বেসরকারি ২৬ বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তিতে সতর্কতা জারি ইউজিসির

বেসরকারি ২৬ বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তিতে সতর্কতা জারি ইউজিসির

নিজস্ব প্রতিবেদক ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

প্রকাশিত: ০০:৫০ ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২১   আপডেট: ০১:১৭ ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২১

ফাইল ফটো

ফাইল ফটো

বিভিন্ন সমস্যা চিহ্নিত করে দেশের ২৬টি বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তির বিষয়ে ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীদের জন্য সতর্কতা জারি করেছে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি)। এরই মধ্যে এ বিষয়ে ইউজিসির ওয়েবসাইটে গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার সতর্কতা জারি করে গণবিজ্ঞপ্তি জারি করে ইউজিসি।

জানা যায়, বর্তমানে দেশে ১০৮টি অনুমোদিত বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় থাকলেও বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) অনুমতিক্রমে ৯৯টি বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। বাকি নয়টি বিশ্ববিদ্যালয় এখনও তাদের শিক্ষা কার্যক্রম শুরু করেনি। শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালিত হওয়া বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে ২৬টিতে বিভিন্ন সমস্যা চিহ্নিত করার পর সতর্কতা জারি করা হয়েছে। 

আরো জানা যায়, শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনাকারী ৯৯টি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে নয়টি বিশ্ববিদ্যালয়ে রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নিয়োগকৃত ভিসি, প্রো-ভিসি ও ট্রেজারার সকলেই নিয়োজিত রয়েছেন। এছাড়ারাষ্ট্রপতি কর্তৃক নিয়োগকৃত ভিসি রয়েছে ৬৯টি বিশ্ববিদ্যালয়ে, প্রো-ভিসি রয়েছে ২২টি বিশ্ববিদ্যালয়ে এবং ট্রেজারার রয়েছে ৫৬টি বিশ্ববিদ্যালয়ে। তবে ২১টি বিশ্ববিদ্যালয়ে রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নিয়োগকৃত ভিসি, প্রো-ভিসি ও ট্রেজারার পদে কোন ব্যক্তি নিয়োজিত নেই।

কমিশনের ওয়েবসাইটে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের তথ্যাবলি শিরোনামের সেবাবক্সে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য সন্নিবেশিত রয়েছে। এ ক্ষেত্রে শিক্ষার্থীদের বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির আগে সঠিক তথ্য যাচাই করে সিদ্ধান্ত নিতে অনুরোধ করা হয়েছে।

কেউ কোনো অননুমোদিত বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে অননুমোদিত ক্যাম্পাস, অননুমোদিত প্রোগ্রামে এবং অনুমোদিত প্রোগ্রামে কমিশন নির্ধারিত আসন সংখ্যার বিপরীতে অতিরিক্ত আসনে ভর্তি হয়ে প্রতারিত হলে এবং এর ফলে পরবর্তীতে কোনো আইনগত সমস্যার সম্মুখীন হলে কিংবা বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ ঘোষিত হলে অথবা সংশ্লিষ্ট প্রোগ্রাম বাতিল হলে বা অনুমোদিত আসন সংখ্যার অধিক আসনে ভর্তি হওয়ার কারণে সনদ বাতিল হলে তার দায়-দায়িত্ব বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের ওপর বর্তাবে না বলে বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে।

গণবিজ্ঞপ্তিতে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ কর্তৃক অবিভাবক/শিক্ষার্থীদের চাহিদা অনুযায়ী কমিশন অনুমোদিত প্রোগ্রাম অনুমোদন পত্র প্রদর্শনের বাধ্যবাধকতা রয়েছে বিধায় ভর্তির সময় তা দেখে নেয়ার জন্য পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

এতে আরো বলা হয়, সংশ্লিষ্ট সবার অবগতির জন্য আরো জানানো যাচ্ছে যে, বিভিন্ন বিদেশি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভুয়া নামে বা স্বনামধন্য বিদেশি বিশ্ববিদ্যালয়ের নামে অবৈধভাবে ওয়েবসাইট বা অফিস খুলে তথাকথিত পিএইচডিসহ বিভিন্ন ডিগ্রি দেওয়া হচ্ছে, যা কমিশনের দৃষ্টিগোচর হয়েছে। অদ্যাবধি কোনো বিদেশি বিশ্ববিদ্যালয়ের শাখা/ক্যাম্পাস/স্টাডি সেন্টারের শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনার অনুমোদন কমিশন কর্তৃক দেওয়া হয়নি। সুতরাং অননুমোদিত কোনো প্রতিষ্ঠানে ভর্তি হয়ে বা ডিগ্রি নিয়ে প্রতারিত না হওয়ার জন্যও শিক্ষার্থী/অভিভাবকদের পরামর্শমূলক সতর্ক করা হলো। উল্লেখ্য যে, কমিশন থেকে এখন পর্যন্ত কোনো বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়কে পিএইচডি প্রোগ্রাম পরিচালনা করার অনুমোদন দেওয়া হয়নি।

ডেইলি বাংলাদেশ/এমকেএ