নিরাপদ ও ভ্রমণবান্ধব সড়ক নেটওয়ার্ক গড়ে তোলা সরকারের অঙ্গীকার: সেতুমন্ত্রী

নিরাপদ ও ভ্রমণবান্ধব সড়ক নেটওয়ার্ক গড়ে তোলা সরকারের অঙ্গীকার: সেতুমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

প্রকাশিত: ১৪:০৯ ১ ডিসেম্বর ২০২০   আপডেট: ২০:০১ ১ ডিসেম্বর ২০২০

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের- ফাইল ছবি

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের- ফাইল ছবি

নিরাপদ ও ভ্রমণবান্ধব সড়ক নেটওয়ার্ক গড়ে তোলা সরকারের অঙ্গীকার বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

মঙ্গলবার জাতীয় প্রেসক্লাবে নিরাপদ সড়ক চাই আন্দোলনের উদ্যোগে ‘নিসচা’র ২৭ বছর পূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত গোলটেবিল বৈঠকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে যুক্ত হয়ে মন্ত্রী এ কথা জানান।

ওবায়দুল কাদের বলেন, সড়ক পরিবহন আইন ২০১৮ আংশিকভাবে কার্যকর করা হয়েছে। এখন সবার সহযোগিতায় পূর্ণাঙ্গ আইন অচিরেই কার্যকর করা হবে। 

তিনি আরো বলেন, সড়কের পাশে যত্রতত্র বাস থামানো বন্ধে পরিকল্পিত বাস স্টপেজ নির্মাণ করা হচ্ছে। অনেক ক্ষেত্রে অপরিকল্পিত গতিরোধক দুর্ঘটনার কারণ হয় বিধায়  সাড়ে ৫০০ অপরিকল্পিত গতিরোধক এরই মধ্যে অপসারণ করা হয়েছে।

সেতুমন্ত্রী বলেন, আধুনিক সড়ক ব্যবস্থাপনার অংশ হিসেবে উন্নত বিশ্বের ন্যায় বাংলাদেশেও রোড সেফটি অডিট চালু হয়েছে। এ পর্যন্ত সড়ক ও জনপথ অধিদফতরের আওতাধীন প্রায় ৫০০ কিলোমিটার মহাসড়কে রোড সেফটি অডিট পরিচালনা করা হয়েছে। বর্তমানে ৩০০ কিলোমিটারে অডিট কার্যক্রম চলমান রয়েছে। 

তিনি আরো বলেন, বিগত এক যুগে প্রায় সাড়ে ৪০০ কিলোমিটার মহাসড়ক চার বা আরো বেশি লেনে উন্নীত করা হয়েছে। গাড়িচালক বিশেষ করে ট্রাকচালকদের জন্য প্রাথমিক পর্যায়ে নির্মাণ করা হচ্ছে চারটি বিশ্রামাগার। 

মন্ত্রী বলেন, সড়ক দুর্ঘটনায় জীবন ও সম্পদের ক্ষতি কমিয়ে আনতে হাইওয়ে পুলিশের জনবল ও সক্ষমতা বাড়ানোর পাশাপাশি দেশের ২২টি জাতীয় মহাসড়কে সিএনজিচালিত অটোরিকশা চলাচল নিষিদ্ধ করা হয়েছে। 

ওবায়দুল কাদের বলেন, সড়ক ব্যবহারকারীদের একটি বড় অংশের মাঝে সচেতনতার অভাব প্রকট। তাই জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে এনজিও ও স্বেচ্ছাসেবী সংস্থাগুলোকে অধিকতর সম্পৃক্ত হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

তিনি কোনোভাবেই বেপরোয়া গাড়ি চালানো যাবে না বলে নির্দেশনা প্রদান করেন এবং মালিক,  শ্রমিক ও গাড়িচালকদেরকে কাউন্সেলিং  করার উপরে গ্রুত্ব আরোপ করেন।

গোলটেবিল বৈঠকে সরাসরি ও ভার্চুয়ালি যুক্ত ছিলেন ‘নিসচা’র চেয়ারম্যান ইলিয়াস কাঞ্চন, ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আতিকুল ইসলাম, বিআরটিএ'র চেয়ারম্যান নুর মোহাম্মদ মজুমদার, বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ডক্টর শামসুল হক ও পরিবহন মালিক-শ্রমিক সংগঠনের নেতারা। 

ডেইলি বাংলাদেশ/জাআ/এমকেএ/এইচএন/টিআরএইচ/AN/আরএইচ