খাদ্যদ্রব্যের অবৈধ মজুতে ৫ বছরের জেল, জরিমানা ১০ লাখ

খাদ্যদ্রব্যের অবৈধ মজুতে ৫ বছরের জেল, জরিমানা ১০ লাখ

নিজস্ব প্রতিবেদক ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

প্রকাশিত: ১৮:১১ ১৮ এপ্রিল ২০২২   আপডেট: ১৯:৩০ ১৯ এপ্রিল ২০২২

মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম- ফাইল ছবি

মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম- ফাইল ছবি

‘খাদ্যদ্রব্যের উৎপাদন, মজুত, স্থানান্তর, পরিবহন, সরবরাহ, বিতরণ ও বিপণন (ক্ষতিকর কার্যক্রম প্রতিরোধ) আইন ২০২২’ এর খসড়ার নীতিগত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। এতে খাদ্যদ্রব্যের অবৈধ মজুতে সর্বোচ্চ ৫ বছর কারাদণ্ড ও ১০ লাখ টাকা জরিমানার বিধান রাখা হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে সোমবার এ অনুমোদন দেওয়া হয়। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

বৈঠক শেষে সচিবালয়ে ব্রিফিংয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম জানান, এ খসড়া খাদ্য মন্ত্রণালয় থেকে এসেছে। দুটি আইন এক সঙ্গে করে নতুন খসড়া আনা হয়েছে। ‘দ্য ফুড গ্রেইন সাপ্লাই প্রিভেনশন অব প্রিজুডিশিয়াল অ্যাকটিভিটি অর্ডিন্যান্স, ১৯৭৯’ এবং ‘ফুড স্পেশাল কোর্ট অ্যাক্ট, ১৯৫৬’ দুটো আইনকে একসঙ্গে করে নতুন আইন করা হচ্ছে।

এ আইনের উদ্দেশ্য প্রসঙ্গে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, এতে খাদ্যদ্রব্যের উৎপাদন, মজুত, স্থানান্তর, পরিবহন, সরবরাহ, বিতরণ ও বিপণনে ক্ষতিকর কার্যক্রম প্রতিরোধ করা যাবে। এর মাধ্যমে বাজার নিয়ন্ত্রণ করা হবে না, বরং মান নিশ্চিত করা হবে। কেউ যাতে অনৈতিক কাজ করতে না পারে, ক্রেতারা যাতে ঠকে না যান সে ব্যবস্থা করা হবে।

আরো পড়ুন>>> পাটকলগুলোতে শ্রমিক অসন্তোষ নিরসন হয়েছে: পাটমন্ত্রী

খাদ্যদ্রব্যের উৎপাদন, মজুত, স্থানান্তর, পরিবহন, সরবরাহ, বিতরণ ও বিপণন এবং এ সংক্রান্ত অন্যান্য কাজের ক্ষেত্রে কোনো অপরাধ যাতে না হয় সেগুলো প্রতিরোধ করার জন্য এ খসড়া আনা হয়েছে বলেও জানান তিনি।

খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, খসড়া আইনে কঠোর শাস্তির প্রস্তাব করা হয়েছে। কেউ যদি এই আইনের অধীনে অপরাধ করেন তবে তাকে সর্বোচ্চ ৫ বছর কারাদণ্ড বা ১০ লাখ টাকা জরিমানা করা যাবে।

কেউ যদি খাদ্যদ্রব্যের সঙ্গে অতিরিক্ত ক্ষতিকর কিছু মিশিয়ে উৎপাদন করেন, নির্দিষ্ট সময়ের বেশি মজুত করেন তাহলে তিনি অপরাধী হিসেবে বিবেচিত হবেন।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, মন্ত্রিসভা বলে দিয়েছে, নিরাপদ খাদ্য আদালতই এগুলো দেখবে, আলাদা কোনো আদালত লাগবে না।

খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, কোনো খাদ্যদ্রব্য যদি জব্দ করা হয়, সেই খাদ্য যদি পচনশীল হয় তবে সেই খাদ্যদ্রব্য নিলাম ডেকে বিক্রি করে শুধু স্যাম্পল হিসেবে অল্প একটু রাখা যাবে।

তিনি আরো বলেন, খাদ্যপণ্য যদি পচনশীল নাও হয় তবুও ৪৫ দিনের মধ্যে নিলাম করে দিতে হবে, টাকাটা কোর্টের কাছে থাকবে। যার বিরুদ্ধে অভিযোগ তিনি যদি খালাস পান তবে টাকাটা পেয়ে যাবেন। আর দণ্ড পেলে আদালত যেভাবে আদেশ দেবে, সেভাবে হবে।

ডেইলি বাংলাদেশ/জেডআর/এইচএন


Bulletপ্রথম আট ঘণ্টায় ১৫ হাজার ২০০ গাড়ি চলাচল, টোল আদায় ৮২ লাখের বেশি Bulletপদ্মাসেতুতে হাঁটা-ছবি তোলায় নিষেধাজ্ঞা জারি Bulletবিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তিতে হচ্ছে ডোপ টেস্ট আইন: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী Bulletকমলো সয়াবিন তেলের দাম Bulletদেশে করোনায় আরো দুইজনের মৃত্যু, শনাক্তের হার ১৫.৬৬ Bulletপদ্মাসেতুতে যানবাহন থামানো, হাঁটাহাঁটি ও ছবি তোলায় নিষেধাজ্ঞা জারি Bulletদেশকে সমৃদ্ধির পথে নিয়ে যেতে তৈরি হও: নতুন প্রজন্মের প্রতি প্রধানমন্ত্রী Bulletদুই-একদিনের মধ্যে ভোজ্যতেলের দাম কমবে: বাণিজ্যসচিব Bulletপদ্মাসেতু নিয়ে ষড়যন্ত্র: জড়িতদের খুঁজতে রুল শুনবেন হাইকোর্ট Bulletপদ্মাসেতুতে যান চলাচল শুরু Bullet‘বয়ফ্রেন্ড লুপহোল’ বন্ধ রেখে বন্দুক নিয়ন্ত্রণ বিলে সই বাইডেনের Bulletদেশে করোনায় গত ২৪ ঘণ্টায় ৩ মৃত্যু, শনাক্ত ১২৮০ Bulletহজ পালনে সৌদিতে ৩৮৮৮৯ বাংলাদেশি