‘করোনাকালে বেকার হয়ে পড়াদের প্রাণিসম্পদ খাতে কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা হবে’

‘করোনাকালে বেকার হয়ে পড়াদের প্রাণিসম্পদ খাতে কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা হবে’

নিজস্ব প্রতিবেদক ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

প্রকাশিত: ০১:৪৫ ২৮ নভেম্বর ২০২০   আপডেট: ১৯:১২ ২৮ নভেম্বর ২০২০

খুলনার নূরনগরে নবনির্মিত বিভাগীয় প্রাণিসম্পদ ভবন উদ্বোধন অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম

খুলনার নূরনগরে নবনির্মিত বিভাগীয় প্রাণিসম্পদ ভবন উদ্বোধন অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম

করোনাকালে যারা বিদেশ থেকে ফিরে এসেছেন বা দেশে চাকরি হারিয়ে বেকার হয়ে পড়েছেন,  তাদের জন্য প্রাণিসম্পদ খাতে কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করা হবে বলে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম।

শুক্রবার খুলনার নূরনগরে নবনির্মিত বিভাগীয় প্রাণিসম্পদ ভবন উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এ প্রতিশ্রুতি দেন তিনি।

মন্ত্রী বলেন, বিশ্বের বুকে উন্নয়নের রোল মডেলে পরিণত হয়েছে বাংলাদেশ। তবে করোনা মহামারির কারণে অনেকে কর্মসংস্থান হারিয়েছেন। তাদের জন্য নানামুখী প্রণোদনা প্যাকেজের মাধ্যমে প্রাণিসম্পদ খাতে আত্মকর্মসংস্থান সৃষ্টি করা হবে। প্রাথমিক পর্যায়ে ছয় লাখ ৯৬ হাজার কৃষক ও উদ্যোক্তার মাঝে ৯০০ কোটি টাকা বিতরণ করা হবে। পরবর্তীতে আরো চার হাজার কোটি টাকা প্রণোদনা দেয়া হবে। 

তিনি আরো বলেন, মাংস ও ডিম উৎপাদনে বাংলাদেশ এখন স্বয়ংসম্পূর্ণ। সেদিন আর খুব বেশি দূরে নয় যেদিন আমরা প্রাণিজ খাদ্য বিদেশে রফতানি করব।

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব রওনক মাহমুদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে খুলনার বিভাগীয় কমিশনার ড. মু. আনোয়ার হোসেন হাওলাদার, মৎস্য অধিদফতরের মহাপরিচালক কাজী শামস আফরোজ, প্রাণিসম্পদ গবেষণা ইন্সটিটিউটের মহাপরিচালক ড. নথুরাম সরকার, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ অধিদফতরের মহাপরিচালক ডা. আবদুল জব্বার শিকদার, খুলনার জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ হেলাল হোসেন, উপ-পুলিশ কমিশনার এসএম শাকিলউজ্জামান, প্রকল্প পরিচালক ডা. দিলীপ কুমার ঘোষ, মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এমডিএ বাবুল রানা এবং খামারি শেখ মোজাম্মেল হক বক্তব্য দেন।

উদ্বোধন অনুষ্ঠানে মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন বিভিন্ন অধিদফতর এবং খুলনা বিভাগের ১০টি প্রাণিসম্পদ অফিসের কর্মকর্তা ও রাজনৈতিক দলের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, বাংলাদেশের প্রথম বিভাগীয় প্রাণিসম্পদ ভবন হিসেবে খুলনা বিভাগে নির্মিত এ ভবনটি দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় প্রাণিসম্পদ উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় নির্মিত হয়েছে। এতে ব্যয় হয়েছে ১১ কোটি ৬৮ লাখ টাকা। ২০১৮-২০১৯ অর্থবছরে শুরু হয়ে ২০২০ সালের জুন মাসে ছয়তলা এ ভবনের নির্মাণ কাজ শেষ হয়।

ডেইলি বাংলাদেশ/আরএইচ/এইচএন/AN/এমকেএ