৮ বছর বয়স থেকে ইংরেজি শিখিয়ে যাচ্ছে উম্মে মাইসুন

৮ বছর বয়স থেকে ইংরেজি শিখিয়ে যাচ্ছে উম্মে মাইসুন

ফিচার প্রতিবেদক ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

প্রকাশিত: ১৩:০২ ২৪ জুলাই ২০২১  

উম্মে মাইসুন

উম্মে মাইসুন

বাংলাদেশের বেশিরভাগ শিক্ষার্থীরই ইংরেজিতে দুর্বলতা রয়েছে। তবে এই দুর্বলতাকে জয় করে মাত্র ১১ বছর বয়সে ইংরেজিতে অসামান্য দক্ষতা অর্জন করেছে চট্টগ্রামের মেয়ে উম্মে মাইসুন। নিজে শিখে এখন অন্যদেরও শেখাচ্ছে সে। অনলাইনে রবি টেন মিনিট স্কুল দিয়ে যাত্রা শুরু করা মাইসুন মাত্র আট বছর বয়স থেকে ইংরেজি শেখায়।

মাত্র ১১ বছর বয়সেই সফলতার সঙ্গে ইংরেজি শেখানোর কাজটি করে যাচ্ছে মাইসুন। কোনো প্রাতিষ্ঠানিক স্কুলে নয়, ইউটিউব চ্যানেলে ইংরেজি শেখায় সে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুক ও ইউটিউবে মাইসুন রীতিমতো তারকা। তার চ্যানেলের ভিউয়ার্স প্রায় তিন লাখ। দেশ ছাড়িয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও প্রতিভার সাক্ষর রাখছে সে।

বর্তমানে মাইসুন ওয়ার্ল্ডের সাবস্ক্রাইবার প্রায় তিন লাখ। অবাক করা বিষয় হলো, সে কোনো ইংলিশ মিডিয়ামের ছাত্রী না। চট্টগ্রাম মহিলা সমিতি বালিকা বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণিতে পড়ে। নিজ চেষ্টাতেই এই দক্ষতা অর্জন করেছে সে।

উম্মে মাইসুন বলে, ইংরেজি শেখা কঠিন কোনো বিষয় নয়। নিয়মিত ইংরেজি পত্রিকা, সাময়িকী বা গল্প পড়লে, সিনেমা ও কার্টুন দেখলে ইংরেজি আয়ত্ত করা সহজ। ইউটিউবে ইংরেজি শেখার বেশ কিছু ভিডিও রয়েছে। এসব ভিডিও দেখলে ইংরেজি শেখার প্রাথমিক ধারণা পাওয়া যায়। চর্চা করলে সহজে যে কেউ ইংরেজি আয়ত্ত করতে পারবে।

মাইসুনের বাবা আশরাফ উল্লাহ রুবেল বলেন, মাইসুনের ইংরেজি শেখার কনটেন্টগুলো খুবই জনপ্রিয় ফেসবুক ও ইউটিউবে। একেকটা কনটেন্ট পাঁচ থেকে ছয় লাখ পর্যন্ত ভিউও হয়েছে।

২০২০ সালের জুন মাসে ফেসবুক পেজে মাইসুনের প্রথম ভিডিও প্রকাশ হয়। সেটা রাতারাতি মিলিয়ন ভিউ হয়ে ভাইরাল হয়ে যায়। এরপর থেকে ইংরেজিতে কথোপকথনের সহজ উপায়, ইংরেজি শব্দের ব্যবহার, বাক্যগঠনসহ বিভিন্ন বিষয়ে ভিডিও আপলোড করে মাইসুন।

মাইসুন আরো বলেন, ইংরেজি শেখার জন্য ইংরেজি মিডিয়াম বা বাংলা মিডিয়াম কোনো মেন্ডেটরি নয়। আমাদের একটা ইচ্ছা এবং কনফিডেন্স থাকতে হবে। তাহলে ইংরেজি শেখা আমাদের জন্য সহজ হবে।

আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও প্রতিভার সাক্ষর রাখছে মাইসুন। বিশ্ব বদলে দেয়া প্রতিভাবান শিশুদের নিয়ে ‘অ্যাওয়ার্নেস ৩৬০’ এর আন্তর্জাতিক সেমিনারে ক্ষুদে জাদুকর হিসেবে বাংলাদেশ থেকে প্রতিনিধিত্ব করে মাইসুন। মাইসুন বড় হয়ে বিজ্ঞানী হতে চায়।

মাইসুনের ভিডিওগুলো জনপ্রিয় হওয়ায় দেশি-বিদেশি কোম্পানি থেকে বিজ্ঞাপন পায় তার চ্যানেল। ছোট্ট বয়সে ইউটিউব থেকে ভালো আয় করে সে। মাইসুন তার অনন্য প্রতিভার গুনে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে খ্যাতি অর্জন করবে এটাই সবার প্রত্যাশা।

ডেইলি বাংলাদেশ/জেএইচএফ