অবৈধ সম্পদ অর্জন: বিএনপি নেতা বাবরের বিরুদ্ধে রায় ১২ অক্টোবর

অবৈধ সম্পদ অর্জন: বিএনপি নেতা বাবরের বিরুদ্ধে রায় ১২ অক্টোবর

নিজস্ব প্রতিবেদক   ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

প্রকাশিত: ১৫:৫০ ৪ অক্টোবর ২০২১   আপডেট: ২০:০৭ ৪ অক্টোবর ২০২১

বিএনপি নেতা লুৎফুজ্জামান বাবর - ফাইল ছবি

বিএনপি নেতা লুৎফুজ্জামান বাবর - ফাইল ছবি

অবৈধ সম্পদ অর্জন এবং তথ্য গোপনের অভিযোগে দায়ের করা মামলায় একুশ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ও বিএনপি নেতা লুৎফুজ্জামান বাবরের বিরুদ্ধে রায়ের জন্য আগামী ১২ অক্টোবর দিন ধার্য করেছেন আদালত। 

সোমবার ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৭ এর বিচারক মোহাম্মদ শহিদুল ইসলাম যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে এই দিন ধার্য করেন।

এদিন কারাগারে থাকা আসামি বাবরকে আদালতে হাজির করা হয়। এরপর আসামিপক্ষে তার আইনজীবী অবশিষ্ট যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করেন। তিনি এ সময় তাকে নির্দোষ দাবি করে খালাস দাবি করেন। এর আগে, রাষ্ট্রপক্ষ যুক্তিতর্ক উপস্থাপনে আসামি বাবরের সর্বোচ্চ শাস্তি দাবি করেন।

২০০৭ সালের ২৮ মে বিগত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময়ে যৌথবাহিনীর হাতে আটক হওয়া এ আসামির বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ অর্জন ও তথ্য গোপনের মামলাটি ২০০৮ সালের ১৩ জানুয়ারি রমনা থানায় দায়ের করা হয়। মামলাটি করেন সমন্বিত জেলা কার্যালয় চট্টগ্রাম-১ এর সহকারী পরিচালক মির্জা জাহিদুল আলম। তদন্ত শেষে ঐ বছরের ১৬ জুলাই দুদকের উপ-সহকারী পরিচালক রূপক কুমার সাহা অভিযোগপত্র দাখিল করেন।

অভিযোগপত্রে বাবরের বিরুদ্ধে ৭ কোটি ৫ লাখ ৯১ হাজার ৮৯৬ টাকার অবৈধ সম্পদ রাখার অভিযোগ করা হয়েছে। তিনি দুদকে ৬ কোটি ৭৭ লাখ ৩১ হাজার ৩১২ টাকার সম্পদের হিসাব দাখিল করেছিলেন। তার অবৈধ সম্পদের মধ্যে প্রাইম ব্যাংক এবং এইচএসবিসি ব্যাংক দুইটি এফডিআর-এ ৬ কোটি ৭৯ লাখ ৪৯ হাজার ২১৮ টাকা এবং বাড়ি নির্মাণ বাবদ ২৬ লাখ ৪২ হাজার ৬৭৮ টাকা গোপনের কথা উল্লেখ করা হয়। একই বছরের ১২ আগস্ট আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন আদালত।

মামলাটির বিচার চলাকালে আদালত অভিযোগ পত্রে উল্লেখিত নয় জন সাক্ষীর মধ্যে সাত জনের সাক্ষ্যগ্রহণ করেন। মামলাটি ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৭-এ সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে গত বছরের ১ মার্চ ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৪২ ধারায় পরীক্ষা করা হয়। আসামিপক্ষের আর্জি সাফাই সাক্ষী দেবেন না, তবে লিখিত বক্তব্য দেবেন বলে সময় নেন। লিখিত বক্তব্য না দিয়ে এভাবে পরপর তিন বার সময় নেন তারা। এরপর লুৎফুজ্জামান বাবরের পক্ষে আদালত পরিবর্তনের আবেদন করা হয়। হাইকোর্ট ১৪ অক্টোবর আবেদনটি সরাসরি খারিজ করেন এবং আদেশ হাতে পাওয়ার ৩০ দিনের মধ্যে মামলা নিষ্পত্তি করার নির্দেশ দেন।

ডেইলি বাংলাদেশ/টিআরএইচ/এইচএন