বয়স অনুযায়ী কতটুকু ক্যালোরি খাওয়া জরুরি

বয়স অনুযায়ী কতটুকু ক্যালোরি খাওয়া জরুরি

লাইফস্টাইল ডেস্ক ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

প্রকাশিত: ১১:৪২ ১৭ জানুয়ারি ২০২২   আপডেট: ১৩:৪৪ ১৭ জানুয়ারি ২০২২

কম ক্যালোরি সমৃদ্ধ খাবার। ছবি: সংগৃহীত

কম ক্যালোরি সমৃদ্ধ খাবার। ছবি: সংগৃহীত

ক্যালোরি হলো শক্তির একক। খাদ্য এবং পানীয় থেকে প্রাপ্ত শক্তি যা শারীরিক ক্রিয়াকলাপে ব্যবহার করা হয় তাকে ক্যালোরি বলে। এক কথায়, আমরা গ্রহণকৃত খাবার থেকে যে পরিমাণ শক্তি পাই তাই ক্যালোরি। এই ক্যালোরির ভারসাম্য ঠিক না থাকলে শরীরে নানা রোগ দেখা দেয়।

ওজন বৃদ্ধির ভয়ে অনেকেই ক্যালোরি সমৃদ্ধ খাবার খাওয়া থেকে বিরত থাকেন। তাদের ধারণা ক্যালোরি মানেই ওজন বৃদ্ধি। কিন্তু এই ধারণাটি সম্পূর্ণই ভুল। চিকিৎসকরাও বলেন, এটি হলো আমাদের শক্তির উৎস। আমাদের শরীরের জন্য প্রয়োজনীয় শক্তির চেয়ে যদি বেশি নিয়ে নেই, তাহলে ওজন বাড়বে এবং যদি কম নেই তাহলে ওজন কমতে থাকবে। তাই বয়স অনুসারে প্রত্যেককেই ক্যালোরি গ্রহণ করতে হবে।

সাধারণত একজন প্রাপ্তবয়স্ক নারীর প্রতিদিন ১ হাজার ৬০০ থেকে ২ হাজার ৪০০ ক্যালোরি গ্রহণ করা উচিত আর পুরুষদের ২ হাজার থেকে ৩ হাজার ক্যালোরি। বাচ্চাদের প্রতিদিন প্রয়োজন ১ হাজার ক্যালোরি, ১৬-১৮ বছরের তরুণদের ৩ হাজার ২০০ ক্যালোরি ও বয়স ১৯-২৫ তরুণদের ২ হাজার থেকে ২ হাজার ২০০ ক্যালোরি প্রয়োজন।

সাধারণত যত বয়স বাড়তে থাকে ক্যালোরির প্রয়োজন তত কমতে থাকে কারণ বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে শরীরের মেটাবলিজম কমতে থাকে। চলুন তবে জেনে নেয়া যাক কোন খাবারগুলো খেলে পর্যাপ্ত ক্যালোরি পাওয়া যাবে-

আরো পড়ুন: প্রেমে কাছাকাছি আসতে প্রয়োজন দূরত্ব

প্রোটিনযুক্ত খাবার

মাংস, মাছ, বিনস-এ প্রোটিন প্রচুর পরিমাণে থাকে। বাদামও প্রোটিনের অনেক ভালো একটি উৎস। ওয়ালনাট, কাঠবাদাম, চিনাবাদাম কিছু উদাহারণ।

তেল

লো ফ্যাট জাতীয় তেল আমাদের প্রতিদিনকার খাবারের জন্য অনেক প্রয়োজন। ভোজ্য তেল হিসেবে রাইস ব্র্যান অয়েল, অলিভ অয়েল ব্যবহার করুন।

দুধ জাতীয় খাবার

এসব খাবার ভিটামিন ডি ও ক্যালসিয়াম-এর চাহিদা পূরণ করে। কিন্তু খেয়াল রাখতে হবে এতে ফ্যাটও আছে। তাই খেলেও অল্প পরিমাণ ও ফ্যাট ফ্রী দুধ, দই খাওয়া উচিত।

শাক-সবজি

শাক-সবজিতে থাকে প্রচুর পরিমাণ ভিটামিন আর মিনারেলস। প্রতিদিন খাবারের তালিকায় প্রচুর পরিমাণে সবুজ শাক-সবজি রাখা উচিত। যেমন- পালং শাক, ব্রোকলি, শিমের বিচি, বাঁধাকপি, ফুলকপি ইত্যাদি।

শস্য জাতীয় খাবার

এসব খাবারের তালিকায় রাখা উচিত হোল-গ্রেন খাবার। বিভিন্ন রকম সিরিয়াল, পাস্তা, ব্রাউন রাইস, ওটমিল, গমের আটা ইত্যাদি। সাদা আটা এড়িয়ে যাওয়াই ভালো, কারণ এতে নিউট্রিশনের পরিমাণ খুবই কম থাকে।

ফল

মৌসুমি ফলমূল খাবারের তালিকায় রাখা অনেক জরুরি। ফলে প্রাকৃতিকভাবেই চিনি থাকে যা আমাদের শরীরের চিনির চাহিদা মেটায়। যেসব খাবারে প্রক্রিয়াজাতকৃত চিনি থাকে, সেসব খাবার না খেয়ে ফল বা ফলের জুস খেতে পারেন।

ডেইলি বাংলাদেশ/এএ