ডিআইজি মিজানের জামিন বহাল

ডিআইজি মিজানের জামিন বহাল

নিজস্ব প্রতিবেদক ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

প্রকাশিত: ১৬:২৩ ১৮ এপ্রিল ২০২২   আপডেট: ২১:১৯ ১৮ এপ্রিল ২০২২

ফাইল ফটো

ফাইল ফটো

ঘুষ লেনদেনের মামলায় তিন বছরের কারাদণ্ডপ্রাপ্ত পুলিশের বরখাস্ত হওয়া উপ-মহাপরিদর্শক (ডিআইজি) মিজানুর রহমানের জামিন বহাল রাখা হয়েছে।

আপিল বিভাগের চেম্বার বিচারপতি এম. ইনায়েতুর রহিম সোমবার এ আদেশ দেন। এর আগে, ঘুষ লেনদেনের মামলায় মিজানুর রহমানের জামিন স্থগিত চেয়ে আবেদন করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

আদালতে দুদকের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট খুরশিদ আলম খান। আসামির পক্ষে ছিলেন ব্যারিস্টার মাহবুব শফিক।
গত ১৩ এপ্রিল ঘুষ লেনদেনের মামলায় তিন বছরের কারাদণ্ডপ্রাপ্ত ডিআইজি মিজানুর রহমানকে ২ মাসের জামিন দেন হাইকোর্ট। বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমানের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

আদালতে মিজানের পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার মাহবুব শফিক। দুদকের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী খুরশিদ আলম খান।

এর আগে, ৬ এপ্রিল ঘুষ লেনদেনের মামলায় তিন বছরের কারাদণ্ডপ্রাপ্ত মিজানুর রহমানের খালাস চেয়ে আপিল শুনানির জন্য গ্রহণ করেন হাইকোর্ট।

গত ৪ এপ্রিল নিম্ন আদালতের রায়ের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে আপিল দায়ের করেন মিজানুর রহমান। আপিলে তিনি তিন বছরের সাজা থেকে খালাস চেয়েছেন। 

গত ২৩ ফেব্রুয়ারি ঘুষ নেয়ার কারণে দুদকের দায়ের করা মামলায় দুদকের বরখাস্তকৃত পরিচালক খন্দকার এনামুল বাছিরকে আট বছর ও মিজানুর রহমানকে তিন বছর কারাদণ্ড দেন আদালত।  

ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৪ এর বিচারক শেখ নাজমুল আলম এ রায় দেন। এর মধ্যে ঘুষ লেনদেনের অভিযোগে মিজানকে দণ্ডবিধির ১৬১ ধারায় ও বাছিরকে দণ্ডবিধির ১৬৫(এ) ধারায় তিন বছর করে বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়। অপরদিকে মানি লন্ডারিং আইনের ৪ ধারায় বাছিরকে পাঁচ বছর কারাদণ্ড ও ৮০ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। 

৪০ লাখ টাকার ঘুষ কেলেঙ্কারির অভিযোগে ২০১৯ সালের ১৬ জুলাই দুদকের ঢাকা সমন্বিত জেলা কার্যালয়-১ এ দুদকের পরিচালক শেখ মো. ফানাফিল্লাহ বাদী হয়ে মামলাটি করেছিলেন। ২০২০ সালের ১৯ জানুয়ারি তাদের বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন দুদকের একই কর্মকর্তা।

২০১৯ সালের ৯ জুন একটি বেসরকারি টিভি চ্যানেলে প্রচারিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, ডিআইজি মিজানের বিরুদ্ধে পরিচালিত দুর্নীতির অনুসন্ধান থেকে দায়মুক্তি পেতে দুদক পরিচালক বাছিরকে ৪০ লাখ টাকা ঘুষ দিয়েছিলেন ডিআইজি মিজান। ঘুষ লেনদেন সংক্রান্ত কথোপকথন রেকর্ড করে ওই চ্যানেলকে দিয়েছিলেন মিজান। ডিআইজি মিজানও এ বিষয়ে নিজেই গণমাধ্যমে সাক্ষাৎকার দেন। অবৈধ সম্পদ অর্জনের মামলা থেকে বাঁচতে ওই অর্থ ঘুষ দেন বলে ডিআইজি মিজান দাবি করেন।

এ প্রতিবেদন প্রচারিত হওয়ার পর দুদক সংস্থার সচিব মুহাম্মদ দিলোয়ার বখতকে প্রধান করে তিন সদস্যের উচ্চ পর্যায়ের তদন্ত কমিটি গঠন করে। কমিটি ২০১৯ সালের ১০ জুন প্রতিবেদন জমা দেয়। প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে পরিচালক বাছিরকে দুদকের তথ্য অবৈধভাবে পাচার, চাকরির শৃঙ্খলা ভঙ্গ ও সর্বোপরি অসদাচরণের অভিযোগে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করে কমিশন।

এরপর ২০১৯ সালের ১৬ জুলাই দুদক পরিচালক ও অনুসন্ধান টিমের দলনেতা শেখ মো. ফানাফিল্লাহ মানি লন্ডারিং আইনে সংস্থার ঢাকা-১ সমন্বিত জেলা কার্যালয়ে মামলাটি দায়ের করেন। একই বছর ২২ জুলাই এনামুল বাছিরকে গ্রেফতার করে দুদকের একটি দল। সেই থেকে তিনি কারাগারে।

অপরদিকে দুর্নীতির মামলায় গ্রেফতার মিজানকে এ মামলায়ও গ্রেফতার করা হয়।

ডেইলি বাংলাদেশ/জেডআর


Bulletপ্রথম আট ঘণ্টায় ১৫ হাজার ২০০ গাড়ি চলাচল, টোল আদায় ৮২ লাখের বেশি Bulletপদ্মাসেতুতে হাঁটা-ছবি তোলায় নিষেধাজ্ঞা জারি Bulletবিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তিতে হচ্ছে ডোপ টেস্ট আইন: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী Bulletকমলো সয়াবিন তেলের দাম Bulletদেশে করোনায় আরো দুইজনের মৃত্যু, শনাক্তের হার ১৫.৬৬ Bulletপদ্মাসেতুতে যানবাহন থামানো, হাঁটাহাঁটি ও ছবি তোলায় নিষেধাজ্ঞা জারি Bulletদেশকে সমৃদ্ধির পথে নিয়ে যেতে তৈরি হও: নতুন প্রজন্মের প্রতি প্রধানমন্ত্রী Bulletদুই-একদিনের মধ্যে ভোজ্যতেলের দাম কমবে: বাণিজ্যসচিব Bulletপদ্মাসেতু নিয়ে ষড়যন্ত্র: জড়িতদের খুঁজতে রুল শুনবেন হাইকোর্ট Bulletপদ্মাসেতুতে যান চলাচল শুরু Bullet‘বয়ফ্রেন্ড লুপহোল’ বন্ধ রেখে বন্দুক নিয়ন্ত্রণ বিলে সই বাইডেনের Bulletদেশে করোনায় গত ২৪ ঘণ্টায় ৩ মৃত্যু, শনাক্ত ১২৮০ Bulletহজ পালনে সৌদিতে ৩৮৮৮৯ বাংলাদেশি