স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানে আইনের অসামঞ্জস্য দূর করতে কমিশন গঠন

স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানে আইনের অসামঞ্জস্য দূর করতে কমিশন গঠন

নিজস্ব প্রতিবেদক ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

প্রকাশিত: ২১:১৯ ১৭ অক্টোবর ২০২০   আপডেট: ২১:২০ ১৭ অক্টোবর ২০২০

ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

সিটি কর্পোরেশন, জেলা পরিষদ, উপজেলা পরিষদ, পৌরসভা এবং ইউনিয়ন পরিষদের পৃথক পৃথক আইনগুলোর মধ্যে অসামঞ্জস্য থাকায় সবগুলো আইনের সমন্বয় করতে একটি কমিশন গঠন করা হয়েছে।

শনিবার কুমিল্লা জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে এক সভায় এ তথ্য জানান স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম। কুমিল্লা জেলার জনপ্রতিনিধি, সরকারি-কর্মকর্তা, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান, উপজেলা নির্বাহী অফিসার, স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদফতর ও জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদফতরের কর্মকর্তাদের নিয়ে এ সভা হয়।

স্থানীয় সরকারমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে স্থানীয় সরকার বিভাগের অধীনে থাকা এই পাঁচটি প্রতিষ্ঠানের আইনগুলোকে সমন্বয় ও সংশোধন করে নতুন করে আইন প্রণয়ন করা হচ্ছে। স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোকে শক্তিশালী, যুগোপযোগী এবং জনকল্যাণমুখী করতে প্রয়োজনীয় আইন প্রণয়ন করায় এই কমিশনের লক্ষ্য।

তাজুল ইসলাম বলেন, দেশকে উন্নত-সমৃদ্ধ বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা বিনির্মাণে শুধু রাজধানী কিংবা বিভাগীয় শহর নয় জেলা-উপজেলা পর্যায়েও উন্নয়নের মাস্টার প্ল্যান তৈরি করা হচ্ছে।

তিনি বলেন, রূপকল্প-২০২১ এবং ২০৪১ সালের মধ্যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশকে উন্নত-সমৃদ্ধ করতে যে নকশা প্রণয়ন করেছেন তা বাস্তবায়ন করতে জনপ্রতিনিধি, সরকারি কর্মকর্তাদের নিবিড় সম্পর্ক বজায় রেখে কাজ করতে হবে।

কুমিল্লা শহরে সুপেয় পানি সরবরাহ করার জন্য একটি ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট স্থাপন করা হচ্ছে উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, খুব শিগগিরই বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনে যাচ্ছে সরকার। এ সময় তিনি কুমিল্লা জেলায় বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্যে ইনসিনারেশন  প্ল্যান্ট স্থাপনের জন্য একটি প্রকল্প নিতে সংশ্লিষ্টদের প্রতি নির্দেশনা দেন।

কুমিল্লা শহরকে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন একটি দৃষ্টিনন্দন শহরে রূপান্তরিত করতে সবার সহযোগিতা কামনা করেন মন্ত্রী।

শহরের সব সুযোগ সুবিধা প্রত্যন্ত গ্রামাঞ্চলে পৌঁছে দিতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ‘আমার গ্রাম, আমার শহর’ ধারণা প্রবর্তন করেছেন জানিয়ে তাজুল ইসলাম বলেন, এটি বাস্তবায়িত হলে চিকিৎসা, শিক্ষাসহ আধুনিক সব সুবিধার জন্য শহরে আসতে হবে না। মানুষ সহজেই হাতের নাগালে এসব সুবিধা পাবে।

জেলা প্রশাসকের আবুল ফজলের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন- কুমিল্লা-৬ আসনের এমপি মুক্তিযোদ্ধা আ ক ম বাহাউদ্দিন বাহার।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন- স্থানীয় সরকার বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, পুলিশ সুপার, কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনের মেয়র, জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান।

এর আগে, কুমিল্লা ক্লাব প্রাঙ্গণে মুক্তিযোদ্ধা সংসদ সন্তান কমান্ড আয়োজিত মুক্তিযোদ্ধার কৃতি সন্তানদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে যোগ দেন মন্ত্রী।

অনুষ্ঠানে দেয়া বক্তব্যে স্বাধীনতার ঘোষণা নিয়ে বিতর্কের প্রসঙ্গ তুলে মন্ত্রী বলেন, কাউকে ডেকে এনে বেতার-টেলিভিশনে ঘোষণা দেয়ালেই স্বাধীনতার ঘোষক বলা যায় না।

ডেইলি বাংলাদেশ/এমআরকে