অভিবাসীদের নতুন ক্যাম্পে সরিয়ে নিচ্ছে গ্রিস

অভিবাসীদের নতুন ক্যাম্পে সরিয়ে নিচ্ছে গ্রিস

আন্তর্জাতিক ডেস্ক ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

প্রকাশিত: ১৭:৫৪ ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২০  

ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

গ্রিসের লেসবস দ্বীপের মোরিয়া অভিবাসী ক্যাম্পে আগুন লেগে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ওই ক্যাম্পের অভিবাসীদের জন্য নতুন একটি আশ্রয়কেন্দ্র বানিয়েছে দেশটি। অভিবাসীদের পার্শ্ববর্তী ওই নতুন আশ্রয়কেন্দ্রে সরিয়ে নিতে শুরু করেছে দেশটির পুলিশ।

বৃহস্পতিবার দেশটির সরকারি কর্তৃপক্ষ এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

অস্থায়ী কারা টেপে আশ্রয়কেন্দ্রে নারী এবং শিশুদের নেয়ার জন্য দেশটির পুলিশের অন্তত ৭০ নারী সদস্য কাজ শুরু করেছেন। বৃহস্পতিবার ভোরের দিকে কারা টেপে ক্যাম্পে এক হাজার ৮০০ জনকে সরিয়ে নেয়া হয়েছে। মোরিয়া আশ্রয় কেন্দ্র অত্যধিক জনাকীর্ণ এবং নোংরা হওয়ায় অভিবাসীদের অনেকেই লেসবসে থাকতে চান না। ইউরোপের যেকোনো দেশে বিশেষ করে জার্মানিতে যেতে আগ্রহী তারা।

জানা গেছে, বুধবার চার আফগান অভিবাসীকে মোরিয়া ক্যাম্পে আগুন ধরিয়ে দেয়ার জন্য অভিযুক্ত করা হয়েছে।

গ্রিসের সবচেয়ে বর অভিবাসী ক্যাম্পে অগ্নিকাণ্ডের কারণে প্রায় ১২ হাজারের বেশি মানুষ রাস্তায় দিন কাটাচ্ছেন। ক্যাম্পের আশপাশে রাস্তায়, খোলা আকাশের নিচে বসবাসরত এই অভিবাসীরা প্রচণ্ড খাদ্য, পানীয় সংকটের মুখোমুখি হয়েছেন।

অস্থায়ী কারা টেপে ক্যাম্পে সরিয়ে নেয়ার আগে অভিবাসীদের করোনাভাইরাস পরীক্ষা করা হয়েছে বলে জানা গেছে। ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, পরীক্ষায় প্রায় ৫৬ জনের শরীরে করোনা শনাক্ত করা হয়েছে। করোনায় আক্রান্ত অভিবাসীদের আইসোলেশনে রাখার চেষ্টা করছে কর্তৃপক্ষ।

পুলিশের এক মুখপাত্র ফরাসি বার্তা সংস্থা এএফপিকে জানান, জনস্বাস্থ্য রক্ষা করাই এই অভিযানের মূল লক্ষ্য।

এর আগে, গত মাসে মোরিয়া ক্যাম্পের প্রায় ৩৫ জনের করোনা শনাক্ত হয়। পরে তাদের আইসোলেশনে রাখার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। করোনাভাইরাসের কারণে দেয়া নিয়ম ভাঙার জন্য প্রতিবাদ জানিয়ে আসছিলো এমন অভিবাসীদের মাধ্যমে এই আগুনের সূত্রপাত হতে পারে বলে ধারণা করছিলো কর্তৃপক্ষ।

ইনফো মাইগ্রেন্টের তথ্য অনুযায়ী, মোরিয়া ক্যাম্পে প্রায় ১৩ হাজার অভিবাসী ছিলেন। যা ক্যাম্পটির ধারণ ক্ষমতার থেকে প্রায় চারগুণ বেশি। ক্যাম্পের প্রায় ৭০ শতাংশ অভিবাসীই আফগানিস্তানের। তবে সেখানে ৭০টির বেশি দেশের মানুষের অবস্থান রয়েছে।

সূত্র- বিবিসি

ডেইলি বাংলাদেশ/এসএমএফ