সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে ইন্দিরা মঞ্চ তৈরি হবে: মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী

সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে ইন্দিরা মঞ্চ তৈরি হবে: মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

প্রকাশিত: ১৭:৩৩ ৩১ অক্টোবর ২০২০   আপডেট: ১৭:৩৫ ৩১ অক্টোবর ২০২০

রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবে বাংলাদেশ সচেতন নাগরিক কমিটি আয়োজিত ইন্দিরা গান্ধীর স্মরণ সভায় বক্তব্য রাখছেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক।

রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবে বাংলাদেশ সচেতন নাগরিক কমিটি আয়োজিত ইন্দিরা গান্ধীর স্মরণ সভায় বক্তব্য রাখছেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক।

মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক বলেছেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতার জন্য বহির্বিশ্বে জনমত গঠন করে ইন্দিরা গান্ধী অনবদ্য অবদান রেখেছিলেন। সেই অবদানের জন্য আমরা তাকে স্মরণীয় করে রাখতে পারিনি। তবে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে তার স্মরণে ইন্দিরা মঞ্চ তৈরি করা হবে।

শনিবার রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবে বাংলাদেশ সচেতন নাগরিক কমিটি আয়োজিত ইন্দিরা গান্ধীর স্মরণ সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, মাত্র ৯ মাসের মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে স্বাধীনতা অর্জনে ইন্দিরা গান্ধীর প্রচেষ্টা অনস্বীকার্য। যেই মহিয়সী নারী মহান স্বাধীনতায় এতো অবদান রাখলেন, তাকে আমরা সেভাবে স্মরণ করতে পারিনি। তার নামে কিছু করতে পারিনি, কোনো স্থাপনা বানাতে পারিনি। তবে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে বঙ্গবন্ধু মঞ্চের পাশেই আমরা ইন্দিরা মঞ্চ তৈরি করবো।

মোজাম্মেল হক বলেন, ভারতের কিছু ব্যক্তির বাধার মুখেও ইন্দিরা গান্ধী বাংলাদেশের স্বাধীনতার পক্ষে অবস্থান নেন। তিনি তাদের বলেছিলেন, আমি ন্যায়ের পক্ষে, জনগণের পক্ষে অবস্থান নিয়েছি। একইভাবে আমেরিকাতে একদল সাংবাদিক তাকে প্রশ্ন করলে জবাবে ইন্দিরা গান্ধী বলেন, আমি জনগণের পক্ষে, তাদের মুক্তির জন্য আমার অবস্থান।

মন্ত্রী বলেন, মুক্তিযুদ্ধের সময় ইন্দিরা গান্ধী ভারতের সব বর্ডার খুলে দিয়েছিলেন। এক কোটি মানুষকে আশ্রয়, খাদ্য সহায়তা দিয়েছিলেন। দুই লাখ মানুষকে প্রশিক্ষণ দিয়ে আমাদের মুক্তিযুদ্ধে সহযোগিতা করেছিলেন। অথচ এতো অবদানের পরও ইন্দিরা গান্ধীকে সেভাবে সম্মান দিতে পারিনি, তার সম্মানে কিছু করতে পারিনি।

স্মরণ সভায় আরো উপস্থিত ছিলেন জাতীয় প্রেসক্লাবের সভাপতি সাইফুল আলম, বিএসএমএমইউ’র সাবেক ভিসি ডা. কামরুল হাসান, সাবেক রাষ্ট্রদূত ও সংগঠনটির আহবায়ক নিম চন্দ ভৌমিক, বীর মুক্তিযোদ্ধা ড. ফজলে এলাহী প্রমুখ।

ডেইলি বাংলাদেশ/এমকেএ