৩১ জুলাই কারখানা খুলতে চান গার্মেন্টস মালিকরা

৩১ জুলাই কারখানা খুলতে চান গার্মেন্টস মালিকরা

নিজস্ব প্রতিবেদক ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

প্রকাশিত: ১৫:৫৪ ১৮ জুলাই ২০২১   আপডেট: ১৬:৩৮ ১৮ জুলাই ২০২১

ফাইল ফটো

ফাইল ফটো

পবিত্র ঈদুল আজহার বাকি মাত্র দুদিন। রোববার থেকে অনেক পোশাক কারখানায় ঈদের ছুটি শুরু হয়েছে। ঈদ পরবর্তী কঠোর লকডাউনের ১৪ দিনে গার্মেন্টসসহ সবধরনের কারখানা বন্ধ থাকবে।

সূত্রের তথ্যানুযায়ী, পর্যায়ক্রমে দেশের পোশাক শ্রমিকদের ছুটি দিচ্ছেন কারখানা মালিকরা। অনেক ক্ষেত্রে সরকারি ছুটি সঙ্গে শ্রমিকদের পাওনা ছুটি সমন্বয় করা হচ্ছে। এতে শ্রমিকরা ৭ থেকে ১০ দিন ছুটি পাবেন। এজন্য ৩০ জুলাইয়ের মধ্যে ছুটি সীমা ঠিক রাখতে চান মালিকরা। এর পরদিন থেকেই কারখানা খুলতে চান তারা।

শ্রম মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে বলা হয়, মালিক চাইলে শ্রমিকদের ছুটি বাড়াতে পারবে। তবে সরকারের পক্ষ থেকে তিনদিন ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে।

২৩ জুলাই সকাল ৬টা থেকে ৫ আগস্ট পর্যন্ত ফের কঠোর লকডাউনের অগ্রীম ঘোষণা দিয়েছে সরকার। এ সময়ে তৈরি পোশাক খাতের কারখানা খোলা রাখতে সরকারের শীর্ষ পর্যায়ে চিঠি দিয়েছে। খাত সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ী নেতারা বৈঠকও করেছে। তবে এ সময়ের মধ্যে উৎপাদনমুখী শিল্প কল-কারখানা কর্মীদের কাজে ফিরতে ৩০ জুলাই থেকে শ্রমিকদের যাতায়ত শিথিল করা হতে পারে। সরকারের পক্ষ থেকে সহসায় এ নির্দেশনা আসবে।

ব্যসায়ীদের শীর্ষ বাণিজ্য সংগঠন এফবিসিসিআই সভাপতি মো. জসিম উদ্দিন এক বিবৃতিতে উৎপাদনমুখী সব শিল্প কারখানা সচল রাখতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানান।

তিনি বলেন, করোনা পরিস্থিতে সব শিল্প কারখানা বন্ধ রাখা হলে অর্থনৈতিক কার্যক্রম বন্ধ থাকবে। এতে সাপ্লাই চেইন (সরবরাহ ব্যবস্থা) সম্পূর্ণ বিঘ্নিত হবে। যার ফলে উৎপাদন থেকে ভোক্তা পর্যন্ত প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে জড়িত সবাই ক্ষতিগ্রস্ত হবে।

এরই মধ্যে খাত সংশ্লিষ্ট বাণিজ্য সংগঠনগুলোর পক্ষ থেকে কারখানা খোলা রাখতে এবং শ্রমিকদের যাতায়াত নিরাপদ করতে প্রধানমন্ত্রীকে চিঠি দেওয়া হয়েছে।

ওই চিঠিতে নেতারা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে আবেদন করেন, ঈদের ছুটি সংক্ষিপ্ত করে কারখানা খুলে দিলে দেশের রফতানিখাত বহুমূখী বিপর্যয়ের শঙ্কা থেকে রক্ষা পাবে।

ওই চিঠিতে নেতারা আরো বলেন, প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে যেই সিদ্ধান্ত আসবে তা শিল্প ও কারখানা মালিকরা মেনে নেবেন।

ডেইলি বাংলাদেশ/এমকেএ