অস্ত্র মামলায় পিয়াসার সহযোগী মিশুর বিরুদ্ধে চার্জশিট

অস্ত্র মামলায় পিয়াসার সহযোগী মিশুর বিরুদ্ধে চার্জশিট

নিজস্ব প্রতিবেদক  ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

প্রকাশিত: ০৯:৩৬ ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২১   আপডেট: ০৯:৩৭ ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২১

ফাইল ছবি

ফাইল ছবি

রাজধানীর ভাটারা থানার অস্ত্র আইনের মামলায় আলোচিত মডেল পিয়াসার সহযোগী শরফুল হাসান ওরফে মিশু হাসানের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগ পত্র (চার্জশিট) দাখিল করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)।

গত সোমবার ঢাকা মহানগর হাকিম আদালতে এ অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়। বুধবার আদালতের ভাটারা থানার সাধারণ নিবন্ধন কর্মকর্তা রনপ কুমার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। 

এর আগে, র‌্যাব-১ এর অভিযানে ৩ আগস্ট রাতে রাজধানীর বসুন্ধরা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে শরফুল হাসান ওরফে মিশু হাসান (৩১) ও সহযোগী মাসুদুল ইসলাম ওরফে জিসানকে (৩৯) আটক করা হয়। এ সময় একটি আগ্নেয়াস্ত্র, ৬ রাউন্ড গোলাবারুদ, ১৩ হাজার ৩০০ ইয়াবা, একটি বিলাসবহুল ফেরারি মডেলের গাড়ি, সিসার সরঞ্জামাদি, ২টি ল্যাপটপ, মোবাইল, বিভিন্ন ব্যাংকের চেক ও এটিএম কার্ড, পাসপোর্ট এবং ভারতীয় জাল মুদ্রা ৪৯ হাজার ৫০০ রুপি উদ্ধার করা হয়।

এরপর গত ৫ আগস্ট ভাটারা থানার অস্ত্র আইনে, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে এবং পর্নোগ্রাফি আইনের পৃথক তিন মামলায় আসামি মিশু হাসানের ৩০ দিনের রিমান্ড আবেদন করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা। শুনানি শেষে অস্ত্র মামলায় পাঁচ দিন, মাদক মামলায় তিন দিন ও পর্নোগ্রাফি আইনে এক দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। রিমান্ড শেষে মিশু কারাগারে আটক রয়েছে। 

এদিকে, গত ১ আগস্ট রাত ১০টার দিকে ঢাকা মহানগর পুলিশের সাইবার ক্রাইম বিভাগ বারিধারার বাসা থেকে পিয়াসাকে আটক করে। এ সময় পিয়াসার ঘরের টেবিল থেকে চার প্যাকেট ইয়াবা, রান্নাঘরের ক্যাবিনেট থেকে ৯ বোতল বিদেশি মদ, ফ্রিজে একটি আইসক্রিমের বাক্স থেকে সিসা তৈরির কাঁচামাল এবং বেশ কয়েকটি ই-সিগারেট পাওয়া গেছে। এছাড়া পিয়াসার কাছ থেকে ৪টি স্মার্টফোন উদ্ধার করে পুলিশ।

এরপর গত ২ আগস্ট মডেল পিয়াসাকে ঢাকা মহানগর হাকিম আদালতে হাজির করা হয়। এরপর গুলশান থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের মামলার সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে তাকে দশদিনের রিমান্ডে নিয়ে আবেদন করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা পুলিশ পরিদর্শক মো. আলমগীর সিদ্দিক ৷ আদালত তার তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

গত ৬ আগস্ট গুলশান থানার রিমান্ড শেষে আসামি পিয়াসাকে ঢাকা মহানগর হাকিম আদালতে হাজির করা হয়। এরপর গুলশান থানার মামলায় দশ দিনের রিমান্ড আবেদন করে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা। এছাড়া ভাটারা থানার মামলায় গ্রেফতার দেখানোসহ দশ দিন এবং খিলক্ষেত থানায় গ্রেফতার দেখানোসহ সাতদিনের রিমান্ড আবেদন করে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা।

শুনানি আদালত গুলশান ও ভাটারা থানার পৃথক দুই  মামলায় তিনদিন করে মোট ছয়দিন এবং খিলক্ষেত থানার মামলায় দুইদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

ডেইলি বাংলাদেশ/আরএইচ