উত্তরপ্রদেশে দুই মন্ত্রীর সফর ঘিরে সংঘর্ষ, নিহত ৮

উত্তরপ্রদেশে দুই মন্ত্রীর সফর ঘিরে সংঘর্ষ, নিহত ৮

আন্তর্জাতিক ডেস্ক ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

প্রকাশিত: ১৬:০৭ ৪ অক্টোবর ২০২১   আপডেট: ১৬:০৭ ৪ অক্টোবর ২০২১

ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

ভারতের উত্তরপ্রদেশে দুই মন্ত্রীর সফর ঘিরে ছড়িয়ে পড়া সংঘর্ষে ৮ জন নিহত হয়েছেন। রোববারের এই সংঘর্ষে নিহতদের মধ্যে ৪ জনই কৃষক। সোমবার এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যমগুলো বলছে, রোববার উত্তরপ্রদেশের উপমুখ্যমন্ত্রী কেশবপ্রসাদ মৌর্য ও কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী অজয় মিশ্রর সফরকে কেন্দ্র করে রাজ্যটির লখিমপুর খেরিতে প্রতিবাদ-বিক্ষোভের আয়োজন করা হয়। সেই বিক্ষোভে হাজার হাজার কৃষক জড়ো হয়েছিলেন। সেখানেই অজয় মিশ্রর ছেলে আশিস গাড়ি চাপা দিয়ে বিক্ষোভরত কৃষকদের হত্যা করেন বলে অভিযোগ উঠেছে।

সংযুক্ত কৃষক মোর্চার পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, গাড়ি চাপার ঘটনায় চার জনের মৃত্যু হয়েছে। এমনকি মন্ত্রী-পুত্র গুলি করে এক কৃষককে হত্যা করেছেন বলেও অভিযোগ উঠেছে।

অন্যদিকে লখিমপুর খেরির অতিরিক্ত পুলিশ সুপারকে উদ্ধৃত করে সংবাদমাধ্যমগুলো বলছে, সংঘর্ষে মোট আট জন নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে কৃষকরাও রয়েছেন। এর মধ্যে দু’জনের মৃত্যু হয়েছে মন্ত্রীর কনভয়ের গাড়িতে চাপা পড়ে। সেই গাড়িতে মন্ত্রী-পুত্র ছিলেন। যদিও বাকিদের কী ভাবে মৃত্যু হয়েছে তা স্পষ্ট নয়।

বেশ কয়েকটি রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে, একটি গাড়ি বিক্ষোভরত কৃষকদের ধাক্কা দিতেই উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। এরপর দুইটি গাড়িতে কৃষকরা আগুন লাগিয়ে দেয়। দাবি করা হয়েছে, যারা গাড়িতে ছিল তাদের মধ্যে চারজনের মৃত্যু হয়েছে। নিহতদের বাকি চার জন কৃষক।

প্রতিবাদরত কৃষকরা মন্ত্রীর গাড়িবহরের দুটি গাড়িকে জোর করে থামায় ও তাতে আগুন ধরিয়ে দেয়। এমনকি গাড়ির যাত্রীদের মারধর করা হয় বলেও অভিযোগ উঠেছে।

এদিকে রোববারের এই ঘটনার সঙ্গে নিজের ছেলের জড়িত থাকার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন ভারতের কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অজয় কুমার মিশ্র। তিনি জানিয়েছেন, তার ছেলে ঘটনাস্থলে ছিল না।

এএনআইয়ের প্রতিবেদন অনুযায়ী, অজয় মিশ্র দাবি করেছেন, আমার ছেলে ঘটনাস্থলে ছিল না। দুষ্কৃতিকারীরা লাঠি নিয়ে আক্রমণ করেছে। আমার ছেলে সেখানে থাকলে, জীবিত ফিরে আসতে পারতো না।

কৃষক মোর্চার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, রোববার নিহত চার কৃষকদের বয়স যথাক্রমে ৬০, ৩৫, ১৯ ও ২০ বছর। 

ডেইলি বাংলাদেশ/আরএএইচ