তিন মামলায় ৯ দিনের রিমান্ডে গোল্ডেন মনির

অস্ত্র ও বিশেষ ক্ষমতা আইনের মামলা

তিন মামলায় ৯ দিনের রিমান্ডে গোল্ডেন মনির

নিজস্ব প্রতিবেদক ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

প্রকাশিত: ১৬:১৬ ৩ ডিসেম্বর ২০২০   আপডেট: ১৬:৩৮ ৩ ডিসেম্বর ২০২০

ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

মাদক ও অস্ত্রসহ তিন মামলায় মো. মনির হোসেন ওরফে গোল্ডেন মনিরের ৯ দিনের রিমান্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত। 

রোববার ঢাকার দুই মহানগর হাকিম আদালত এই আদেশ দেন। 

এদিন আসামি গোল্ডেন মনিরকে ১৮ দিনের রিমান্ড শেষে আদালতে হাজির করা হয়। এরপর অস্ত্র ও বিশেষ ক্ষমতা আইনের মামলার তদন্ত কর্মকর্তা বাড্ডা থানার ইন্সপেক্টর মোহাম্মদ ইয়াসীন মিয়া দুই মামলায় ১০ দিন করে ২০ দিন রিমান্ডের আবেদন করেন। এসময় আসামি পক্ষের আইনজীবী রিমান্ড বাতিল চেয়ে শুনানি করেন। অন্যদিকে রাষ্ট্রপক্ষ রিমান্ডের পক্ষে শুনানি করেন। 

উভয় পক্ষের শুনানি শেষে ঢাকা মহানগর হাকিম মো. মইনুল ইসলামের আদালত দুই মামলায় ৩ দিন করে মোট ছয়দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। তবে দুই মামলার রিমান্ড একই সঙ্গে চলবে। 

অন্যদিকে মাদক মামলার তদন্ত কর্মকর্তা বাড্ডা থানার এসআই জানে আলম দুলাল আসামি মনিরকে পাঁচ দিনের রিমান্ড আবেদন করেন। এসময় আসামি পক্ষের আইনজীবী রিমান্ড বাতিল চেয়ে শুনানি করেন। অন্যদিকে রাষ্ট্রপক্ষ রিমান্ডের পক্ষে শুনানি করেন। উভয় পক্ষের শুনানি শেষে ঢাকা মহানগর মো. মামুনুর রশিদের আদালত তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। 

এর আগে গত ২২ নভেম্বর ঢাকার অতিরিক্ত চীফ মহানগর হাকিম আবু বক্কর ছিদ্দিকের আদালত অস্ত্র ও বিশেষ ক্ষমতা আইনের মামলা সাত দিন করে ১৪ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। তবে এই রিমান্ড একইসঙ্গে কার্যকর করার নির্দেশ দেন আদালত। একই দিন ঢাকার মহানগর হাকিম মাসুদ উর রহমানের আদালত মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের মামলায় গোল্ডেন মনিরের আরো চার দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। গত ২২ নভেম্বর সকালে রাজধানীর বাড্ডা থানায় র‍্যাব বাদী হয়ে গোল্ডেন মনিরের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, অস্ত্র ও বিশেষ ক্ষমতা আইনে এই তিনটি মামলা দায়ের করে। 

গোল্ডেন মনিরকে গ্রেফতারের পর তার হেফাজত থেকে একটি বিদেশি পিস্তল, কয়েক রাউন্ড গুলি, বিদেশি মদ এবং প্রায় ১০টি দেশের বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা যা প্রায় বাংলাদেশি টাকায় ৯ লাখ টাকা উদ্ধার করা হয়। তার বাসা থেকে আট কেজি স্বর্ণ ও নগদ এক কোটি নয় লাখ টাকা জব্দ করা হয়েছে।

এদিকে মনিরের তিন মামলার এজাহার আদালতে পৌঁছালে ঢাকার অতিরক্ত মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক আবুবকর ছিদ্দিক বিশেষ ক্ষমতা আইনে মামলাটি ২৯ ডিসেম্বর ও অস্ত্র আইনে মামলাটি ১৩ ডিসেম্বর তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেন। একই সঙ্গে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলাটি ঢাকা মহানগর হাকিম ম্যাজিস্ট্রেট মাসুদ উর রহমান আগামী ২১ ডিসেম্বর তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিল নির্দেশ দেন।

ডেইলি বাংলাদেশ/টিআরএইচ