ডিএসসিসিকে স্মার্ট সিটিতে রূপান্তরে ভারতের সহযোগিতার প্রস্তাব

ডিএসসিসিকে স্মার্ট সিটিতে রূপান্তরে ভারতের সহযোগিতার প্রস্তাব

নিজস্ব প্রতিবেদক ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

প্রকাশিত: ১৯:২৫ ২০ অক্টোবর ২০২০  

ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপসের সঙ্গে বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার বিক্রম কুমার দোরাইস্বামী

ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপসের সঙ্গে বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার বিক্রম কুমার দোরাইস্বামী

ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনকে স্মার্ট সিটিতে রূপান্তর করতে সহযোগিতার প্রস্তাব দিয়েছে বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার বিক্রম কুমার দোরাইস্বামী। 

মঙ্গলবার ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপসের সঙ্গে নগর ভবনে এক সৌজন্য সাক্ষাতে এ প্রস্তাব দেন।

স্মার্ট সিটি নিয়ে ভারতীয় হাইকমিশনারের প্রস্তাবের পরিপ্রেক্ষিতে মেয়র ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস একটি লিখিত প্রস্তাবনার অনুরোধ করেন।  প্রত্যুত্তরে ভারতীয় হাইকমিশনার দ্রুততম সময়ের মধ্যে প্রস্তাবনা পাঠানো হবে বলে জানান।

এ সময় বৈঠকে মশক নিয়ন্ত্রণ, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কার্যক্রমসহ মৌলিক সেবা কার্যক্রমের দৃশ্যমান পরিবর্তন হওয়ায় মেয়র তাপসকে অভিনন্দন জানান বিক্রম কুমার দোরাইস্বামী।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব ঢাকা ম্যারাথন ২০২১ আয়োজনে ভারতীয় অ্যাথলেটদের অংশগ্রহণের জন্য ভারতীয় হাইকমিশনারের সহযোগিতা চেয়ে ডিএসসিসি মেয়র ব্যারিস্টার শেখ তাপস এসময় বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানে জন্মশতবার্ষিকী ও স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তীকে উপলক্ষ করে আমরা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব ঢাকা ম্যারাথন ২০২১ আয়োজন করতে যাচ্ছি। সেই আয়োজনে ভারতীয় অ্যাথলেটদের দৃশ্যমান অংশগ্রহণের জন্য আপনার আন্ততরিক সহযোগিতা প্রত্যাশা করছি। সফল করতে সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস দেন ভারতের হাইকমিশনার। 

এ সময় মহামারি করোনার প্রভাব হ্রাস পেলে ডিএসসিসি মেয়রকে ভারত সফরের আমন্ত্রণ জানান এবং কলকাতা সিটি কর্পোরেশনসহ কয়েকটি সিটি কর্পোরেশন এলাকা সরেজমিনে প্রত্যক্ষ করে পারস্পরিক অভিজ্ঞতা বিনিময়ের প্রস্তাব দেন। করোনার প্রভাব শেষ হলে পারস্পরিক সুবিধাজনক সময়ে মেয়র তাপস ভারত সফর করবেন বলে আশ্বাস দেন।

এছাড়াও বৈঠকে ভারতীয় হাইকমিশনার নিরাপদ ডিজিটাল ব্যাংকিং, যানজট নিরসনে ট্রাফিক ব্যবস্থাপনার আধুনিকায়ন, সিএফএল বাল্বের পরিবর্তে এলইডি বাল্ব প্রতিস্থাপন এবং রাজস্ব সংগ্রহ ও আদায় বাড়াতে প্রযুক্তিনির্ভর সমাধান, দুই দেশের আইনজীবীদের নিয়ে একটি আইন বিষয়ক বইমেলা আয়োজন এবং প্রয়োজনে বাংলাদেশ ও ভারতের বিচারপতিরা বাংলাদেশ থেকে ভারতের এবং ভারত থেকে বাংলাদেশের হাইকোর্ট ও সুপ্রিম কোর্ট পরিদর্শনের মাধ্যমে পারস্পরিক অভিজ্ঞতা বিনিময়ে সহযোগিতা করারও প্রস্তাব দেন।

মুজিববর্ষ ও স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তীতে বাংলাদেশ দায়িত্ব পালন করতে পারাটাকে সৌভাগ্য বর্ণনা করে ভারতীয় হাইকমিশনার বলেন, ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের সময় ভারতীয় বিমান বাহিনীর সদস্য হিসেবে যৌথ বাহিনীর হয়ে তার পিতা বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধে অংশ নিয়েছিলেন।

বৈঠকে কর্পোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা এ বি এম আমিন উল্লাহ নুরী উপস্থিত ছিলেন।

ডেইলি বাংলাদেশ/এমআরকে