‘আমার গ্রাম আমার শহর’ বাস্তবায়নে গুচ্ছ ভিত্তিক কমিটি গঠন

‘আমার গ্রাম আমার শহর’ বাস্তবায়নে গুচ্ছ ভিত্তিক কমিটি গঠন

নিজস্ব প্রতিবেদক ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

প্রকাশিত: ১৭:৫৫ ২০ জানুয়ারি ২০২১   আপডেট: ১২:২৫ ২১ জানুয়ারি ২০২১

বক্তব্য রাখছেন মো. তাজুল ইসলাম। ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

বক্তব্য রাখছেন মো. তাজুল ইসলাম। ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

শেখ হাসিনার দর্শন ‘আমার গ্রাম আমার শহর’ বাস্তবায়নের লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সমন্বয়ে গুচ্ছ ভিত্তিক কমিটি গঠন করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম।

বুধবার মন্ত্রণালয়ে স্থানীয় সরকার বিভাগের সম্মেলন কক্ষে দেশের প্রতিটি গ্রামে আধুনিক সুযোগ-সুবিধা সম্প্রসারণের লক্ষ্যে কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়নে গঠিত আন্তঃমন্ত্রণালয় কমিটির দ্বিতীয় সভা শেষে তিনি এ সিদ্ধান্তের কথা জানান।

মন্ত্রী বলেন, ‘আমার গ্রাম আমার শহর’ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার একটি দর্শন। এ দর্শন বাস্তবায়নের জন্য যে সব মন্ত্রণালয়ের কাজের ধরনের মিল আছে, সেগুলোর জন্য ভিন্ন ভিন্ন প্রকল্প প্রয়োজন। এই কমিটিগুলো ঘনঘন সভা করে নিজেদের মধ্যে আলোচনা করে প্রকল্প গ্রহণ ও পরবর্তী করণীয় ঠিক করবে এবং সিদ্ধান্তসমূহ কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়ন কমিটির সভাপতির কাছে উপস্থাপন করবেন।

মো. তাজুল ইসলাম বলেন, গ্রামে শহরের সুযোগ-সুবিধা দিতে হলে সবাইকে সমন্বয় করে কাজ করতে হবে। বিভিন্ন মন্ত্রণালয় এরই মধ্যে গ্রামে উন্নত নাগরিক সেবা পৌঁছে দিতে কাজ করছে। এ প্রকল্প বাস্তবায়নে সব মন্ত্রণালয়ের চলমান প্রকল্পের পাশাপাশি আর কী কী প্রকল্প নিতে হবে, গুচ্ছ কমিটি তা নির্ধারণ করবে। এর ফলে ‘আমার গ্রাম আমার শহর’ বাস্তবায়নে কাজে গতি আসবে বলেও উল্লেখ করেন মন্ত্রী।

‘আমার গ্রাম আমার শহর’ প্রকল্প কবে নাগাদ শেষ হবে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, আমার গ্রাম আমার শহর একক কোনো প্রকল্প নয়। গ্রামকে শহর করার লক্ষ্যে সব মন্ত্রণালয়ের নিজস্ব প্রকল্প রয়েছে। সবগুলো প্রকল্পের সমন্বয় হচ্ছে এই প্রকল্প। যেহেতু দেশের প্রতিটি গ্রাম এই প্রকল্পের অধীন, তাই সম্পূর্ণ না হওয়া পর্যন্ত এটি চলমান থাকবে।

এ সময় মন্ত্রী জানান, ‘আমার গ্রাম আমার শহর’ বাস্তবায়নের লক্ষ্যে ১৫টি গ্রামকে পাইলটিং হিসেবে নিয়ে স্থানীয় সরকার বিভাগ থেকে একটি কারিগরি প্রকল্প তৈরি করা হয়েছে। এটি অনুমোদনের অপেক্ষায় আছে।

সভায় স্থানীয় সরকার বিভাগের সিনিয়র সচিব, সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব, সচিব ও অতিরিক্ত সচিব, এলজিইডি এবং ডিপিএইচই’র প্রধান প্রকৌশলীসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

ডেইলি বাংলাদেশ/জেডআর/এইচএন