অফিসিয়াল ও আনঅফিসিয়াল ফোনের পার্থক্য

অফিসিয়াল ও আনঅফিসিয়াল ফোনের পার্থক্য

তথ্যপ্রযুক্তি ডেস্ক ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

প্রকাশিত: ১৯:৫৬ ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২০  

অফিসিয়াল ও আনঅফিসিয়াল ফোনে ছেয়ে গেছে বাজার। ছবি: সংগৃহীত

অফিসিয়াল ও আনঅফিসিয়াল ফোনে ছেয়ে গেছে বাজার। ছবি: সংগৃহীত

স্মার্টফোন কেনার কথা বললেই দু’টি বিষয় সামনে আসে—অফিসিয়াল না আনঅফিসিয়াল? তখন সে ক্ষেত্রে দ্বিধার মধ্যে পড়তে হয়। এ দ্বিধার সবচেয়ে বড় কারণ হলো, ফোনের বাজার মূল্য। সবসময়ই আনঅফিসিয়াল ফোনের দাম তুলনামূলকভাবে কম থাকে। এ বিষয়ে যদি ধারণা না থাকে তাহলে ঠকার সম্ভাবনাও বেড়ে যায়।

বাংলাদেশের স্মার্টফোন বাজার বর্তমানে দেশি-বিদেশি কোম্পানিতে ছেয়ে গেছে। বিভিন্ন দেশ থেকে অসংখ্য কোম্পানির নিয়ে আসছে তাদের অসংখ্য নতুন মডেলের স্মার্টফোন। কিন্তু এর মধ্যে কিছু স্মার্টফোন রয়েছে, যেগুলো সরকারকে কর দিয়ে তারপর দেশে প্রবেশ করে। এসব ফোনের আইএমইআই নম্বর সরকারের ডাটাবেজে সংরক্ষিত থাতে। অদূর ভবিষ্যতে যদি আপনার স্মার্টফোনে নিয়ে কোনো সমস্যা সৃষ্টি হয় তাহলে এ ক্ষেত্রে বিভিন্ন ধরনের সুযোগ-সুবিধা পাওয়া যায়।

এদিকে আনঅফিসিয়াল ফোন হলো সরকারকে কর ফাঁকি দিয়ে যেসব ফোন দেশে প্রবেশ করে। ফলে সেগুলোর আইএমইআই নম্বর সরকারি ডাটাবেজে সংরক্ষিত থাকে না। অদূর ভবিষ্যতে এ ধরনের ফোন ক্রয় করলে আপনি সমস্যার সম্মুখীনও হতে পারেন।

আপনার ডিভাইসের ওয়ারেন্টির মেয়াদ থাকাকালীন সময়ে ফোন সার্ভিসিং করাতে আলাদাভাবে কোনো চার্জ দিতে হয় না। তবে আনঅফিসিয়াল ফোনের ক্ষেত্রে আপনি এই সুবিধা পাবেন না। এছাড়া আনঅফিসিয়াল ফোন হারিয়ে গেলে সে ফোনটি খুঁজে বের করতে বেশ বেগ পেতে হবে।

তবে অফিশিয়াল এবং আনঅফিসিয়াল ফোনের মাধ্যমে আসল বা নকল বিবেচনা করা যায় না। আনঅফিসিয়াল ফোনগুলো ব্র্যান্ডেড ফোন হতে পারে; তবে সেগুলো স্বভাবতই সরকারকে কর ফাঁকি দিয়ে দেশে প্রবেশ করে। সরকারকে কর দিতে হচ্ছে না বলেই এসব ডিভাইস এক থেকে তিন হাজার টাকা ছাড়ে পাওয়া যায়। একজন সচেতন নাগরিক হিসেবে এসব পণ্য কেনা উচিত নয়।

ডেইলি বাংলাদেশ/এনকে