ইসরায়েলকে আকাশসীমা ব্যবহারের অনুমতি দিল সৌদি

ইসরায়েলকে আকাশসীমা ব্যবহারের অনুমতি দিল সৌদি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

প্রকাশিত: ১৬:০৬ ১ ডিসেম্বর ২০২০  

ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

সাম্প্রতিক সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় বেশকিছু আরব দেশের সঙ্গে বন্ধুত্ব করার পথে হাঁটছে মধ্যপ্রাচ্যের ইহুদিবাদী দখলদার রাষ্ট্র ইসরায়েল। এরইমধ্যে অনেক দেশের সঙ্গে ইসরায়েলের চুক্তিও হয়েছে। এবার তারই ধারাবাহিকতায় ইহুদি রাষ্ট্রটিকে নিজেদের আকাশসীমা ব্যবহারের অনুমতি দিয়েছে সৌদি আরব। ফলে এখন থেকে সংযুক্ত আরব আমিরাতগামী ইসরায়েলের বিভিন্ন এয়ারলাইন্সের বিমানগুলো সহজে সৌদির আকাশপথ ব্যবহার করতে পারবে।

সংবাদ সংস্থা রয়টার্স এবং ইসরায়েলের বিভিন্ন মিডিয়ার খবরে বলা হয়, সদ্য বিদায়ী মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের জামাতা ও হোয়াইট হাউসের শীর্ষ উপদেষ্টা জেয়ার্ড কুশনারের সঙ্গে সৌদি কর্মকর্তাদের বৈঠকের পর ইসরায়েলি বিমান চলাচলে আকাশপথ ব্যবহারের বিষয়ে সম্মত হয় রিয়াদ।

ট্রাম্পের জামাতা কুশনার, যুক্তরাষ্ট্রে মধ্যপ্রাচ্যের বিশেষ দূত আভি বেরকোয়িতজ এবং মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের শীর্ষ উপদেষ্টা ব্রায়ান হুক সৌদি আরবে পৌঁছানোর পর কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকে প্রথমেই বিষয়টি তুলি ধরেন। সোমবার ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসনের এক কর্মকর্তা রয়টার্সকে বলেন, আমরা বিষয়টি মিটমাট করতে সক্ষম হয়েছি।

জেয়ার্ড কুশনার এবং তার একটি টিম সৌদি সফরের পর কাতারে যাবেন। তারা প্রতিবেশী উপসাগরীয় দেশগুলোর মধ্যকার দীর্ঘদিনের সংকট সমাধানে ওই দুই দেশের সঙ্গে আলোচনা করবেন। সাম্প্রতিক সময়ে নি

জেদের মধ্যে সম্পর্ক স্বাভাবিক করতে সংযুক্ত আরব আমিরাত, বাহরাইন এবং সুদানের সঙ্গে সাম্প্রতিক সময়ে ইসরায়েলের চুক্তি হয়েছে।

ডোনাল্ড ট্রাম্প বরাবরই এসব চুক্তির পেছনে নিজের সফলতাকে তুলে ধরেছেন। মার্কিন কর্মকর্তারা বলছেন, জো বাইডেন ক্ষমতা গ্রহণের আগেই এমন আরো কিছু চুক্তির ক্ষেত্রে আশানুরূপ ফলাফল দেখতে চান তারা। সে কারণেই এসব দেশের সঙ্গে কাজ করে যাচ্ছেন ট্রাম্পের জামাতা।

চলতি সপ্তাহের শেষে কুশনার এবং তার একটি টিম কাতারের আমির শেখ তামিম বিন হামাদ আল থানি এবং সৌদির ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমানের সঙ্গে সাক্ষাত করবেন বলে জানানো হয়েছে।

প্রায় তিন বছর ধরে কাতারের সঙ্গে সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, বাহরাইন এবং মিশর সব ধরনের সম্পর্ক ছিন্ন করেছে। উপসাগরীয় দেশগুলোর মধ্যকার এসব সংকট সমাধানকে কুশনারের এই সফরে সবচেয়ে গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে বলে মার্কিন কর্মকর্তারা নিশ্চিত করেছেন।

সন্ত্রাসবাদে সমর্থন ও ইরানের সঙ্গে সম্পর্ক বজায় রাখার অভিযোগে ২০১৭ সালে কাতারের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে চার আরব দেশ। যদিও সব ধরনের অভিযোগ প্রথম থেকেই অস্বীকার করে আসছে দোহা।

কাতারের অভিযোগ, এসব দেশ তাদের সার্বভৌমত্বে আঘাত হানার চেষ্টা করছে। সে সময় কাতারের সঙ্গে স্থল, জল ও আকাশসীমা বন্ধ করে দেয়া হয়। নিষেধাজ্ঞা উঠিয়ে নিতে দেশটির ওপর ১৩টি শর্ত বেধে দেয়া হয়।

ডেইলি বাংলাদেশ/আরএএইচ