১৭ অক্টোবর হলে উঠবে রাবি শিক্ষার্থীরা, সব প্রস্তুতি শেষ

১৭ অক্টোবর হলে উঠবে রাবি শিক্ষার্থীরা, সব প্রস্তুতি শেষ

রাবি প্রতিনিধি ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

প্রকাশিত: ১৯:২৬ ১৩ অক্টোবর ২০২১   আপডেট: ১৯:২৭ ১৩ অক্টোবর ২০২১

করোনার দীর্ঘ  ছুটিতে হলে নষ্ট হওয়া আসবাবপত্র সরিয়ে নিচ্ছে কর্মচারীরা। ছবিটি রাবির নবাব আব্দুল লতিফ থেকে তোলা।

করোনার দীর্ঘ ছুটিতে হলে নষ্ট হওয়া আসবাবপত্র সরিয়ে নিচ্ছে কর্মচারীরা। ছবিটি রাবির নবাব আব্দুল লতিফ থেকে তোলা।

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) আবাসিক হল সমূহ শিক্ষার্থীদের জন্য খুলে দেয়া ১৭ অক্টোবর। ওই দিন থেকে শিক্ষার্থীরা হলে থাকতে পারবে। হলে শিক্ষার্থীদের থাকার পরিবেশ সৃষ্টিতে সব প্রস্তুতি এরইমধ্যে সম্পন্ন করা হয়েছে জানিয়েছেন হল প্রাধ্যক্ষ পরিষদের আহ্বায়ক।

ক্যাম্পাসের বিভিন্ন হল ঘুরে দেখা যায়, করোনার দীর্ঘ ছুটির পরে হলে শিক্ষার্থীদের বরণ নিতে নতুন রূপে সাজানো হয়েছে হলগুলোকে। প্রতিটি হলেই চলছে পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতার কাজ। কোনো কোনো হলে নতুন রঙ লাগানো হচ্ছে। হলের পুরনো দরজা জানালা মেরামত করা হচ্ছে। হলের ডাইনিং ক্যান্টিন পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতার কাজ চলছে। সেই সঙ্গে ডাইনিং ক্যান্টিনের পুরনো আসবাবপত্র সরিয়ে নতুন আসবাবপত্র সংযোজন করা হচ্ছে। হলের শোভা বর্ধনে কাজ করছে কর্মচারীরা।

বিশ্ববিদ্যালয়ের হল প্রাধ্যক্ষ পরিষদের আহ্বায়ক ও শহীদ শামসুজ্জোহা হলের প্রাধ্যক্ষ ড. মো. জুলকার নায়েন ডেইলি বাংলাদেশকে বলেছেন, আগামী ১৭ অক্টোবর আবসিক হলসমূহ খুলা হবে। শিক্ষার্থীদের আগমণ উপলক্ষ্যে ইতোমধ্যে প্রতিটি হলেই সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে। এখন শুধু শিক্ষার্থীদের ফেরার অপেক্ষা।

তিনি আরো বলেন, শুধুমাত্র আবাসিক শিক্ষার্থীরা হলে থাকতে পারবে। হলে উঠার আগে শিক্ষার্থীকে কমপক্ষে এক ডোজ টিকা গ্রহণ বাধ্যতামূলক। টিকা গ্রহণের সনদপত্র, হলের আবাসিক কার্ড অবশ্যই সঙ্গে নিয়ে আসতে হবে। অন্যথায় হলে প্রবেশের অনুমতি দেয়া হবে না।

হলের প্রস্তুতি সম্পর্কে জানতে চাইলে নবাব আব্দুল লতিফ হলের প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. একরাম হোসেন বলেন, শিক্ষার্থীদের আগমন উপলক্ষে এরইমধ্যে আমার হল প্রশাসন সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে। হল পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতার কাজ শেষ হয়েছে। অতিরিক্ত চেয়ার টেবিল তৈরি করে রাখা আছে। যদি কোনো শিক্ষার্থী জানায় তার কক্ষের আসবাবপত্র, দরজা, জানালা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তাহলে তৎক্ষনাৎ তা নতুন করে লাগিয়ে দেয়া হবে। আমরা সেগুলো আগেই তৈরি করে রেখেছি। এছাড়াও হলে প্রস্তুত করা হচ্ছে একটি আইসোলেশন রুম।

এদিকে, হলে অবস্থানের জন্য শিক্ষার্থীদের বেশকিছু নির্দেশনা দিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। হলে অবস্থান করতে হলে কমপক্ষে এক ডোজ টিকা গ্রহণ বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। যেসব শিক্ষার্থীরা টিকা গ্রহণ করেনি তাদেরকে আগামী ১৭ থেকে ২২ অক্টোবর পর্যন্ত শহীদ সুখরঞ্জন সমাদ্দার ছাত্র-শিক্ষক সাংস্কৃতিক কেন্দ্রে (টিএসসিসি) কোভিড-১৯ টিকার প্রথম এবং দ্বিতীয় ডোজ প্রদান করা হবে। প্রথম ডোজের জন্য শিক্ষার্থীদের অবশ্যই রেজিস্ট্রেশনের কপি নিয়ে আসতে হবে। এছাড়াও দ্বিতীয় ডোজ গ্রহণের জন্য অবশ্যই প্রথম ডোজের প্রমাণপত্র সঙ্গে নিয়ে আসতে হবে।

ডেইলি বাংলাদেশ/জেডএম