রাবির বর্ষসেরা গবেষক পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক নকীব

রাবির বর্ষসেরা গবেষক পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক নকীব

রাবি প্রতিনিধি ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

প্রকাশিত: ১৯:০৯ ১৫ জানুয়ারি ২০২১   আপডেট: ১৯:১০ ১৫ জানুয়ারি ২০২১

অধ্যাপক ড. সালেহ হাসান নকীব ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

অধ্যাপক ড. সালেহ হাসান নকীব ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) ২০২০ সালের বর্ষসেরা গবেষক নির্বাচিত হয়েছেন পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. সালেহ হাসান নকীব। গত ৯ জানুয়ারি স্কোপাস ডাটাবেজের তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণ করে একটি প্রতিবেদনে এই তথ্য  প্রকাশ করে সায়েন্টিফিক বাংলাদেশ। 

২০২০ সালে স্কোপাস তালিকাভুক্ত জার্নালগুলোতে সর্বোচ্চ সংখ্যক প্রকাশিত গবেষণা নিবন্ধ হয়েছে তার। প্রতিবেদন অনুযায়ী গত বছর  স্কোপাস ইনডেক্সড জার্নালগুলোতে অধ্যাপক নকীবের প্রকাশিত গবেষণা নিবন্ধের সংখ্যা ২০টি। 

অধ্যাপক নকীব রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পদার্থবিজ্ঞানে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেন। ২০০৩ সালে তিনি কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন ।

গবেষণায় তার প্রধান আগ্রহের বিষয় হচ্ছে সুপারকন্ডাকটিভিটি এবং কম্পিউটেশনাল ফিজিক্স। ১৯৯৮ সালে তিনি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রভাষক হিসেবে যোগদান করে শিক্ষকতা শুরু করেন।

পদার্থবিজ্ঞানে গবেষণায় অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি ২০১৭ সালে বিশ্ববিদ্যালয় ডিনস এওয়ার্ড লাভ করেন। এছাড়াও তিনি ২০০৮ সালে টাওয়াস ইয়ং সায়েন্টিস্ট অ্যাওয়ার্ড এবং ২০১১ সালে রাজ্জাক-শামসুন ফিজিক্স রিসার্চ প্রাইজ লাভ করেন।

এদিকে প্রতিবেদনের তালিকায় ১৭টি গবেষণা নিবন্ধ প্রকাশ করে দ্বিতীয় অবস্থানে আছেন রাবির বায়োকেমিস্ট্রি অ্যান্ড মলিকুলার বায়োলজি বিভাগের অধ্যাপক ফরহাদুল ইসলাম। আর ১২টি প্রকাশনা নিয়ে যৌথভাবে তৃতীয় অবস্থানে আছেন ইলেক্ট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেক্ট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক জাকের হোসেন ও অধ্যাপক অলোক কুমার পাল এবং ফিশারিজ বিভাগের অধ্যাপক এম ইয়ামিন হোসেন।

প্রকাশিত গবেষণা নিবন্ধের সংখ্যার দিক থেকে দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ও অন্যান্য গবেষণা প্রতিষ্ঠানগুলোর মাঝে প্রথমবারের মতো তৃতীয় অবস্থানে উঠে এসেছে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়।

২০২০ সালে রাবির গবেষকগণ যৌথ ও এককভাবে স্কোপাস তালিকাভুক্ত জার্নালগুলোতে ৪৭০ টি গবেষণা নিবন্ধ প্রকাশ করেছেন। যা ২০১৯ সালের চাইতে ১৪০টি বেশি। তালিকায় প্রথম ও দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে যথাক্রমে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এবং বুয়েট।

ডেইলি বাংলাদেশ/এমকে