দ্বিতীয় দফায় করোনার সংক্রমণ: আসছে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত

দ্বিতীয় দফায় করোনার সংক্রমণ: আসছে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত

শাহাদাত হোসেন রাকিব ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

প্রকাশিত: ০৯:৫২ ২২ সেপ্টেম্বর ২০২০  

গ্রাফিক্স: ডেইলি বাংলাদেশ

গ্রাফিক্স: ডেইলি বাংলাদেশ

বিশ্বের বিভিন্ন দেশে দ্বিতীয় দফায় করোনাভাইরাসের সংক্রমণ দেখা যাচ্ছে। এ প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশেও পুনরায় সংক্রমণের আশঙ্কা রয়েছে। এ বিষয়টি মাথায় রেখে আজ মঙ্গলবার অনুষ্ঠিত হবে আন্তঃমন্ত্রণালয় সভা। এতে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত আসতে পারে।

জানা গেছে, দ্বিতীয় দফায় অক্টোবরের শেষে ও নভেম্বরে সংক্রমণের আশঙ্কা করছে সরকার। তাই বিদ্যমান অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে প্রস্তুতির নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। 

বিষয়টি নিয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, অনেক দেশেই বিশেষত শীতপ্রধান দেশে দ্বিতীয় দফায় সংক্রমণ হচ্ছে। এ বিষয়ে যেন আমাদের প্রস্তুতি নেয়া থাকে, এজন্য মঙ্গলবার আন্তঃমন্ত্রণালয় সভার আহ্বান করেছি।

সূত্রমতে, দ্বিতীয় দফায় সংক্রমণ হলে কি কি ব্যবস্থা নেয়া হবে, সে বিষয়ে এ সভায় সিদ্ধান্ত নেয়া হবে। আর সংক্রমণের হার মাত্রাতিরিক্ত হলে আবারও লকডাউন বাস্তবায়ন করা হবে কি না, সে বিষয় নিয়েও আলোচনা হবে।  

মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, দ্বিতীয় দফায় সংক্রমণ হলে এর মাত্রা কেমন হবে আমরা তো জানি না। তবে আমাদের প্রস্তুতি (লকডাউনের ব্যাপারে) রাখতে হবে।

এর আগে কোভিড-১৯ জাতীয় কারিগরি পরামর্শক কমিটির এক বিবৃতিতে জানানো হয়, বিভিন্ন দেশে দ্বিতীয় দফায় সংক্রমণ দেখা যাচ্ছে। আমাদের দেশেও পুনরায় সংক্রমণের আশঙ্কা রয়েছে। দ্বিতীয় দফায় সংক্রমণ প্রতিরোধের পাশাপাশি সংক্রমণ হলে স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে পূর্ণ প্রস্তুতি নিয়ে রাখার পরামর্শ দেয়া হয়। দ্বিতীয়বারের মতো সংক্রমণ প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণে এখনই করণীয় বিষয়ে রোডম্যাপ প্রস্তুত করে সেই মোতাবেক পূর্ণ প্রস্তুতি গ্রহণ করার পরামর্শ দেয়া হয়।

সরকারের পক্ষ থেকে কোভিড-১৯ হাসপাতালের অব্যবহৃত শয্যা সংখ্যা সংকোচনের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। জাতীয় পরামর্শক কমিটি মনে করে, এখনো আইসোলেশন কেন্দ্রের প্রয়োজন রয়েছে। সংকোচন করা হলেও যেন পুরোপুরি বন্ধ না করা হয় এবং প্রয়োজনে পুনরায় ব্যবহার করা যায় সেই প্রস্তুতি নিয়ে রাখার পরামর্শ দেয়া হয়।

পরামর্শক কমিটির মতে, করোনার টিকা উৎপাদনে সারাবিশ্ব সক্রিয় হলেও কার্যকর টিকার প্রাপ্যতা সময়সাপেক্ষ। জীবিকার স্বার্থে লকডাউন জারি রাখা সম্ভব না হওয়ায় জনসাধারণকে আরো সচেতন এবং স্বাস্থ্যবিধি মানার ক্ষেত্রে আরো সক্রিয় অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার জন্য সচেতনতামূলক কার্যক্রম জোরদার করতে হবে।

ডেইলি বাংলাদেশ/এসএইচআর/এমআরকে