয়টির মীমাংসা করে দেয়া হয়।

ডেইলি বাংলাদেশ/জেএইচ