ওমিক্রনের নতুন সাবভ্যারিয়েন্ট শনাক্ত

ওমিক্রনের নতুন সাবভ্যারিয়েন্ট শনাক্ত

যবিপ্রবি প্রতিনিধি  ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

প্রকাশিত: ১৬:৪৬ ২১ জুন ২০২২   আপডেট: ১৬:৫৫ ২১ জুন ২০২২

বিশ্ববিদ্যালয়ের জিনোম সেন্টার। ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

বিশ্ববিদ্যালয়ের জিনোম সেন্টার। ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) জিনোম সেন্টারে দুই বাংলাদেশির শরীরে ওমিক্রনের নতুন সাবভ্যারিয়েন্ট BA.4/5 শনাক্ত করা হয়েছে। 

মঙ্গলবার বিশ্ববিদ্যালয়ের জিনোম সেন্টারে একদল গবেষক যশোরের দুজন আক্রান্ত ব্যক্তির থেকে সংগৃহীত ভাইরাসের আংশিক (স্পাইক প্রোটিন) জিনোম সিকুয়েন্সের মাধ্যমে করোনার নতুন এই উপধরণটি শনাক্ত করে।

গবেষক দল জানায়, আক্রান্ত দুজনই পুরুষ। একজনের বয়স ৪৪ এবং আরেকজনের বয়স ৭৯ বছর। একজন করোনা ভ্যাকসিনের বুস্টার ডোজ এবং অপরজন দুই ডোজ ভ্যাকসিন নিয়েছেন। একজন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন এবং আরেকজন বাসায় চিকিৎসা নিচ্ছেন। আক্রান্তদের শরীরে জ্বর, গলাব্যথা, সর্দি-কাশিসহ বিভিন্ন মৃদু উপসর্গ রয়েছে। উভয়েই স্থানীয়ভাবে সংক্রমিত হয়েছেন বলে গবেষকরা ধারণা করছেন।

গবেষক দলটি আরো জানায়, BA.4/5 সাবভ্যারিয়েন্টে স্পাইক প্রোটিনে ওমিক্রনের মতোই মিউটেশন দেখা যায়। তবে তার সঙ্গে এই সাবভ্যারিয়েন্টে ডেল্টা ভ্যারিয়েন্টের মতো স্পাইক প্রোটিনের ৪৫২ নম্বর অ্যামাইনো অ্যাসিডে মিউটেশন থাকে। এছাড়াও এই সাবভ্যারিয়েন্টে স্পাইক প্রোটিনের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ ৪৮৬ নম্বর অ্যামাইনো অ্যাসিডেও মিউটেশন দেখা যায়। 

ওমিক্রনের এই দুটি সাবভ্যারিয়েন্ট জানুয়ারি এবং ফেব্রুয়ারি মাসে দক্ষিণ আফ্রিকায় প্রথম শনাক্ত হয়েছে। 

গত মে মাসের শেষের দিকে দক্ষিণ ভারতে এই সাবভ্যারিয়েন্ট শনাক্ত হয়। এই উপধরণটি দক্ষিণ আফ্রিকায় করোনা সংক্রমণের পঞ্চম ঢেউ এবং সাম্প্রতিককালে ভারতে করোনার তৃতীয় ঢেউ এর জন্য দায়ী বলে বিজ্ঞানীরা মনে করছেন। ভ্যাকসিন নেওয়া ব্যক্তিরাও এই সাবভ্যারিয়েন্ট দ্বারা আক্রান্ত হচ্ছেন। আগামী দিনে এই সাবভ্যারিয়েন্ট বর্তমানে সংক্রমণশীল অন্যান্য সাবভ্যারিয়েন্টের তুলনায় বেশি সংক্রমণ ঘটাতে পারে বিজ্ঞানীরা মনে করছেন।

করোনার এই নতুন সাবভ্যারিয়েন্ট শনাক্তের বিষয়ে যবিপ্রবির উপাচার্য ও জেনোম সেন্টারের পরিচালক অধ্যাপক ড. মো. আনোয়ার হোসেন বলেন, এই সাবভ্যারিয়েন্টটি মানুষের রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থাকে সহজেই ফাঁকি দিতে সক্ষম। এ জন্য মাস্ক ব্যবহারসহ কঠোরভাবে করোনাকালীন স্বাস্থ্যবিধি মানার কোনো বিকল্প নেই। 

তিনি জানান, শিগগিরই পূর্ণাঙ্গ জিনোম সিকুয়েন্স করে এ বিষয়ে আরো তথ্য জানা সম্ভব হবে এবং এই সাবভ্যারিয়েন্ট শনাক্তকরনের কাজ জিনোম সেন্টারে অব্যাহত থাকবে। 

উল্লেখ্য যে, এরইপূর্বে জিনোম সেন্টারে করোনা ভাইরাসের ডেল্টা ও ওমিক্রন ভ্যারিয়েন্টের স্থানীয় সংক্রমনও শনাক্ত করা হয়।

যবিপ্রবির অণুজীববিজ্ঞান বিভাগের চেয়ারম্যান ও জিনোম সেন্টারের সহযোগী পরিচালক অধ্যাপক ড. ইকবাল কবীর জাহিদের নেতৃত্বে করেনার নতুন এই সাবভ্যারিয়েন্ট শনাক্তে গবেষক দলের অন্য সদস্যরা হলেন বায়োমেডিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের চেয়ারম্যান ড. হাসান মো. আল-ইমরান, পুষ্টি ও খাদ্য প্রযুক্তি বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. শিরিন নিগার, অণুজীববিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. তানভীর ইসলাম, ড. সেলিনা আক্তার, অণুজীববিজ্ঞান বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ড. অভিনু কিবরিয়া ইসলাম, শোভন লাল সরকার, এএসএম রুবাইয়াতুল আলম, মো. সাজিদ হাসান, জিনোম সেন্টারের গবেষণা সহকারী প্রশান্ত কুমার দাস, রাসেল পারভেজ।

ডেইলি বাংলাদেশ/জেডএম

Bulletথাইল্যান্ডে শিশু ডেকেয়ার সেন্টারে এলোপাতাড়ি গুলি, নিহত ৩৪ Bullet৪১ রানে অল আউট করে বাংলাদেশের বিশাল জয় Bulletডিজিটাল নিরাপত্তা নিশ্চিতের উপায় খুঁজে বের করার ওপর প্রধানমন্ত্রীর গুরুত্বারোপ Bulletজঙ্গি সম্পৃক্ততায় বাড়ি ছেড়ে যাওয়া চারজনসহ ৭ জনকে গ্রেফতার করেছে র‍্যাব Bulletমৌসুমের প্রথম জাহাজ হিসেবে ৭৫০ পর্যটক নিয়ে কক্সবাজার থেকে সেন্টমার্টিন গেল ‘কর্ণফুলী এক্সপ্রেস’ Bulletবিশ্বে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় ১০৬১ মৃত্যু, শনাক্ত ৩ লাখ ৮৬ হাজার ৭৯৫ জন Bulletটেকনাফে ট্রলারডুবির ঘটনায় আরো দুই নারীর লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ Bulletমধ্যরাত থেকে ২২ দিন সারাদেশে ইলিশ ধরা, পরিবহন, ক্রয়-বিক্রয়, মজুত ও বিনিময়ে নিষেধাজ্ঞা শুরু