১৩৯ বছরের পুরনো বাড়ি না ভেঙেই আস্ত সরানো হলো! (ভিডিও)

১৩৯ বছরের পুরনো বাড়ি না ভেঙেই আস্ত সরানো হলো! (ভিডিও)

মজার খবর ডেস্ক ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

প্রকাশিত: ১১:৫২ ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২১   আপডেট: ১১:৫৪ ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২১

ছবি: ১৩৯ বছরের পুরনো বাড়ি

ছবি: ১৩৯ বছরের পুরনো বাড়ি

কখনো দেখেছেন ব্যস্ত রাস্তায় ‘গুটিগুটি পায়ে’ এগিয়ে চলেছে একটা গোটা বাড়ি!শুনতে একটু অবাক লাগলেও ঘটনাটি সত্যি! তেমনটাই হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের সান ফ্রান্সিসকো শহরে। সেখানে ১৩৯ বছর বয়সী একটি বাড়ি রাস্তায় দেখা যায়। নিজের এলাকা ছেড়ে একেবারে নতুন তল্লাটের নতুন ঠিকানায় চলে গেল সবুজ রঙের একটা আস্ত বাড়ি!

আর এটা কোনো ম্যাজিক বা মায়াবিদ্যা নয়। এটি স্রেফ অধ্যবসায় এবং প্রযুক্তির কৌশল। সবুজ রঙের বাড়িটির নাম ইংল্যান্ডার হাউস। ১৩৯ বছর ধরে ঠিকানা ইংল্যান্ডার হাউস নামে এক বাড়ির। বাড়িটিতে রয়েছে ৬টি শোয়ার ঘর এবং তিনটি গোসলখানা। বাড়িটির ঐতিহাসিক গুরুত্বও আছে। অবশেষে গত রোববার (২১ ফেব্রুয়ারি ২০২১) সকালে সবুজ রঙের ৮০ ফুট দৈর্ঘ্যের বাড়িটি অক্ষত অবস্থায় সরানো হলো।

এই বাড়ি সরানোর প্রস্তুতিতে একদিন-দুইদিন নয় দীর্ঘ ৮ বছর লেগেছে। এই ইংল্যান্ডার হাউস সরানোর কারিগর প্রবীণ বিশেষজ্ঞ ফিল জয়। এই বাড়িটি সরিয়ে নিতে গিয়ে রাস্তার দুই পাশের গাছের ডাল ছেঁটে দেয়ার পাশাপাশি পার্কিংয়ের জায়গা খালি করে রাস্তা চওড়া করা, এমনকি বিদ্যুতের তারও সরিয়ে ফেলা হয়। যে রাস্তা দিয়ে নিয়ে যাওয়া হয় বাড়িটিকে, সেটি ছিল একমুখী। এই পথ ধরে বাড়িটিকে নতুন ঠিকানায় পৌঁছে দেয়া হয় ৮০৭ নম্বর ফ্র্যাঙ্কলিন স্ট্রিট থেকে ৬৩৫ ফুলটন স্ট্রিটেতে।

সান ফ্রান্সিসকো শহরের এক রাস্তায় বাড়িটি সরানোর দৃশ্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মুহূর্তের মধ্যে ভাইরাল হয়ে যায়।
হাইড্রোলিক ডলিতে তুলে ধীরগতিতে বাড়িটি ফ্র্যাঙ্কলিন স্ট্রিট থেকে ৭ ব্লক দূরে ফুলটনে নিয়ে যাওয়া হয়। রিমোট কন্ট্রোলের সাহায্যে বাড়িসহ ডলিগুলোকে প্রতি ঘণ্টায় এক মাইল গতিতে নিয়ে যাওয়া হয়। আস্ত একটি বাড়ির এমন যাত্রা দেখে রাস্তায় দুপাশে মানুষ দাঁড়িয়ে আছেন। আবার কেউ মোবাইলে সেই বিরল দৃশ্য রেকর্ড করেন।

 

6-bedroom, 3-bath Victorian - approximately 80 feet in length. 139-years-old built w/ tight grain & lumber from 800-year-old trees. She’s moving 6 blocks from Franklin to Fulton down a one-way street the opposite direction.

The terrestrial equivalent of the Mars rover landing! pic.twitter.com/OjJ8FhZzoB

— Anthony Venida (@AnthonyVenida) February 21, 2021

 

 

ডেইলি বাংলাদেশ/এসএ