শিগগিরই জাতীয় স্বেচ্ছাসেবক নীতিমালা মন্ত্রিপরিষদে উত্থাপন করা হবে: এলজিআরডিমন্ত্রী

শিগগিরই জাতীয় স্বেচ্ছাসেবক নীতিমালা মন্ত্রিপরিষদে উত্থাপন করা হবে: এলজিআরডিমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক  ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

প্রকাশিত: ২১:৪৩ ৫ ডিসেম্বর ২০২১   আপডেট: ১৫:৪৬ ৬ ডিসেম্বর ২০২১

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় (এলজিআরডি) মন্ত্রী  মো. তাজুল ইসলাম

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় (এলজিআরডি) মন্ত্রী  মো. তাজুল ইসলাম

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় (এলজিআরডি) মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম বলেছেন, জাতীয় স্বেচ্ছাসেবক নীতিমালা প্রণয়নের কাজ চূড়ান্ত করা হয়েছে এবং তা খুব শিগগিরই মন্ত্রিপরিষদে উত্থাপন করা হবে।

রোববার রাজধানীর একটি হোটেলে আন্তর্জাতিক স্বেচ্ছাসেবক দিবস উপলক্ষে আয়োজিত ‘বাংলাদেশের কমিউনিটির উন্নয়নে স্বেচ্ছাসেবার অবদান’ শীর্ষক এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন তিনি।

ইউএন ভলান্টিয়ার বাংলাদেশ, ইউএনএফপিএ ও ওয়াটার এইড যৌথভাবে এই আলোচনা সভার আয়োজন করে।

স্থানীয় সরকার মন্ত্রী বলেন, জাতিসংঘ ভলান্টিয়ার এর কোনো অনুষ্ঠানে অংশ নিলে তারা জানান, বাংলাদেশে কোনো স্বেচ্ছাসেবক নীতিমালা নেই। তারা জাতীয় স্বেচ্ছাসেবক একটি নীতিমালা প্রণয়নেরও অনুরোধ করেন।

তিনি বলেন, আমি এই বিষয়টি নিয়ে পরবর্তীতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে আলোচনা করি। তার (প্রধানমন্ত্রী) সম্মতি নিয়ে জাতীয় স্বেচ্ছাসেবক নীতিমালা প্রণয়নের কাজ শুরু করি।

মন্ত্রী বলেন, এরই মধ্যে নীতিমালা প্রণয়নে ওয়ার্কিং কমিটি গঠন করে অনেকগুলো সভা করা হয়েছে এবং তৃণমূল ও বিশেষজ্ঞদের মতামত নিয়ে নীতিমালার খসড়া চূড়ান্ত করা হয়েছে। খুব শিগগিরই এই নীতিমালা মন্ত্রিপরিষদে উত্থাপন করা হবে।

তাজুল ইসলাম বলেন, দেশে বিভিন্ন দুর্যোগ মোকাবিলার জন্য স্বেচ্ছাসেবায় জনসাধারণের অংশ গ্রহণ ও স্বেচ্ছাসেবার অনুশীলন খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আর এই নীতিমালা দেশের যেকোনো স্থানে যেকোনো দুর্যোগ ও মহামারি মোকাবিলায় কার্যকর ভূমিকা পালন করবে। করোনা মহামারির সময় আতঙ্কের মধ্যেও সিটি কর্পোরেশন, জেলা ও উপজেলা, পৌরসভা ও ইউনিয়ন পরিষদের জনপ্রতিনিধিরা, এনজিও কর্মী ও সমাজের গণ্যমান্য ব্যক্তিসহ অনেকেই স্বেচ্ছাসেবা কর্মকাণ্ডে অংশ গ্রহণ করেছেন।

তিনি বলেন, অনেকে প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবার ওষুধ, অক্সিজেন, খাদ্য এমনকি বাজার পর্যন্ত করে দিয়েছেন। অনেকেই হাসপাতালে রোগী পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন।

মন্ত্রী বলেন, জাতীয় নীতিমালা প্রণীত হলে যেকোনো দুর্যোগে, বিপদে-আপদে মানুষ জীবনের ঝুঁকি নিয়ে মানুষের পাশে দাঁড়ানোর একটি স্বীকৃতি পাবে।

স্থানীয় সরকার বিভাগের সিনিয়র সচিব হেলালুদ্দীন আহমদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন- যুব ও ক্রীড়া সচিব মো. আখতার হোসেন, ইউএনভি এশিয়া ও প্যাসিফিকের আঞ্চলিক ব্যবস্থাপক সেলিনা মিয়া (ভার্চুয়াল), ইউএনএফপিএ’র প্রতিনিধি ড. একো নারিতা প্রমুখ।

ডেইলি বাংলাদেশ/এমআরকে/এইচএন